কেমন আছেন আপনারা? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার সহায়তায় ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিকে ভালোবেসে উপস্থিত হলাম সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য। পুকুর থেকে বিভিন্ন প্রকার রেনডম ফটোগ্রাফি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। মনে করি, আমার এই ফটোগ্রাফি আপনাদের ভালো লাগবে। তাহলে চলুন দেখে আসি এক নজরে, জুম করে তোলা ফটোগুলো।

Camera: Huawei P30 Pro-40mp
What3words location Gangni
মোবাইলে জুম করে ফটো ধারণ করতে আমার খুবই ভালো লাগে। আমাদের মোবাইলটা যে এত সুন্দর জুম হয় সেটা জানা ছিল না। অনেক দূরের জিনিস কাছে এনে দেখা যায়। হঠাৎ একদিন আমাদের পুকুর পাড়ে দাঁড়িয়ে অতিথি পাখির ফটো ধারণ করতে গিয়ে জুম করতে করতে পাখিগুলোকে একদম মোবাইলের স্ক্রিনে নিয়ে চলে এসেছিলাম। তবে ফটোগুলো ক্লিয়ার ছিল না ক্যামেরা ভালো নয় তাই। আর সে থেকে জেনে গেছিলাম আমাদের এই মোবাইলটায় খুব সুন্দর জুম করা যায়। একদিন পুকুরে যেতে হঠাৎ মাথায় আসলো জুম করে ফটো ধারণ করবো। ঠিক তেমনি বিভিন্ন সময়ে এই ফটোগুলো ধারণ করেছি। এখানে দেখতে পাচ্ছেন পুকুরপাড়ের কিছু। একদিকে পুকুরে মাছ চাষ। পাশাপাশি পুকুর পাড়ে শাকসবজি এমনকি বিভিন্ন ফলের বা প্রয়োজনীয় গাছ লাগিয়ে আলাদা আর্থিক লাভবান হওয়ার প্রচেষ্টা আমাদের এখানে। শীতের শেষে পুকুরের পানি অপসারণ করে দেয়া হয় সংস্কার করার জন্য। তাই ঠিক এভাবে কিছু পুকুর বেশ কিছু সময় ধরে পড়ে থাকে।



এখানে দেখতে পাচ্ছেন আরো একটি পুকুর যেখানে পানি অপসারণ করা হয়েছে। পুকুরের কাদা মাটিতে যদি রোদের আলো লাগে তাহলে নাকি পরবর্তীতে পুকুরে মাছ চাষ আরো ভালো হয় মাছ দ্রুত বৃদ্ধি হয়। তাই এভাবেই শীতের সময় পুকুরের পানি অপসারণ করে অনেকে। আর যখন মাছ ধরা হয়ে যায় তারপর পুকুরে বিভিন্ন প্রকার মাছ খাওয়া পাখিয এসে উপস্থিত হয়। ঠিক এমনই একটা দিন আমার চোখে পড়েছিল পাশের এক পুকুর। দূর থেকে দেখতে পাচ্ছিলাম অনেকগুলো বক পাখি ছোট ছোট মাছ খুঁটে খুঁটে খাচ্ছে। তাই আমিও কলা গাছের একপাশে দাঁড়িয়ে মোবাইলের জুম করে তাদের ফটো ধারণ করার চেষ্টা করছিলাম। ঐদিন অবশ্য আমরা ৩-৪ জন পুকুরপাড়ে সবজি তুলতে আর মাছ ধরতে যাচ্ছিলাম। আমাদের একই জায়গায় পাশাপাশি পাঁচটা পুকুর রয়েছে। তার মধ্যে একটা পুকুরের সাইডে অন্যজনের পুকুরে এমন দৃশ্য দেখেছিলাম। তাই যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলাম এই ফটোগুলো জুম করে ধারণ করতে।



এখানে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন একটি পুকুরের কাদার মধ্যে পড়ে রয়েছে মাছধরা বৃত্তি। পুকুর মালিকেরা হয়তো মাছ ধরা শেষে ভুলে রেখে গেছিল এই বৃত্তিটা। ফটো ধারণ করার মুহূর্তে দূর থেকে এটা দেখতে পেয়ে জুম করে ফটো ধারণ করেছিলাম।

এখানে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন বেশ কয়েকটা পুকুরের মধ্যে খুঁটিপোতা রয়েছে। তার ওপর একটি মাছরাঙ্গা পাখি বসে রয়েছে। দূর থেকে পাখিটাকে খুবই ছোট লাগছিল। তবে জুম করে মোবাইলে এতটা নিকটে এনেছিলাম দেখতে বেশ ভালো লাগছিল। তবে মোবাইলের স্কিন অথবা ক্যামেরা ভালো না থাকায় মাঝেমধ্যে ছবি ফ্যাকাসে হয়ে যায়।

মোবাইলের স্ক্রিন এতটাই জুম করেছিলাম একদিন চারটা পুকুর পরে দূরে পুকুরপাড়ের উপর বসে রয়েছে দুইজন মানুষ। আধুনিক সভ্যতার এই অগ্রগতি যেন কত কিছুকে সহজ করে দিয়েছে। খালি চোখে আমি তাদের ভুল করেও দেখি নাই। কিন্তু হঠাৎ সবজি তুলতে এসে এমন জুম করে দূর দূরান্ত দেখতে দেখতে এ মানুষগুলো ধরা পড়েছিল আমার ক্যামেরায়। তাহলে বুঝতে পারছেন আধুনিক সভ্যতার কত উন্নয়ন। তবে এমন জুম করে অনেক মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে মানুষ ক্ষতি করতে পারে, সেই বিষয়ে আমাদের সাবধান থাকতে হবে।

জানিনা এর আগের ফটোগুলো আপনাদের কেমন লেগেছে। তবে ফটো ধারণ করা গুলো আমার অনেক ভালো লেগেছিল যেহেতু জুম করে দূর থেকে ফটো কালেক্ট করেছিলাম। আর তার মধ্যে অন্যতম ছিল এই অতিথি পাখিগুলো। আমাদের পুকুরের নিকটে বেশ কয়েকটা পুকুরে এমন অতিথি পাখি এসেছিল শীতের সময়। এখন এ পাখিগুলো আর দেখা যায় না। তবে তখন যে ক্যামেরাবন্দি করেছিলাম। তাই আপনাদের মাঝে দেখানোর সুযোগ পেলাম। এগুলো চোই-পাখি। দেখতে একদম পাতি হাঁসের মত। তবে এরা যখন তখন উড়ে যেখানে ইচ্ছা চলে যেতে পারে।




আমার নাম মোছাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস শশী। আমার বাসা গাংনী মেহেরপুর, বাংলাদেশ। আমি আপনাদের সুপ্রিয় বিদ্যুৎ জিরো ওয়ান এর পরিবার। আমি একজন গৃহিণী। স্বামী সন্তান সহ আমাদের যৌথ পরিবার। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির চারজন সদস্য রয়েছে আমাদের পরিবারে, তার মধ্যে আমি একজন। এইচএসসি পাশ করার পর বিয়ে হওয়ার মধ্য দিয়ে আমার লেখাপড়া স্থগিত হয়। আমার ইচ্ছে আমি এই কমিউনিটিতে দীর্ঘদিন ব্লগ করব। পাশাপাশি আমার নিকটস্থ প্রিয়জনদের সহায়তা করব এই কমিউনিটিতে কাজ করার জন্য।

বর্তমান প্রযুক্তি এতটাই উন্নত হয়েছে যে আমাদের ধারণার বাইরে চলে গেছে। তবে কিছু কিছু মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় জুম করে ফটো উঠালে সেগুলো ফেটে যায় বা ঝাপসা দেখায়। যাইহোক আপনি সুন্দরভাবে জুম করে কিছু ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করেছেন এটা ভীষণ ভালো লাগলো আপু। অতিথি পাখি আর পুকুরে বসে থাকা বক এর ফটোগ্রাফি দুটি আমার কাছে চমৎকার লেগেছে। ধন্যবাদ সুন্দর একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট আমাদের দেখার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।
হ্যাঁ ভাইয়া ঠিক বলেছেন আপনি।
আসলে ফটোগ্রাফি এমন একটা জিনিস বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দৃশ্য ফটোগ্রাফির মাধ্যমে ক্যামেরাবন্দি করে রাখা হয়। যেগুলো উপভোগের পাশাপাশি ফটোগ্রাফি করার মধ্যেও একটা মজা খুঁজে পাওয়া যায়। একটি পুকুরের পানি অপসারণ করা হয়েছে সেখানে কিছু বক মাছ শিকার করছে। সেই দৃশ্যটি খুব সুন্দর করে ক্যামেরা বন্দি করেছেন। আমার কাছে অনেক ভালো লাগলো আপনার ফটোগ্রাফি গুলো।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন কিন্তু।
You've got a free upvote from witness fuli.
Peace & Love!
এখন মোবাইলে বিভিন্ন ধরনের অপশন থাকার কারণে ক্যামেরা আর কেউ কিনতে চায় না। বিশেষ করে ভালো মোবাইলগুলোতে জুম করে খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি করা যায়। আপনার মোবাইলে জুম করা ফটোগ্রাফি খুব সুন্দর হয়েছে। বিশেষ করে পাখির ফটোগ্রাফি এবং পুকুরের কাদার ফটোগ্রাফিটি খুব ভালো লেগেছে আমার কাছে।
আমার এই মোবাইলটাতে অনেক বেশি দূরে জুম করা যায়।
বর্তমান সময়ে বলতে গেলে ফটোগ্রাফি করাটা যেনো সবার একটি নেশায় পরিনত হয়ে গিয়েছে। সুন্দর কিছু দেখলে মানুষ আগে মোবাইলে ক্যামেরা বন্দি করার চেষ্টা করে। তাছাড়া আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারন হয়েছে। বিশেষ করে পাখির ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ এতো সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্ৰাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
এখানে যুক্ত হয়ে আরো বেশি নেশা হয়ে গেছে।
আপনার তোলা ফটোগ্রাফি গুলোও দারুন হয়েছে আপু অনেক ভালো লাগলো দেখে। এসব সাদা বকগুলো শুকিয়ে যাওয়া পুকুরে মাছ ধরতে আসে। প্রতিবছর এরকম পুকুর সংস্করণ করলে মাছ চাষের জন্য অনেক ভালো হয়। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট বিস্তারিতভাবে আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
হ্যাঁ এই বক পাখিগুলো বেশি দেখা যায়।
আপনার মোবাইলের ক্যামেরা জুম করে ফটো ধারণ করা ফটো গুলো দেখতে খুবই ভালো লেগেছে আমার। মাঝেমধ্যে পুকুরে উপস্থিত হয়ে এ সমস্ত ফটো ধারন করেছেন সেগুলো আমি জানি। তবে এত সুন্দর সুন্দর ফটো ধারণ করেছেন তা কিন্তু আমার দেখা ছিল না। খুবই ভালো লাগলো বক পাখি আর পাতি হাঁস পাখি গুলো দেখে।
আপনি তো জানবেন। এছাড়া আরো অনেক ফটো ধারণ করেছি।
মোবাইলের ক্যামেরায় জুম করে ছবি তুললে অনেক সময় ছবির কোয়ালিটি নষ্ট হয়ে যায়। তবে আপনার ফটোগ্রাফি তে ছবির কোয়ালিটি অনেকটাই ভালো ছিল। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি আমার কাছে ভালো লেগেছে। অতিথি পাখির ফটোগ্রাফি টা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ আপনি কিন্তু ঠিক বলেছেন
অনেক সময় দূর থেকে অনেক দৃশ্য দেখে ভালো লাগে। কিন্তু ফটোগ্রাফি করা হয় না। জুম করে ফটোগ্রাফি করেছেন দেখে ভালো লাগলো। আর জুম করে ফটোগ্রাফি করেছেন বলেই সুন্দর সব দৃশ্য গুলো দেখতে পেলাম আপু। আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি দারুন হয়েছে।
আমার ভালো লাগে মোবাইলটার জন্য।