এখানে দেখতে পাচ্ছেন বেশ কিছু মাছের ফটোগ্রাফি। এগুলো আমাদের পুকুরের জাপানি আর তেলাপিয়া মাছ। এই সমস্ত মাছগুলো নিজেদের পুকুরে আছে তাই যে কোন মুহূর্তে ধরে রান্না করে খাওয়া সম্ভব হয়। হয়তো যাদের পুকুর নেই তারাই বোঝে এর মূল্য। তবে আমি টাটকা এই সমস্ত মাছগুলো খেতে বেশি পছন্দ করি। ফ্রিজে রাখা মাছগুলো এই মাছের মত সাদের হয় না।

Photography device: Infinix hot 11s
গাংনী
এখানে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন বেশ কিছু মৃৎশিল্প। এ জাতীয় শিল্প গুলো আমি খুবই পছন্দ করে থাকি। পূর্বের দিনে এই সমস্ত শিল্প গুলো আমাদের দেশে বিদ্যমান ছিল কিন্তু এখন দিন দিন কমে যাচ্ছে। তাই আমাদের উচিত এই সমস্ত শিল্প গুলোকে ধরে রাখার।

Photography device: Infinix hot 11s
জুগীরগোফা,গাংনী-মেহেরপুর
এ পর্যায়ে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন অনেকগুলো লাউ সাজানো রয়েছে। লাউ সব্জিটা আমি খুবই পছন্দ করে থাকি। আমাদের পুকুর পাড়ে এই সবজি হয়ে থাকে। আলু অথবা অন্যান্য সবজির সাথে রান্না করে খেতে খুবই ভালো লাগে।

Photography device: Infinix hot 11s
জুগীরগোফা,গাংনী-মেহেরপুর
এটা মাটি কাটা গাড়ি। আমাদের এলাকায় এই গাড়িটা বেশ অনেক দেখা যায়। কারণ আমাদের এখানে শুধু কুকুর আর পুকুর। পুকুর খনন থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজে এই গাড়িটা ব্যবহার করতে দেখা যায় আমাদের এলাকায়। তাই আমাদের পুকুর গুলোর আশেপাশে প্রায় দেখা যায় এই গাড়ি।

Photography device: Infinix hot 11s
জুগীরগোফা,গাংনী-মেহেরপুর
ধান কাটার পরে তার খড়গুলো এভাবে রেখে দেয়া হয়েছিল আমাদের পুকুরপাড়ের পাশে একটি জমিতে। সেখান থেকেই ধারণ করেছিলাম কোন এক বিকেল মুহূর্তে এই ফটোটা। এগুলো গরুর খাবার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Photography device: Infinix hot 11s
গাংনী
এখানে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সারিবদ্ধভাবে সাজানো রয়েছে দই। হয়তো কোন অর্ডার পেয়ে তারা এত সুন্দর করে সাজিয়ে রেখেছেন। হোটেলে খাবার খাওয়ার মুহূর্তে এমন সুন্দর দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম।

Photography device: Infinix hot 11s
জুগীরগোফা,গাংনী-মেহেরপুর
এ পর্যায়ে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন চারুর মধ্যে চাল কুমড়ার বড়ি লেগে রয়েছে। যখন চাল কুমড়ার বড়ি তৈরি করা হয় চারুর উপরে তখন কাঁচা থাকে। আর রোদে একটু শুকিয়ে গেলে তার সাথে লেগে যায়। বিকেল মুহূর্তে তোলার সময় একসাথে জড়িয়ে তুলে রাখে সবাই। ঠিক তেমনি একটা মুহূর্তের ফটো ছিল এটা।

Photography device: Infinix hot 11s
গাংনী

পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

আমার নাম মোছাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস শশী। আমার বাসা গাংনী মেহেরপুর, বাংলাদেশ। আমি আপনাদের সুপ্রিয় বিদ্যুৎ জিরো ওয়ান এর পরিবার। আমি একজন গৃহিণী। স্বামী সন্তান সহ আমাদের যৌথ পরিবার। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির চারজন সদস্য রয়েছে আমাদের পরিবারে, তার মধ্যে আমি একজন। এইচএসসি পাশ করার পর বিয়ে হওয়ার মধ্য দিয়ে আমার লেখাপড়া স্থগিত হয়। আমার ইচ্ছে আমি এই কমিউনিটিতে দীর্ঘদিন ব্লগ করব। পাশাপাশি আমার নিকটস্থ প্রিয়জনদের সহায়তা করব এই কমিউনিটিতে কাজ করার জন্য।


ফটোগ্রাফি গুলো বেশ ভালো লাগলো কারণ প্রতিটা ফটোগ্রাফিতে আলাদা আলাদা সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সুন্দর এই ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
ফটোগ্রাফি দেখলে অন্যরকম ভালো লাগে। আজকে আপনি দেখতেছি চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। তবে আপনার ধান ক্ষেতের ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। এবং লাউ এর ফটোগ্রাফি ও দইয়ের ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে। সত্যি বলতে আপনি অসাধারণ ফটোগ্রাফি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। এই ধরনের ফটোগ্রাফি গুলো বারবার দেখতে মন চায়।
খুবই চমৎকার কয়েকটি ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আপু। ভিন্ন ভিন্ন ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে অসম্ভব সুন্দর হয়েছে।খুবই নিখুঁত ভাবে প্রতিটা ফটো উপস্থাপন করেছেন।যা দেখে বেশ ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।