বিভিন্ন পর্যায়ের রেনডম ফটোগ্রাফি
কেমন আছেন আপনারা? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার সহায়তায় ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিকে ভালোবেসে উপস্থিত হলাম সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য। বিভিন্ন প্রকার রেনডম ফটোগ্রাফি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। মনে করি, আমার এই ফটোগ্রাফি আপনাদের ভালো লাগবে। তাহলে চলুন ফটোগুলো দেখে আসি।
Photo Editing by mobile gallery
প্রথমে দেখতে পাচ্ছেন গ্রামীণ পর্যায়ের সুন্দর একটি রাস্তা। এটা আমাদের গ্রামের রাস্তা। আমাদের গ্রামের বেশ কিছু জায়গায় রাস্তাগুলোর সম্পূর্ণ শার্ট। দেখে মনে হয় যেন এগুলো কোন হাই রোডের অংশ বিশেষ। যখনি বাইরে কোথাও যায় ফিরতে পথে এ রাস্তা দিয়ে গ্রামের সৌন্দর্য উপভোগ করি। দুই পাশে ধানের জমি বেশি ভালো লাগে। ডান সাইডে খাল রয়েছে তারপরে ফসলের জমি। জায়গায় জায়গায় রাস্তার পাশে বিভিন্ন প্রকার ফলের গাছ। এছাড়াও রয়েছে কিছুটা এগিয়ে গেলেই গনি ফকিরের মাজার। যেটা আমাদের গ্রামের বেশ নামকরা একটি মাজার। আর এটাই আমাদের গ্রামের শুরুর রাস্তা।
এখানে দেখা যাচ্ছে রাস্তার পাশে একটি পুকুর সংস্কার করা হয়েছে। এটা আমাদের গ্রামের শেষ স্থান প্রায়। তবে এক সময় ছিল এটা আমাদের গ্রামের শুরুর স্থান। পরবর্তীতে হাই রোডের সাথে সংযুক্ত রাস্তাটা রোড হওয়ায় সেটা গ্রামের প্রধান হয়ে গেছে শুনেছি। সোজা চলে গেছে বানিয়া পুকুর নামক গ্রাম। আর পিছনে হিয়ারিং রাস্তা চলে গেছে ১৬ টাকা গ্রাম। এ রাস্তা দিয়ে আমাদের আব্বার গ্রামে যাওয়া হয়। তাই শুরুর দিকেই প্রথমেই দুইটা স্থান আমাদের গ্রামের পরিচয় তুলে ধরলাম।
এখানে দেখতে পাচ্ছেন একটি পাতিহাঁস খুব সুন্দর ভাবে পুকুরের পানির মধ্যে মাথা ডুবিয়ে যেন কিছু খুঁজে এবং খাচ্ছে। পাতিহাঁস গুলো এভাবেই পানির মধ্যে চরাই করে। বেশ ভালো লাগে পাতি হাঁসের এমন পানির মধ্যে খেলাধুলা করতে এবং খাবার খেতে দেখতে।
এটা একটি বাঁশ বাগানের চিত্র। এ বাগান হয়ে আমরা মাছ ধরতে যায় পুকুরে। তাই প্রায় এ বাগান দিয়ে চলাচল আমাদের। এখান থেকে সোজা রাস্তার পর আমাদের বাড়ি। খুব শীঘ্রই এই সোজাসুজি রাস্তা তৈরি হতে যাচ্ছে। তাহলে আমাদের আর বেশি রাস্তা ঘুরে পুকুরে যাওয়া লাগবে না। এখানে যে নতুন একটা ঘর নির্মাণের জন্য ইট বালি পড়ে রয়েছে সেটা আমাদের এক চাচাতো ভাইয়ের। ভাইয়াটা আর্মি চাকরি করেন। তাই মনি এখানে ঘর তৈরি করছেন দাদার ভিটার ছেড়ে এসে। যেন বাঁশ বাগানের মধ্যে একটি ঘরের ছায়া মিলল। দীর্ঘদিন এ বাগানটা জঙ্গল হয়ে পড়ে থাকে। ভাইয়ার আগমনে হয়তো বাগানটা মানুষের চলাচল শুরু হবে।
এটা গ্রাম বাংলার ফসলের জমিতে কৃষকের ফসল ঘরে তোলার মুহূর্তের কিছু চিত্র। দেখা যাচ্ছে ফসলের মাঠে পাকা ধান। বেশ কয়েক জায়গায় কৃষক সে ধান মাথায় করে বহন করে নিয়ে আসছে। এমন দৃশ্যগুলো ক্যামেরাবন্দি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। যেন এক গ্রামীন প্রশান্তি খুঁজে পায়। মনে পড়ে ছোটবেলায় বিটিভির বেশ কিছু ভিডিওর কথা। ছোটবেলায় দেখতাম বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের পাঁচ মিনিট সাত মিনিটের ভিডিও শেয়ার হতো। প্রামাণ্য অনুষ্ঠান নাকি জানি নাম ছিল। সে অনুষ্ঠান দেখার জন্য চেয়ে থাকতাম। সেখানে এমন ফসলের মাঠগুলো দেখলে খুব ভালো লাগতো।
এখানে দেখতে পাচ্ছেন একটি প্রজাপতি খুব সুন্দরভাবে একটি বন ও গাছের সাথে বসে রয়েছে। বিভিন্ন কালারের প্রজাপতি লক্ষ্য করতে পারি পুকুরপাড়ে উপস্থিত হলে। খুবই ভালো লাগে এই সমস্ত প্রজাপতি সহ অন্যান্য কীটপতঙ্গ দেখলে।
এখানে একটি বিড়াল বসে রয়েছে। বিড়ালটা প্রায় আমাদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করে। তবে বেশ কয়েকদিন আমি লক্ষ্য করে দেখছি বিড়ালটার যেন অসুখ হয়েছে। কেমন জানি গম্ভীর আর রোগাটি ভাব। বাড়ির পুকুরপাড়ে খড়ির মাচা থেকে খড়ি আনতে গিয়ে লক্ষ্য করলাম এই বিড়াল টাকে।
এখানে দেখতে পাচ্ছেন বেশ অনেকগুলো লাউ এর বীজ। এমন লাউএর বীজ দেখতে খুবই ভালো লাগে। তবে এখানে লাউয়ের বীজগুলোর মধ্যে যেগুলো সাদা সেগুলো নষ্ট। আর যেগুলো পরিপূর্ণ কালো ও মোটা সেগুলোতে চারা হবে। ভেতরে ঠিক তেমনি গাছ খাওয়ার মত উপযুক্ত বীজ রয়েছে। তাই একটি পাকা লাউ ভাঙার পর এভাবে রোদে শুকানোর জন্য একটি গামলার মধ্যে রাখা অবস্থায় ফটো ধারণ করেছিলাম।
কোন একদিন গাছের একমাত্র পাকা পেঁপে টা খাওয়ার জন্য সবাইকে কেটে দেওয়া হয়েছিল। আর ঠিক সেই মুহূর্তে এ ফটোটা ধারণ করেছিলাম পুকুরপাড়ে মাচা থেকে। পাকা পেঁপে শরীরের জন্য খুবই উপকারের। তাই মাঝে মধ্যে পেঁপে খাওয়া আমাদের একান্ত প্রয়োজন। এদের শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
| ডিভাইস | Infinix Hot 11s |
|---|---|
| বিষয় | রেনডম ফটোগ্রাফি |
| লোকেশন | জুগীরগোফা,গাংনী-মেহেরপুর |
| ক্রেডিট | @jannatul01 |
| দেশ | বাংলাদেশ |
পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার নাম মোছাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস শশী। আমার বাসা গাংনী মেহেরপুর, বাংলাদেশ। আমি আপনাদের সুপ্রিয় বিদ্যুৎ জিরো ওয়ান এর পরিবার। আমি একজন গৃহিণী। স্বামী সন্তান সহ আমাদের যৌথ পরিবার। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির চারজন সদস্য রয়েছে আমাদের পরিবারে, তার মধ্যে আমি একজন। এইচএসসি পাশ করার পর বিয়ে হওয়ার মধ্য দিয়ে আমার লেখাপড়া স্থগিত হয়। আমার ইচ্ছে আমি এই কমিউনিটিতে দীর্ঘদিন ব্লগ করব। পাশাপাশি আমার নিকটস্থ প্রিয়জনদের সহায়তা করব এই কমিউনিটিতে কাজ করার জন্য।
অনেক অনেক ভালো লাগলো আপনার আজকের এত সুন্দর রেনডম ফটোগ্রাফি মূলক একটি পোস্ট দেখে। যেখানে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন প্রাকৃতিক পরিবেশের সুন্দর সুন্দর চিত্র। আমাদের গ্রামে প্রবেশ পথের দারুন একটি ফটো ধারণ করেছেন। এছাড়াও দেখলাম অনেক সুন্দর সব চিত্র নিয়ে সাজিয়েছেন আজকের রেনডম ফটোগ্রাফি। খুবই ভালো লাগলো বিভিন্ন পর্যায়ের ফটো দেখে।
সুন্দর মত দেখে ভালো লাগলো
মাঝে মাঝে এলোমেলো ফটোগ্রাফি দেখতে বেশ ভালই লাগে ।আজ আপনি বেশ কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন যা দেখে বেশ ভালো লাগলো ।বিড়ালছানাটি দেখে মনে হচ্ছে যেন সত্যিই অসুস্থ ।পুকুরের মধ্যে হাঁসের গোসল করার দৃশ্যটিও বেশ ভালো লেগেছে ।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।
আপু এমন সুন্দর চিত্র দেখতে ভালো লাগে
যেকোনো ধরনের ফটোগ্রাফি দেখতে অনেক ভালো লাগে আপু। বিশেষ করে গ্রামীণ পরিবেশের সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। প্রতিটি ফটোগ্রাফি দেখতে খুবই ভালো লেগেছে। পুকুরে থাকা হাঁসের ফটোগ্রাফি দেখে খুবই ভালো লাগলো আপু। আর আপনার শেয়ার করা বিড়ালের ফটোগ্রাফি প্রজাপতির ফটোগ্রাফি চমৎকার হয়েছে।
ভালো লেগেছে যেনে খুশি হলাম
মেহেরপুরের বেশ কিছু প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করলাম, সেজন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ। সেই সাথে বর্ণনা গুলো পড়েও অনেক তথ্য জানতে পারলাম। আশা করছি আর পরবর্তীতে আরো ভালো ভালো ছবি আমাদের সাথে শেয়ার করবেন, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
হ্যাঁ আপু আমি যখন যেখানে যাই সেখান থেকে ফটো ধারণ করি।
বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফি দেখে খুব ভালো লাগলো। দারুন কিছু ফটোগ্রাফি ক্যাপচার করেছেন আপনি। গ্রামীণ সৌন্দর্য সত্যি মনোমুগ্ধকর। দারুন হয়েছে আপনার প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি। রাস্তা এবং প্রজাপতির ফটোগ্রাফিটা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপু সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ
গ্রাম বাংলার প্রকৃতি থেকে ধারণ করা অনেক সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি ধারণ করে আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। আসলে গ্রাম বাংলার প্রকৃতির চিত্রগুলো দেখলে মনটা ভরে যায়। প্রজাপতির ফটোগ্রাফি আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে।
অনেক ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য দেখে।
আপনি আজকে গ্রামীণ কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করছেন। আপনার তোলা ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো আপু। এইরকম বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে দারুণ লাগে। ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
একদম ঠিক বলেছেন আপনি।
আজকে আপনি অনেক সুন্দর সুন্দর রেনডম ফটোগ্রাফি করেছেন। রেনডম ফটোগ্রাফির মধ্যে অনেক ধরনের ফটোগ্রাফি দেখা যায়। তবে আপনার ফটোগ্রাফির মধ্যে রাস্তার ফটোগ্রাফি ও বাঁশ বাগানের ফটোগ্রাফি আমার কাছে অনেক ভালো লাগলো। এবং প্রজাপতির ফটোগ্রাফি ও অসাধারণ হয়েছে। সত্যি বলতে ভিন্ন ভিন্ন রকমের ফটোগ্রাফি দেখলে মন ভরে যায়। চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন তাই ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ আপু, এক পোষ্টের মাঝে বিভিন্ন ছবি দেখা যায়।
আপনার ধারণা করা বিভিন্ন ধরনের রেনডম ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো।মাঝে মাঝে এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে আমার কাছে বেশ ভালই লাগে। ফটোগ্রাফি সাথে বর্ণনা গুলো পড়েও অনেক কিছু জানতে পারলাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
মন্তব্য ভালো লাগলো জেনে খুশি হলাম।