ছোটদের নুডুলস পিকনিক।
প্রিয় আমার বাংলা কমিউনিটির ভাইবোন বন্ধুরা,
আর পিকনিক করতে গেলে একটা ম্যানেজমেন্ট এর ও ব্যাপার আছে যেটা তো ৭,৮ বছরের বাচ্চারা পারবে না। কিন্তু ওদেরও তো মন চায় মাঝে মাঝে বন্ধুদের সাথে পিকনিক করতে। তো সব সময় হয়তো ওদের পিকনিক করার সুযোগ হয় না বা করতে পারে না কিন্তু মাঝে মাঝে ওরা ওদের পকেট মানি থেকে কিছু করার চেষ্টা করে। তো আজকে সকালে আমাদের বাড়িতে ছোট ছোট কয়েকটা বাচ্চা নিজেদের চেষ্টাই পিকনিক করেছিল। তো আজকে আমি আপনাদের মাঝে ওঁদের পিকনিক করার কিছু মুহূর্ত শেয়ার করব তো চলুন আর বেশি দেরি না করে মূল বিষয়ে আসা যাক।
তো আমাদের বাড়িতে ছোট্ট একটা দোকান আছে। তার জন্য বাড়ির আশেপাশে যত ছোট ছোট বাচ্চা আছে তারা সবাই প্রায় রোজ আমাদের বাড়িতে এসে কিছু না কিছু কিনে খাই। তো আজকে দেখলাম ওরা সকালবেলায় প্লান করেছে যে ওরা ৩-৪ জন মিলে নুডুলস পিকনিক করবে। এছাড়াও আরো দেখলাম ওরা প্লান করেছে নুডুলস রান্না করে কলার পাতাতে খাবে। বিষয়টা আমার কাছে যে ইন্টারেস্টিং লাগলো। তো আম্মু বলল যে তোদের এগুলো রান্না করতে কোথাও যেতে হবে না আমি তোদেরকে রান্না করে দিব। তো যাই হোক প্রথমে ওরা দেখলাম কোথা থেকে যেন কয়েকটা কলার পাতা কেটে নিয়ে আসলো।
এরপর আম্মু ওদেরকে নুডুলস রান্না করে দিতে চাইলো কিন্তু ওরা চাচ্ছিল যে নুডুলস রান্না না করে এটা কে সুপ বানিয়ে খাবে। তো ওঁদের যেহেতু এটাই ইচ্ছা ছিল তাই আম্মু ওদেরকে নুডুলস এর সুপ বানিয়ে দিল। তো কিছুক্ষণের মধ্যেই নুডুলস এর সুপ বানানো হয়ে গেলে ওঁরা চাচ্ছিল যে কলার পাতায় খাবে কিন্তু এটা যেহেতু একটু ঝোল টাইপের ছিল তাই আর ওদের সেই স্বপ্নটা পূরণ হয়নি। তবে সে যাই হোক যেটাতেই খাক না কেন বন্ধুদের সাথে একসাথে খাওয়ার মজাটাই আলাদা
তবে আজকে একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম অন্য সময় ওরা একজন আরেকজনকে তেমন একটা হেল্প না করলেও আজকে বেশ ভালোই একজন আরেকজনকে হেল্প করছিল। আর ওদের মধ্যে যে বড় ছিল সে তো নিজে না খেয়েই খাজিনদারি করছিল। যাইহোক ওদের এই বিষয়গুলো আমার বেশ ভালো লেগেছে তাই আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। ছোট বাচ্চাদের আমার বেশ ভালই লাগে আমি ওদের পিকনিকে যখন ছবি তুলছিলাম তখন ওরা বিষয়টা বেশ ভালোভাবে নিয়েছিল। আর হ্যাঁ আপনারা ছোটবেলায় এমন ভাবে কখনো পিকনিক করেছেন কি-না অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। আমি ছোটবেলায় পিকনিক করেছি তবে এত ছোট কালে হয়তো এভাবে পিকনিক করার সুযোগ হয়নি।
তো প্রিয় আমার বাংলা কমিউনিটির ভাই বোন বন্ধুরা, এই ছিল আমার আজকের পোস্ট। আমার আজকের লেখাগুলো আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। আর কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে আশা করি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। তো আজকের মত এটুকুই। আবারো খুব শীঘ্রই নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হবো আপনাদের মাঝে ইনশা-আল্লাহ। ততক্ষণ সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন নিজের খেয়াল রাখবেন।
সত্যিই আমার কাছে ছোটদের এই পিকনিকের বিষয়টি দারুন লেগেছে। আসলেই তাদের কাছে সবসময় টাকা থাকে না এবং পিতা-মাতা অনেক সময় টাকা দিতেও চায় না।
যাক ওরা নিজেদের চেষ্টায় চমৎকার পিকনিক আয়োজন করেছে দেখে সত্যিই ভীষণ ভালো লাগলো। আর কলা পাতায় খেতে পারলে ওদের আরো একটু আনন্দ বেশি হতো আরকি।
হ্যাঁ বিষয়টা আপনার মত আমার কাছেও বেশ ভালো লাগছিল। আর হ্যাঁ ঠিক বলেছেন কলার পাতায় খেতে পারলে ওঁরা একটু বেশি আনন্দিত হতো।
ছোটকালে আমরা এমন কত ধরনের পিকনিক খেয়েছি অনেক কথা মনে আছে সেই ছোটবেলার। কিন্তু নুডুলসের পিকনিকটা দারুন সুন্দর হয়েছে ভিন্ন ধরনের একটি পিকনিকের আয়োজন করেছে বাচ্চারা। ছোট মানুষ নিজেদের যা আছেন যা সম্ভব হয় তা করেছেন ভালই হয়েছে। বিষয়টা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ভালো লাগলো।
ছোটবেলায় আপনারাও এ ধরনের পিকনিক করেছেন জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর ভাবে গুছিয়ে মন্তব্যটি করার জন্য।
ছোট ছোট বাচ্চারা দারুন পিকনিক করেছে।খুব ভালো লাগলো ভাইয়া দেখে।আমরা কত পিকনিক করেছি ছেলেবেলা।এক্সাম শেষ হলেই পিকনিক।আপনি খুব সুন্দর একটা পোস্ট শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
ছোটবেলায় আপনারাও এভাবে পিকনিক করেছেন জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু আপনাকে সুন্দর মন্তব্যটি করার জন্য।