লাইফ স্টাইল :- মামাতো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে কাটানো মুহূর্ত।
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি। আমি আজকে একটি লেখার পোস্ট এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো। কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে অথবা কোথাও ঘুরতে গেলে ওইসব বিষয় নিয়ে পোস্ট লিখতে অনেক ভালো লাগে। বেশিরভাগ সুন্দর মুহূর্ত গুলোর পোস্ট পড়তে এবং লিখতে অনেক ভালো লাগে। সব সময় চেষ্টা করি আমার সুন্দর মুহূর্তের অনুভূতি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ঘুরতে গেলে নিজে মনটাও ফ্রেশ থাকে। তাই সবসময় চেষ্টা করি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার হাসিখুশির মুহূর্তটা আপনাদের মাঝেও শেয়ার করার জন্য। আশা করি আপনাদেরও পোস্টটি অনেক ভালো লাগবে।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব মামাতো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে কাটানো মুহূর্ত। কিছুদিন আগে আমার মামাতো ভাই আরিফ বিয়ে করেছেন। এবং আমার ছোট মামা অনেক বড় করে অনুষ্ঠান করেছে ছেলের বিয়েতে। এবং তার আত্মীয়-স্বজন সবাইকে বিয়েতে নিমন্ত্রণ করলেন। আমাদের পরিবারের সবাইকে বিয়েতে দাওয়াত দিলেন। যদিও মামাতো ভাই আরিফ প্রেম করে তারপর ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করলেন। মামাতো ভাই তার ওয়াইফের সাথে বিগত পাঁচ বছর ধরে প্রেম করেছে। কিছুদিন আগে তার বিয়ের তারিখ ঠিক হলো।
যদিও আমি প্রথমে ব্যস্ততার কারণে যেতে পারবো না মনে করলাম। একদিকে মাদ্রাসা অন্যদিকে আমার মা-বাবা দুজন অসুস্থ তাদেরকে দেখাশোনা করতে হয়। বিয়ের দিন সকালবেলা আমার ওয়াইফ বলতেছে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য। কারণ আমরা যদি একজনও না যাই তাহলে আপনার মামা মনে কষ্ট নিবে। সে অনেক বার করে বলে গেল সবাইকে যাওয়ার জন্য। তারপর আমার ওয়াইফ যখন বলল তখন যাওয়ার জন্য চিন্তা করলাম। যদিও আমি প্রথমে আমার মামার বাড়িতে চলে গেলাম বিয়ের দিন দুপুর বেলা।
কারণ যে কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ে হয়েছে সেটি আমাদের বাড়ি থেকে অনেক দূরে। তারপর প্রথমে গিয়ে মামাতো ভাইয়ের সাথে দেখা করলাম এবং মামা ও মামির সাথে দেখা করলাম। মামাতো ভাই বয়সে আমাদের অনেক ছোট। আসলে তার সাথে যখন দেখা করতে গেলাম সে লজ্জায় মুখটি লুকিয়ে রাখল। তখন আমি তাকে বললাম ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করা হচ্ছে ভাগ্যের ব্যাপার। আর তুমি এখন লজ্জা পাইতেছ। তবে এখন বেশিরভাগ কোন অনুষ্ঠান কমিউনিটি সেন্টারে হয়। আগের ছোট সময় দেখতাম বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান হতো তিনদিন পর্যন্ত অনেক আনন্দ হতো।
আর এখন সেই আনন্দগুলো দেখা যায় না। একদিনে বিয়ের অনুষ্ঠান সব শেষ হয়ে যায়। যদিও আমি মামার বাড়িতে গিয়ে মামাতো ভাইয়ের সাথে একটা ছবি তুলে নিলাম। এবং বিয়ের গাড়ির ও ফটোগ্রাফি করে নিলাম। তারপর আমার অন্যান্য মামাতো ভাইদের সাথে আমি কমিউনিটি সেন্টারে গেলাম খাওয়া-দাওয়া করার জন্য। আসলে কমিউনিটি সেন্টারের পরিবেশ আমার কাছে খুব ভালো লাগলো। এবং কমিউনিটি সেন্টারের নাম হচ্ছে জাহানারা কমিউনিটি সেন্টার। তারপর কিছুক্ষণ আমরা ওখানে অপেক্ষা করলাম। এবং কিছুক্ষণের মধ্যে আমার চাচাতো ভাই ও বিয়েতে আসলো। তারপর আমি আমার চাচাতো ভাই ও মামাতো ভাই সবাই একসাথে বসে খাওয়া দাওয়া করার জন্য বসলাম।
আসলে কমিউনিটি সেন্টারে গেলে খাওয়া-দাওয়ার দেখলে মন ভরে যায়। তারপর আমরা একসাথে বসে সবাই খাওয়া-দাওয়া করে কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করলাম। তবে মজার বিষয় হচ্ছে আমার মামাতো ভাইয়ের ওয়াইফ একবার বাইরে আসে একবার কমিউনিটি সেন্টারে ভিতরে যাচ্ছে। তারপর মামাতো ভাইয়ের মুখের হাসি দেখে বোঝা যাচ্ছে ভালোবাসার মানুষকে পেয়ে অনেক খুশি। এরপর আমরা সবাই অনেকক্ষণ ওই কমিউনিটি সেন্টারে ঘুরাঘুরি করলাম এবং সময় কাটালাম। কিছুক্ষণ পর সবাই থেকে বিদায় নিয়ে আমি সিএনজি করে বাড়িতে চলে আসার জন্য রওনা দিলাম। এই হচ্ছে মামাতো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার কিছু মুহূর্ত।
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।
https://x.com/Jamal7183151345/status/1845804607794221357?t=e-0a2dIBd6gUomY3RdrPMw&s=19
অনেক অনেক ভালো লাগলো আপনার মামাতো ভাইয়ের বিবাহের বিষয়টা জানতে পেরে। আশা করি ভালো একটি মেয়ের সাথে বিয়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন এবং সুন্দর একটা বন্ধন সৃষ্টি করে দিয়েছেন
তাদের জন্য শুভ কামনা করি যেন সুখে শান্তিতে তারা জীবন যাপন করতে পারে। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন দেখে ভালো লাগলো। আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
বিয়ে মানেই শুধু খাওয়া দাওয়া। কমিউনিটি সেন্টারে বেশ ভালোই খাওয়া দাওয়া করেছেন।বিয়েতে বেশ ভালোই সময় কাটিয়েছেন। অনেক ভালো লাগলো আপনার পোস্ট পড়ে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর কাটানো মূহুর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপু বিয়েতে খাওয়া-দাওয়ার সাথে আনন্দ আছে। খুব সুন্দর মন্তব্য করেছেন।
অনেক সুন্দর ভাবে বিবাহের মুহূর্তটা আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। যেখানে বরকে সাথে নিয়ে উপস্থিত হওয়ার অনুভূতি সহ বেশ কিছু আমাদের মাঝে ব্যক্ত করেছেন। আসলে এমন বিবাহের অনুষ্ঠান হোক আর অন্যান্য অনুষ্ঠান হোক এ সমস্ত অনুষ্ঠানগুলো উপভোগ করে শেয়ার করে অন্যদের উপভোগ করার সুযোগ করে দেয়ার মধ্যে অন্যরকম ভালোলাগা ও আনন্দ থাকে। ঠিক তেমনি ভালো লাগলো অনেক কিছু জানতে পেরে দেখতে পেরে।
আপনার অসাধারণ মন্তব্য শুনে আমার কাছে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
মামাতো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে অনেক সুন্দর সময় উপভোগ করেছেন জেনে অনেক ভালো লাগলো। আসলে আপনার থেকে বয়সে অনেক ছোট হওয়ার কারণে আপনাকে দেখেছে লজ্জা পেয়েছে আর লজ্জা পাওয়ারই কথা বিয়ের দিন কেন জানি লজ্জা জিনিসটা বেশি কাজ করে। 🫣
হ্যাঁ ভাই আমার চেয়ে বয়সে ছোট হওয়ার কারণে তাকে ভালো আছে কিনা জিজ্ঞেস করার সময় সে লজ্জা পেয়েছে। আমার পোস্টটি পড়ে মন্তব্য করাই ধন্যবাদ আপনাকে।
শুকরিয়া ভাই।
মামাতো ভাইয়ের বিয়ে খাওয়ার খুবই সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন ভাইয়া। আমার তো বিয়ের খাওয়ার কথা শুনলে ই কেমন জানি আনন্দ লাগে। বিয়ের অনুষ্ঠান মানে আনন্দ আর খাওয়া-দাওয়া। আপনার মামাতো ভাইয়ের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। ধন্যবাদ ভাইয়া।
আসলে আপু বিয়ে মানেই আনন্দ। আর আনন্দের মাঝে খাওয়া দাওয়া সে তো অন্যরকম। ভালো থাকবেন আপু।
আত্মীয়দের বিয়েতে গেলে এমনিতে বেশ ভালো লাগে। আপনি দেখতেছি আপনার মামাতো ভাইয়ের বিয়েতে গেলেন। তবে আপনার মামাতো ভাই আপনাকে দেখে একটু লজ্জা পাচ্ছে। যদিও বয়সে সে আপনার ছোট। তবে ভালো করেছেন মামাতো ভাইয়ের বিয়েতে গিয়ে। ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি পড়ে।
হ্যাঁ ঠিক বলেছেন আপনি আত্মীয়দের বিয়েতে গেলে এমনিতে বেশ ভালো লাগে। সুন্দর মন্তব্য শুনে অনেক ভালো লাগলো।
আপনার মামাতো ভাইয়ের জন্য দোয়া করি যে তারা যেন সুখে শান্তিতে সংসার করতে পারে। বিয়ে খাওয়ার অভিজ্ঞতা সব সময় খুব ভালো হয়ে থাকে আপনার অভিজ্ঞতাটা পড়েও ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনার মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য।
আমার পোস্ট নিয়ে সুন্দর মন্তব্য করাই ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন ভাই।
আপনার মামাতো ভাই আসলেই বেশ ভাগ্যবান। কারণ ভালোবাসার মানুষকে একেবারে নিজের করে পাওয়ার সৌভাগ্য সকলের হয় না। যাইহোক মামাতো ভাইয়ের বিয়েতে গিয়ে যে দারুণ সময় কাটিয়েছেন,সেটা ফটোগ্রাফি গুলো দেখেই বুঝতে পেরেছি। পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ ভালোবাসার মানুষকে সবাই পেতে পারে না। আর সেই হিসাবে আমার মামাতো ভাই ভাগ্যবান। ভালো থাকবেন ভাই।
মামাতো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে এগিয়ে অনেক সুন্দর একটি সময় উপভোগ করেছেন বিষয়টা জানতে পেরে অনেক ভালো লাগলো।ইয়ে মানেই খাওয়া দাওয়া আনন্দ উল্লাস। আমার তো বিয়ের খাওয়ার কথা শুনলেই অনেক ভালো লাগে। আপনার মামাতো ভাইয়ের বিয়েতে অনেক খাওয়া দাওয়া এবং আনন্দ করেছেন দেখে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ সুন্দর একটি মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য।