মসুর ডাল ও চিংড়ি মাছের পকোড়া বানানোর রেসিপি।
প্রিয় আমার বাংলা কমিউনিটির ভাইবোন বন্ধুরা,
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমি আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি।
| উপকরণের নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| মসুর ডাল | ৪০০ গ্রাম |
| চিংড়ি মাছ | ২৫০ গ্রাম |
| কাঁচা মরিচ | ১০০ গ্রাম |
| পেঁয়াজ | বড় সাইজের ৩ টি |
| রসুন | বড় সাইজের ২ টি |
| সয়াবিন তেল | পরিমাণ মতো |
| লবণ | স্বাদমতো |
| হলুদ | ১ টেবিল চামচ |
| জিরা গুঁড়া | ১ টেবিল চামচ |
| এলাচ,গোল মরিচ,দারুচিনি ও লবঙ্গ গুঁড়া | ১ টেবিল চামচ |
ধাপ-১
আপু আগে থেকেই মসুর ডাল গুলোকে ভিজিয়ে রেখেছিল। এটা ভিজিয়ে রেখেছিল মূলত প্রায় তিন ঘন্টা।
ধাপ-২
প্রথমে চিংড়ি মাছ,ঝাল,পেঁয়াজ ও রসুন এবং মসুর ডাল আলাদা আলাদা ভাবে বিলিন্ডারে ব্লেন্ড করে নিল।
ধাপ-৩
তারপর একটি পাত্রে ব্লেন্ড করা মসুর ডাল,ব্লেন্ড করা চিংড়ি মাছ,ব্লেন্ড করা ঝাল,পিঁয়াজ ও রসুন এবং লবণ, হলুদ, জিরা গুড়া এবং এলাচ,গোলমরিচ ও দারুচিনি গুঁড়া সবগুলো দিয়ে একসাথে মিশিয়ে নিল।
ধাপ-৪
সব উপকরণগুলো একসাথে মিশানো হয়ে গেলে। কড়াইতে তেল দিয়ে গরম করে নিল। এরপর কড়াই দিতে চিত্র অনুরূপভাবে একের পর এক পকোড়া বানানোর জন্য দিয়ে দিল।
শেষ ধাপ
ব্যাস এভাবে তেলের ভাজা হয়ে গেলে আমাদের মসুর ডাল ও চিংড়ি মাছের পাকোড়া বানানোর কমপ্লিট। তারপর সেগুলোকে নামিয়ে রাখল।
তো প্রিয় আমার বাংলা কমিউনিটির ভাই বোন ও বন্ধুরা এই ছিল আমার আজকের রেসিপি পোস্ট। আশা করি আপনাদের ভালই লেগেছে।এটা খেতে অনেক ভাল ছিল আপনারা চাইলে বাসায় ট্রাই করতে পারেন। যাইহোক আবারও খুব শীঘ্রই নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হবো আপনাদের মাঝে ইনশা-আল্লাহ। ততক্ষণ সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন নিজের খেয়াল রাখবেন।
চিংড়ি মাছ আর মসুর ডালের পাকোড়া সেই কবে খেয়েছিলাম মনেই নেই! পোকাড়া ভাত ছাড়াই কয়েকটা খেয়ে নিতাম 😁। অনেকদিন পর রেসিপি দেখে মনে হলো। আপনি ধাপে ধাপে সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ধন্যবাদ 🌼
আমিও আগে এরকমই করতাম। মানে এখনো করি।🤭
ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
শুক্রবার বাজারে গিয়ে চিংড়ি মাছ কিনে নিয়ে এসেছিলেন এবং সেই চিংড়ি মাছ দিয়ে মসুরের ডাল যোগ করে পাকোড়া তৈরি করেছেন সেটা জেনে খুবই ভালো লাগলো। মজাদার এই পাকোড়া রেসিপি দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক বেশি সুস্বাদু এবং লোভনীয় ছিল শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপনার মন্তব্যটি পড়ে ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে এই সুন্দর মন্তব্যটি করার জন্য।
ভাই কালকেই কিনে খেলাম স্ট্রিট ফুড হিসেবে। আমার খুবই পছন্দের।কিন্তু গ্যাসের জ্বালায় খাওয়া কমানো লেগেছে।আবার বাসায় মেহমান আসলে চটজলদি নাস্তা হিসেবে দারুন হয়। ধন্যবাদ ভাইয়া মুখরোচক একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
ঠিক ভাই গ্যাসের জন্য তো এখন এই সব খাবার অনেকেই খেতে পারে না। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
মসুরের ডালের সঙ্গে চিংড়ি বেটে দিলে আলাদা একটা সুন্দর ফ্লেভার আসে।আমার কাছে ভালোই লাগে।ভালোই জটপট বিকালের নাস্তা তৈরি করে ফেলেছেন বাজার থেকে চিংড়ি মাছ এনে।ভালো ছিলো।প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ধন্যবাদ
ধন্যবাদ আপনাকে আমার পোস্টে এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
সত্যি ভাইয়া বাজারে গেলে পছন্দের মাছগুলোর দিকে আগে নজর যায়। আর চিংড়ি মাছ এমন একটি মাছ যে মাছ খেতে সবাই পছন্দ করে। তাই তো আপনার আপু এবং সবাই মিলে প্ল্যান করেছেন চিংড়ি মাছের এই মজার রেসিপি তৈরি করার জন্য। চিংড়ি মাছ ও মসুর ডালের পাকোড়া রেসিপি সত্যি খুবই লোভনীয় হয়েছে। বিকেলের নাস্তায় এই খাবারগুলো খেতে দারুন লাগে। আর যদি পরিবারের সবাই মিলে খাওয়া হয় তাহলে খাওয়ার আনন্দটা আরো বেড়ে যায়।
চিংড়ি মাছ অনেকেরই পছন্দ কিন্তু অনেকে আবার এলার্জির জন্য খেতে পারে না। আপনার মন্তব্যটি পড়ে ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে আমার পোস্টে এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
চিংড়ি মাছের যে কোন রেসিপি খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে।আর আপনিতো দেখছি চিংড়ি মাছ ব্লেন্ড করে সুস্বাদু পাকোড়া রেসিপি তৈরি করেছেন। গরম গরম পাকোড়া খেতে দারুন লাগে।আপনার তৈরি মসুর ডাল ও চিংড়ি মাছের পাকোড়া বানানোর প্রতিটি ধাপ শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
চিংড়ি মাছ আপনার খেতে ভালো লাগে জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
চিংড়ি মাছ মসুর ডাল মিশ্রণে খুবই মজাদার মুচমুচে পাকোড়া প্রস্তুত করেছেন। এমন খাবার আমারও খুব ফেভারিট মাঝে মাঝেই বাসায় প্রস্তুত করে খাওয়া হয়।। একটি কথা ঠিক বলেছেন আপনি এ ধরনের খাবার বিকেলের নাস্তা হিসেবে প্রস্তুত করে খেলে খুবই মজাদার হয়।।
ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
মসুর ডাল এবং চিংড়ি মাছের পাকোড়া দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। আমার খুবই পছন্দের একটি রেসিপি। এরকম পাকড়ো গুলো সস এর সাথে খেতে খুবই ভালো লাগে। আমার গরম গরম ভাতের সাথেও খাওয়া যায়। রেসিপি তৈরির ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর ও সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনার মন্তব্যটি পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে আমার পোস্টে মন্তব্য করার জন্য।