লাইফ স্টাইল :- রকি ভাইয়া এবং সোনিয়া আপুর সাথে গিয়ে মাইসুনের জন্য কেনাকাটার মুহূর্ত।
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি। আমি আজকে একটি লেখার পোস্ট এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো। কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে অথবা কোথাও ঘুরতে গেলে ওইসব বিষয় নিয়ে পোস্ট লিখতে অনেক ভালো লাগে। বেশিরভাগ সুন্দর মুহূর্ত গুলোর পোস্ট পড়তে এবং লিখতে অনেক ভালো লাগে। সব সময় চেষ্টা করি আমার সুন্দর মুহূর্তের অনুভূতি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ঘুরতে গেলে নিজে মনটাও ফ্রেশ থাকে। তাই সবসময় চেষ্টা করি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার হাসিখুশির মুহূর্তটা আপনাদের মাঝেও শেয়ার করার জন্য। আশা করি আপনাদেরও পোস্টটি অনেক ভালো লাগবে।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব আমার মেয়ের জন্য জামা কেনাকাটার মুহূর্ত। আপনারা জানেন আমার একটি ছোট পাঁচ মাসের মেয়ে আছে। নাম হচ্ছে মাইসুন নাজাত। আমার মেয়েকে আমাদের পরিবারের সবাই অনেক আদর করে। কিছুদিন আগে আমি মাদ্রাসা থেকে আমার মাসিক বেতন নিয়েছিলাম। তখন আমি চিন্তা করলাম প্রথমে আমার মেয়ের জন্য কিছু কেনাকাটা করব। যদিও আমি কিনাকাটা করি আমার ওয়াইফ কে বলব না। তাকে না বলে কেনাকাটা করব।
বাড়িতে এনে তাকে দেখাবো। প্রথমে আমার ওয়াইফকে যদি জানায় সেই মানা করবে। বলবে মাইসুনের এখন জামা কাপড় আছে লাগবেনা। অন্য সময় নিতে পারবে। হয়তো আমি ধারণা করলাম এরকম কিছু বলতে পারে। এজন্য না বলে আমি শুক্রবার সকালে আমার বোনের হাজবেন্ডের বাড়িতে যাই। যখন দুপুরবেলা হল তখন আমি চিন্তা করলাম আমি ছোট বাচ্চার কাপড় চোপট কিনতে পারবো না। এইজন্য আমাকে কিনে দেওয়ার জন্য কেউ লাগবে। পরে আমি সোনিয়া আপু এবং রকি ভাইকে মোবাইলে কল করলাম।
বললাম বিকালবেলা দাগুনভূঞা বাজারে আসতে পারবে কিনা। তখন তারা আমাকে জিজ্ঞেস করল কি দরকারে। পরে আমি সোনিয়া আপুকে বললাম মাইসুন এর জন্য কিছু কেনাকাটা করব। এরপর সোনিয়া আপু বলল ঠিক আছে বিকেল চারটা বাজে আসবে বাজারে ভাইয়াকে নিয়ে। যদিও দাগনভূঞা বাজার আমাদের বাড়ি থেকে অনেক দূরে। রকি ভাইয়াদের বাড়ির পাশে। এরপর বিকেল চারটা বাজে আমি আপু এবং ভাইয়া তাদের সাথে বাজারে দেখা করলাম। তারপর আপু আমাকে জিজ্ঞেস করলো কি জামা কাপড় নেবে।
তখন আমি সোনিয়া আপুকে বললাম আপনি পছন্দ করে কিনে নিয়ে দেন। আপনি যেটা পছন্দ করবেন ওটাই নেব। এরপর সোনিয়া আপু আমার মেয়ে মাসুমের জন্য চারটি ছোট বাচ্চার ড্রেস কিনলেন। এবং খেলনা ও বাশি কিনলেন। আমি মনে করলাম কাপড় গুলোর দাম অনেক বেশি হবে। তবে কাপড় গুলোর দাম তেমন বেশি ছিল না। আমি যেটি বাজেট করে রেখেছিলাম তার মধ্যে হয়ে গেল। কারণ আমি কখনো ছোট বাচ্চার কাপড় কিনি নাই। তবে চারটি চারটি ড্রেস আমার অনেক পছন্দ হয়েছে। সত্যি বলতে সোনিয়া আপু খুব সুন্দর জামা কাপড় কিনে দিয়েছেন আমার মেয়ের জন্য।
এরপর আমরা বসে একসাথে একটি রেস্টুরেন্ট নাস্তা খেলাম। তারপর আমি বাড়িতে চলে যাচ্ছি তাদের থেকে বিদায় নিয়ে। যখন আমি বাড়িতে গিয়ে কাপড় গুলো আমার ওয়াইফ এবং আমার আম্মাকে দেখাইলাম। তখন তারা কাপড় গুলো দেখে অনেক খুশি হয়েছে এবং বলতেছে পছন্দ হয়েছে। আমার ওয়াইফ বলতেছে তুমি তো কাপড় চিনো না কিভাবে এগুলো কিনলে। তখন আমি বললাম সোনিয়া আপুকে কল করলাম সেই এসে কাপড় গুলো কিনে দিয়েছে। তখন আমার ওয়াইফ বলতেছে আমাকে না বলে তুমি মাইসুনের জন্য কাপড় কিনলে।
তখন আমি আমার ওয়াইফ কে বললাম সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য। তবে আমার বিয়ের পর থেকে আমার নিজের কাপড়-চোপড় গুলো আমার ওয়াইফ পছন্দ করে কিনে। কারণ আমি দীর্ঘদিন বাইরে থাকার কারণে কাপড় তেমন ভালোভাবে চিনি না। আশা করে আমার মেয়ে মাইসুন এর জন্য কাপড় চোপড় কিনার মুহূর্ত আপনাদের কাছে অনেক ভালো লাগবে।
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।
https://twitter.com/Jamal7183151345/status/1696167809665863719?s=20
মাইসুনের জন্য কিছু কেনাকাটা করেছেন জেনে খুব ভালো লাগলো। সবাই মিলে শপিং করার মুহূর্ত চমৎকার ভাবে উপভোগ করেছেন নিশ্চয়। আসলে নিজের প্রিয়জনের জন্য কোন কিছু ক্রয় করলে নিজের কাছে অন্যরকম আনন্দ অনুভূতি কাজ করে। কেনাকাটার মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
আমার মেয়ের জন্য কেনাকাটা করতে পেরেছি এজন্য আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। আর আপু আর ভাইয়া সাথে ছিল বিদায় আরো বেশি ভালো লেগেছে কিনা কাটা করতে। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে ভাইয়া বাচ্চাদের তো অনেক কাপড় চোপড থাকে তাই অনেক মা বাচ্চাদের জামা কিনতে নিষেধ করে। যাইহোক আপনি আপনার বাচ্চার জন্য কিনেছেন জেনে অনেক ভালো লাগল। আর বাচ্চাদের জিনিস দাম যাইহোক পছন্দ করা অনেক সময় লাগে। ধন্যবাদ ভাইয়া কেনাকাটা মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আসলে আমি পছন্দ করে কিনতে পারবো না ছোট বাচ্চার কাপড়। এজন্য ভাইয়া এবং আপুকে বললাম তারা পছন্দ করে কিনে দিয়েছে। অনেক ধন্যবাদ সুন্দর করে আমার পোষ্টটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য।
একটি শপিং মলে কেনাকাটা করার অনুভূতি শেয়ার করেছেন। বাচ্চাদের জন্য পোশাক চয়েস করতে অনেক সময় ব্যয় হয়। পোশাকগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে কোনটা রেখে কোনটা নিব ভেবে মাথা ঘুরে।নিজের বাচ্চাদের জন্য বেশ কিছু কেনা কাটা করেছেন।নতুন পোশাক দেখলে বাচ্চারা অনেক খুশি হয় ধন্যবাদ ভাই।
ধন্যবাদ আপনাকে আমার পোস্টটি নিয়ে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
ঐদিন তুমি মাইসুন এর জন্য কাপড় গুলো এনে আমাদেরকে সারপ্রাইজ দিয়েছো। কারণ বাড়ি থেকে তুমি বললে ঘুরতে যাইতেছ বাজারে। তুমি যদি আমাকে বলতে তাহলে আমি মানা করতাম কারণ মাইসুনের এখনো অনেক জামা আছে। তবে ওই দিনের জামাগুলো আমার অনেক পছন্দ হয়েছে সোনিয়া আপু পছন্দ করে কিনে দিয়েছে। ইচ্ছে করলে সেদিন আমাকে সাথে করে নিতে পারতে। যাই হোক তোমার পোষ্টটি দেখে ভালো লাগলো।
আসলে ঐদিন আমি তোমাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য কিছুই বলি নাই। যাই হোক তোমার মন্তব্য শুনে ভালো লাগলো ধন্যবাদ তোমাকে।