কেমন আছেন আপনারা? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার সহায়তায় ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিকে ভালোবেসে উপস্থিত হলাম সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য। বিভিন্ন প্রকার রেনডম ফটোগ্রাফি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। মনে করি, আমার এই ফটোগ্রাফি আপনাদের ভালো লাগবে।

প্রথমে দেখতে পাচ্ছেন বাজারে অনেক সুন্দর করে পাত্রের মধ্যে টমেটো সাজিয়ে রাখা হয়েছে। পাকা টমেটোর সালাদ খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। মাছ জাতীয় রেসিপিতে পাকা টমেটো অনেক স্বাদ সৃষ্টি করে। তাই বলা চলে শীতকালীন শাক সবজির মধ্যে এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি সবজি।

এগুলা পুঁই শাকের বিচি। আলু কুচি কুচি করে কেটে এই বিচির সমন্বয়ে রান্না করে খেতে খুবই ভালো লাগে। এগুলা আমাদের পুকুর পাড়ে অনেক হয়েছিল এবার।

এটা আমাদের সবজি বাগানের করল্লা গাছ থেকে উঠানো করল্লার ফটোগ্রাফির। এজাতীয় করল্লা গুলো খেলে শরীরের খুবই উপকার হয়। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এগুলা দেশির পুটি মাছ। বর্ষার সময়ে বিত্তিতে পাওয়া গেছিল। এগুলো চচ্চড়ি করে খেতে খুবই ভালো লাগে। বড় মাছের চেয়েও ছোট মাছে বেশি পুষ্টিগুণ থাকে। তাই বড় মাছের পাশাপাশি এগুলো খাওয়া দরকার।

এগুলো চিংড়ি মাছ। চিংড়ি অবশ্য মাছ নয় তবুও মাছ বলে জানি। এটাও আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। বিশেষ করে লাউ দিয়ে রান্না করে খেতে খুবই টেস্ট লাগে।

এটা একটি শিশু গাছের ফটোগ্রাফি। পুকুর পাড়ে বসে থাকার মত একটি গাছ ছিল। গাছটা ঘন সবুজ আর বেশ ঝাঁকড়া। এখন অবশ্য পুকুরপাড়ে এই গাছটি নেই। প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টি হলে গাছটা পড়ে যাওয়ার ভয় ছিল এতে পুকুর পাড় নষ্ট হওয়ার ভয় ছিল। তাই আগে থেকেই পুকুর মালিক গাছটা বিক্রয় করে দিয়েছে। শুধু আমার মোবাইলে ধারণ করা গাছে চিত্রটা রয়ে গেছে।

এটা আমার মেজ আঙ্কেলের ঘাসের বাগান। তার বেশ অনেকগুলো গরু রয়েছে। আর গরুর খাবার হিসেবে এই ঘাস চাষ করেন। উনি খুবই যত্ন সহকারে দেখাশোনা করেন।

আমাদের পুকুর পাড়ের সাইড করে ছোট ভাইয়া সরিষা বুনে ছিল। উনি সরিষা বুনেছিলেন শুধুমাত্র ফুলের ফটো ধারণ করার জন্য। পুকুর পাড়ে বেশ অনেক গাছ হয়েছিল। আর সেই থেকে আমি ধারণ করেছিলাম এই ফটো।

কালিজিরা, আমরা অনেকেই চিনে থাকি সেটা। তবে আপনারা পাত্রে যেটা দেখতে পাচ্ছেন এটা দেখতে কালিজিরার মত হলেও কালিজিরা নয়। এটা হচ্ছে পেঁয়াজের বীজ। শীতের আগে অনেকে পেঁয়াজের বীজ বপন করেছিল। আর আমরাও ভাগ্যক্রমে কৃষি অফিসারের কাছ থেকে কিছুটা বীজ পেয়েছিলাম।

এগুলা আমাদের গাছের কাঁচা পাকা আমড়া। সারা বছর কমবেশি আমাদের গাছে আমড়া থাকে। প্রচন্ড গরমের দিনে আমড়া খেতে বেশ ভালো লাগে। যদি আচার তৈরি করে খাওয়া যায়, তাহলে আরো ভালো লাগে।

ধন্যবাদ সকলকে
| ফটোগ্রাফি | রেনডম |
| লোকেশন | গাংনী |
| মোবাইল | Infinix Hot 11s |
| ক্রেডিট | @jannatul01 |
| ব্লগার | আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি |
আমার পরিচয়
আমার নাম মোছাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস শশী। আমার বাসা গাংনী মেহেরপুর, বাংলাদেশ। আমি আপনাদের সুপ্রিয় বিদ্যুৎ জিরো ওয়ান এর পরিবার। আমি একজন গৃহিণী। স্বামী সন্তান সহ আমাদের যৌথ পরিবার। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির চারজন সদস্য রয়েছে আমাদের পরিবারে, তার মধ্যে আমি একজন। এইচএসসি পাশ করার পর বিয়ে হওয়ার মধ্য দিয়ে আমার লেখাপড়া স্থগিত হয়। আমার ইচ্ছে আমি এই কমিউনিটিতে দীর্ঘদিন ব্লগ করব। পাশাপাশি আমার নিকটস্থ প্রিয়জনদের সহায়তা করব এই কমিউনিটিতে কাজ করার জন্য।
আপনার রেনডম ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে ভীষণ ভালো লাগছে ।এ ধরনের ফটোগ্রাফি দেখতে বেশ ভালই লাগে ।ছোট ছোট টমেটো গুলো দেখতে খুবই কিউট লাগছে। দারুন কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।।
হ্যাঁ আমাদের পুকুর পাড়ে টমেটো গাছ গুলো দেখতে অনেক কিউট। অনেক মজার মজার টমেটো হয়।
অনেক সময় সুন্দর কিছু দেখলেই ফটোগ্রাফি করতে ইচ্ছা করে। আর বিভিন্ন সময়ের ফটোগ্রাফি গুলো একত্রে শেয়ার করতে ভালো লাগে। আপু আপনি এত সুন্দর করে ফটোগ্রাফি গুলো করেছেন আর শেয়ার করেছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আমার সব কটি ফটোগ্রাফি যে আপনার কাছে অনেক ভালো লেগেছে সেটা জেনে অনেক ভালো লাগলো।
ওয়াও ভাই বিভিন্ন পর্যায়ে রেনডম ফটোগ্রাফি গুলো দারুন হয়েছে। বিশেষ করে পুকুর পাড়ের সরিষার ফটোগ্রাফি আমার কাছে দারুন লেগেছে। অনেক সুন্দর একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট আমাদের সাথে বিস্তারিতভাবে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
হ্যাঁ আমি সুন্দর করে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তবে আমি ভাই না আপু।
আপনি খুবই চমৎকারভাবে আমাদের মাঝে বিভিন্ন পর্যায়ের রেনডম ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন দেখে ভালো লাগলো। বিভিন্ন পর্যায়ের রেনডম ফটোগ্রাফি করতে এবং দেখতে আমি অনেক বেশি ভালোবাসি এবং পছন্দ করি। আজকের এই ফটোগ্রাফিক পোস্ট দেখে আমি মুগ্ধ, বিশেষ করে করলা এবং চিংড়ি মাছের ফটোগ্রাফিটা অসাধারণ ছিল। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
রেনডম ফটোগ্রাফি হলেও এগুলো দেখতে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। এমন ফটোগ্রাফি গুলো দেখলেই মনের মধ্যে অন্য রকমের একটা ভালো লাগা কাজ করে। আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি এর মধ্যকার পুঁটি মাছ দেখে যেন মন চাচ্ছে যে এটা ভেজে খেতে শুরু করে দেই।
ঠিক বলেছেন পুটি মাছ গুলো আমাদের পুকুরের। আর এগুলো আমি ভেজে রান্না করেছি।
আপনার তোলা রেনডম ফটোগ্রাফি গুলো আসলে অনেক চমৎকার হয়েছে ।এমন ধরনের চিংড়ি মাছ চচ্চড়ি করলে খেতে অনেক মজা লাগে। আপনার লেখাটা একটু ওলট-পালট হয়ে গিয়েছে। যেটা নিচে লিখবেন সেটা না লিখে অন্যটা নিচে লিখে ফেলেছেন।
সুন্দর মন্তব্য করে আমার পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।।
এত সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখতে খুব ভালো লাগলো। আপনি বিভিন্ন পর্যায়ের ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন। পুঁইশাকের বিচির ফটোগ্রাফি বেশ ভালো লেগেছে। তাছাড়া আপনি ছোট মাছের ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন। সবুজ প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি গুলো বেশ চমৎকার হলো। অনেক ভালো লেগেছে প্রতিটি ফটোগ্রাফি দেখে।
আমি প্রতিট ফটোগ্রাফি করার সময় অনেক যত্ন করে তোলার চেষ্টা করি যাতে আপনাদের কাছে অনেক ভালো লাগে।