কেমন আছেন আপনারা? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার সহায়তায় ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিকে ভালোবেসে উপস্থিত হলাম সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য। বিভিন্ন প্রকার রেনডম ফটোগ্রাফি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। মনে করি, আমার এই ফটোগ্রাফি আপনাদের ভালো লাগবে। তাহলে চলুন এক নজরে দেখে ফেলি আমার এই রেনডম ফটোগ্রাফি গুলো।

প্রথমে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন হস্তশিল্প চাল ঝাড়া কুলা, মুরগি পাখি রাখার ঝাকা, আটা-ময়দা চালাচালন। এই সমস্ত শিল্প গুলো আমার খুবই ভালো লাগে। আগে অনেক বেশি বেশি দেখতাম এখন কিন্তু আর তেমন চোখে বাধে না। বামুন্দি বাজারে একদিন উপস্থিত হয়ে এই সমস্ত জিনিসগুলো আমার চোখে বাধলো।

এই ফুলটা হাতির শুর নামক একটি বনফুল। শুনেছি এই গাছে অনেক ঔষধি গুনাগুন রয়েছে। তবে গাছের ফুলটা দেখতে কিছুটা হাতির শুরের আকৃতিতে হওয়ায় এই নাম হাতির শুর।

এখন আপনারা যে ফুলটা দেখতে পাচ্ছেন এটা পেঁয়াজের ফুল। এই ফুলটা তত বেশি একটা দেখা যায় না। তবে দীর্ঘদিন পেঁয়াজ রেখে দিলে আমরা যেই পেঁয়াজের কলি রান্না করে খাই, সেই পিঁয়াজের উপরে এটা হয়ে থাকে। আর এই থেকে পেঁয়াজের বীজ হয়।

এখন আপনারা ফটোতে দেখতে পাচ্ছেন লম্বা জাতের লাউ। আমাদের পুকুর পাড়ে এই লাউ রয়েছে। অন্যান্য লাউ এর তুলনায় এ লাউগুলো খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে।

এটা দেখতে পাচ্ছেন গোল জাতের লাউ। আমরা সবাই কমবেশি এই লাউগুলোর সাথে পরিচিত। এটা আমাদের পুকুরপাড়ের সবজি বাগান থেকে ধারণ করা।

এখানে দেখতে পাচ্ছেন ভুট্টার মুসা। এগুলাও কিন্তু আমাদের বাগানে ছিল। শীতকালে বাগানের শাকসবজির পাশাপাশি কিছু ভুট্টা গাছ লাগিয়ে দেওয়া হয়। আর সে থেকে ভুট্টা হয়ে থাকে।

এটা দেখতে পাচ্ছেন ভুট্টার ফুল। ভুট্টা গাছের উপরে এই অংশটা হয়ে থাকে। প্রত্যেকটা ফুলের কম বেশি সৌন্দর্য থাকে। ভুট্টার ফুলগুলো যখন নতুন হয়ে থাকে তখন খুবই ভালো লাগে দেখতে।

ভুট্টো সংরক্ষণের পর ভেজে খাওয়ার জন্য এটা রেখে দেয়া হয়েছিল টেবিলে। আর সেই মুহূর্তেই ফটোটা ধারণ করেছিলাম।

এগুলো দেখতে পাচ্ছেন মৃৎশিল্প। তবে এখন এই সমস্ত শিল্প গুলো দিন দিন আধুনিক সভ্যতায় রূপ নিয়ে প্লাস্টিকে রূপান্তর হয়ে মাটির ব্যবহার কমে গেছে। তবে বিভিন্ন পর্যায়ের মৃৎশিল্প গুলো আমার অনেক ভালো লাগে।

একদিন বামুন্দী বাজারে কিছু কেনাকাটার জন্য উপস্থিত হয়েছিলাম। এরপর উপস্থিত হয় স্যান্ডেল কেনার জন্য। বামুন্দি বাজারের খোলা জায়গায় অনেক বড় জুতা চটি ও স্যান্ডেলের বাজার বসে। ঠিক সেখান থেকেই কেনার মুহূর্তে ধারণ করেছিলাম এই ফটো।

এখন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন বরুয়ের ফটোগ্রাফি। যেটা আমাদের গ্রামীণ ভাষায় কুল নামে পরিচিত। পুকুর পাড়ের গাছ থেকে এই ফটোটা ধারণ করেছিলাম। আমাদের গাছ সম্পূর্ণ জুড়ে কুল ধরেছিল।

পুকুরে পাঙ্গাস মাছের যখন খাবার দেওয়া হয়। তখন অনেক শালিক পাখির আগমন ঘটে। পাঙ্গাস মাছের খাবার এতটাই বাসনা হয়ে থাকে যেন এই সমস্ত পাখিগুলোকে দূর থেকে ডেকে আনে। ঠিক তেমনি একটা মুহূর্তে এই ফটোটা উঠিয়ে ছিলাম পুকুরপাড় থেকে। মাছের খাবার দেওয়া শেষ করে বড় ভাই যখন চলে গেলেন। তখনই একঝাঁক শালিক এসে খাবার খুঁজে বেড়াচ্ছিল।


পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

আমার নাম মোছাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস শশী। আমার বাসা গাংনী মেহেরপুর, বাংলাদেশ। আমি আপনাদের সুপ্রিয় বিদ্যুৎ জিরো ওয়ান এর পরিবার। আমি একজন গৃহিণী। স্বামী সন্তান সহ আমাদের যৌথ পরিবার। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির চারজন সদস্য রয়েছে আমাদের পরিবারে, তার মধ্যে আমি একজন। এইচএসসি পাশ করার পর বিয়ে হওয়ার মধ্য দিয়ে আমার লেখাপড়া স্থগিত হয়। আমার ইচ্ছে আমি এই কমিউনিটিতে দীর্ঘদিন ব্লগ করব। পাশাপাশি আমার নিকটস্থ প্রিয়জনদের সহায়তা করব এই কমিউনিটিতে কাজ করার জন্য।
আসেলেই কিন্তু বেশ সুন্দর সুন্দর রেনডম ফটোগ্রাফি। আপনি কিন্তু আপু অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি আজ শেয়ার করলেন। আপনার শেয়ার করা প্রতিটি ফটোগ্রাফি দেখে বাংলার কিছু ঐতিহ্য মনে পড়ে গেল। বেশ সুন্দর এবং রেনডম কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
অনেক সুন্দর মন্তব্য করেছেন আপু।
বিভিন্ন পর্যায়ে করা অনেকগুলো ফটোগ্রাফি দেখে বেশ ভালো লাগলো। বরই গাছে দেখছি অনেক বড়ই ধরেছে। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
হ্যাঁ ওটা আমাদের গাছ ছিল
আপনার করা ফটোগ্রাফিতে সব থেকি বেশি নজর কেড়েছে আমার, সেটা হলো আমাদের দেশের হস্তশিল্প ,হস্তশিল্প হলো একটি মূল্যবান শিল্পের শ্রেণী, যেখানে কারিগর তার হাতের কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক ঘটনার অবলম্বনে সৃষ্টি করে।হস্তশিল্পের মাধ্যমে নির্মিত আলোকচিত্র, মূর্তি, আঁকা, নকশা ইত্যাদি অধিকাংশই সুন্দর। এছাড়াও আপনার তোলা প্রত্যকটি ফটো আমাদের গ্রামিন বাংলা কথা বলে। অনেক সুন্দরভাবে তা তুলে ধরেছেন।
দিন দিন এই সংস্কৃতিগুলো আমরা হারিয়ে ফেলছি। এগুলো আমার খুবই প্রিয়
আপনার করা ফটোগ্রাফিগুলো অসম্ভব সুন্দর হয়েছে। আপনি বেশ চমৎকারভাবে রেনডম ফটোগ্রাফি নিয়ে একটি এলবাম সাজিয়েছেন। অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আপনি খুবই চমৎকার ভাবে আমাদের মাঝে বিভিন্ন পর্যায়ের রেনডম ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। রেনডম ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে কারণ এখানে বিভিন্ন জায়গার বিভিন্ন রকমের ফটোগ্রাফি জায়গা পায়। আজকের এই ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ ছিল সেই সাথে সুন্দর বর্ণনাও তুলে ধরেছেন। চমৎকারভাবে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।