দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ।
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি। আমি আজকে একটি লেখার পোস্ট এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো। কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে দেখতে আমার অনেক ভালো লাগে। আমাদের চারপাশে এবং বাস্তবে কিছু শিক্ষনীয় বিষয় ঘটে যেগুলো আমাদেরকে অনেক কিছু শিক্ষা দেয়। আমাদের সবার উচিত ঐসব কিছু শিক্ষার বিষয় থেকে নিজেদেরও কিছু শিখা। আপনাদের সবাইকে দেখি এরকম বিভিন্ন রকম শিক্ষার বিষয় নিয়ে পোস্ট করতে। তাই আমিও চেষ্টা করতেছি কিছু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার বিষয় নিয়ে পোস্ট করার জন্য। আপনাদেরও আমার পোস্টে আশা করি খুবই ভালো লাগবে।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বর্তমান সময়ে বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। আসলে বর্তমান সময়ে বাজারে সবকিছু দাম অনেক বেশি। কিছু কিছু জিনিসপত্র আছে এতই দাম বেশি যা বলে বোঝানো যাবে না। কিছুদিন আগে আমাদের বাজারে ছোট্ট একটি ঘটনা ঘটে গেল। ঘটনাটি হচ্ছে একজন লোক বাজার থেকে আলু এবং বেগুন কিনলেন। যদিও লোকটি বাজার থেকে জিনিসপত্র কিনেছে সেগুলো ওইখানে দেখেন নাই। এবং সে বাজার থেকে জিনিসপত্র গুলো কিনে নিয়ে গেল। ১ কেজি বেগুন কিনেছে ৭০ টাকা দিয়ে। আর এক কেজি আলু কিনেছেন ৭৫ টাকা দিয়ে। এরপর বাজার থেকে সে আরো কিছু জিনিসপত্র কিনেছেন। বাজার থেকে যাওয়ার পর যখন তার ওয়াইফ রান্না করতে গেলেন। তখন দেখতেছে এক কেজি বেগুনের মধ্যে একটি বেগুন নষ্ট হয়ে গেছে। এবং আলু রান্না করার জন্য কাটলো দেখতেছে আলুর ভিতরে অংশগুলো কালো।
এরপর লোকটির ওয়াইফ লোকটিকে বলতেছে বাজার থেকে কি নিয়ে আসলে সবগুলো নষ্ট। এবং লোকটি চিন্তা করলো এত টাকা দিয়ে জিনিসপত্র কিনেছি সে আমাকে নষ্ট বাজার দিয়েছে। এবং ওই লোকটি তাড়াতাড়ি আবার রিক্সায় করে বাড়ি থেকে বাজারে আসলেন। যদিও বাজার তাদের বাড়ি থেকে মোটামুটি চার-পাঁচ কিলোমিটার দূরে। এবং এসে যে দোকান থেকে সে আলু ও বেগুন কিনেছেন। তাকে বলেছে বেগুন এবং আলু নষ্ট দিয়েছে। দোকানদার কাস্টমার উপর অনেক গরম হয়ে গেল। বলতেছে আমি ঠিকমতো জিনিস দিয়েছি মিথ্যা কথা বলার জায়গা নেই।
এরপর কাস্টমার লোকটি পলিথিন থেকে বেগুন ও আলু গুলো বাহির করে দিলেন। তারপরও লোকটি কাস্টমার লোকের সাথে গরম হয়ে কথা বলতেছে। এবং কাস্টমার লোকটি বলতেছে ৭০ টাকা দিয়ে বেগুন কিনেছি। এবং ৭৫ টাকা দিয়ে আলু কিনেছি। তুমি ইচ্ছা করে খারাপ জিনিস দিয়েছো। এরপরও দোকানদার নরম হয়ে কথা বলতেছেনা। সাথে সাথে কাস্টমার দোকানের লাঠি দিয়ে জোরে দোকানদারের মাথার উপর আঘাত করলেন। এবং দোকানদার লোকটি মাথা ফেটে মাটিতে পড়ে গেলেন। এবং সাথে সাথে সেই ওইখানে অজ্ঞান হয়ে গেলেন। এবং লোকটিকে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলেন।
এরপর অনেকগুলো লোক বাজারের কাস্টমার লোকটিকে ধরে রাখলেন। কেন সে এই দোকানদার কে মারলেন। এবং লোকটি বলতেছে আমি তার দোকান থেকে বাজার নিলাম এবং কাঁচা বাজার গুলো নষ্ট পড়েছে। এবং আমি তাকে বলার সাথে সাথে সে আরো উল্টো আমার সাথে গরম। এই কারণে রাগের মাথায় আমি তার মাথার ওপর আঘাত করেছি। বলতেছে এত টাকা দিয়ে বাজার নিয়ে গেলাম। আর যখন বাড়িতে গিয়ে এইসব জিনিস নষ্ট পাওয়া যায় তাহলে কেমন লাগে। এবং বলতেছে মাছ মাংস তো খেতে পারি না। যদি আলু বা শাকসবজি ও কিনে না খেতে পারি তাহলে কেমনে কি করা যায়। আসলে কাস্টমার লোকের কথাগুলো শুনে সবাই আর কিছুই বলতেছে না।
যদিও এর দুইদিন পর বাজারে বিচার হলো। দোকানদার এবং কাস্টমার লোকটির। দোকানদার বলতেছে আমি বাজার দিয়েছি সেই ওই সময় কিছুই বলে নাই। এবং কাস্টমার বলতেছে প্রায় সময় আমি তার থেকে জিনিসপত্র কিনে নিই ।সেই এইবার ইচ্ছে করে এইগুলো খারাপ দিয়েছে আমাকে। এরপর দোকানদার বলতেছে এইবার আলু যতগুলো আমি নিয়ে এসেছি সবগুলোর ভিতরে কালো মিলতেছে। আমি তো টাকা দিয়ে কিনে এনেছি তাই বিক্রি করতেছি। আর বেগুন হয়তোবা আমি খেয়াল করি নাই।
তারপর কাস্টমার লোকটি বলতেছে আমি প্রথমে সুন্দর করে তার সাথে কথা বলেছি। সে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে এই কারণে রাগের মাথায় আমি তার মাথার উপর আঘাত করেছি লাঠি দিয়ে। কারণ আমি গরিব মানুষ যদি আলু শাকসবজিও কিনে না খেতে পারি ছেলেমেয়েকে নিয়ে তাহলে কি করা যায়। আসলে লোকটির কথা শুনে পরিস্থিতির কথায় এমনিতে মনে পড়ে গেল। যদিও সবাই বলতেছে দোকানদারের চিকিৎসা টাকা দেওয়ার জন্য। লোকটি বলতেছে আমার কাছে কোন টাকা নেই। এরপর দোকানদার বলতেছে জরিমান দেওয়া লাগবে না। আসলে বাস্তব পরিস্থিতির কারণে মানুষ এখন এরকম হয়ে গেল। আশা করে আমার পোস্টটি পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।
https://x.com/Jamal7183151345/status/1866016746467123268?t=jRAfZjzx-hcbR6JZdXhLww&s=19
সত্যি এখন দ্রব্যমূল্যের বেশ উর্ধ্বগতি চলছে। বাজারে গেলে তো মাথাটাই গরম হয়ে যায়। চোখে মুখে আর কিছুই দেখি না। কবে যে আমরা এমন অবস্থা থেকে মুক্তি পাবো শুধু সেটাই ভাবী। ধন্যবাদ এমন একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আপনার মন্তব্য শুনে ভালো লাগলো তাই ধন্যবাদ আপনাকে।
বর্তমান পরিস্থিতি এমনটাই হয়ে গেছে ভাইয়া তাই আর লোকটি কি করবে। তবে দোকানদারের উচিত ছিল সঠিকভাবে জিনিসগুলো কিনে তারপর বিক্রি করা। এদিকে ক্রেতা রাগের মাথায় লোকটির মাথায় লাঠি দিয়ে মেরে দিল। তবে এখন সবাই সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে একটা সঠিক বিচার করলেই ভালো। ভালো লাগলো ভাইয়া আপনার পোস্ট পড়ে ধন্যবাদ।
আসলে লোকটি রাগের মাথায় এই কাজ করেছে। ভালো থাকবেন আপু সব সময়।
আসলেই ভাই এতো টাকা দিয়ে সবজি কেনার পরে যদি সেটা নষ্ট হয় তাহলে যে কারো রেগে যাওয়া স্বাভাবিক। দিন দিন সব জিনিসের দাম বাড়ছে।এতে করে সাধারণ মানুষের কষ্ট ক্রমেই বাড়ছে।
হ্যাঁ ভাইয়া দিন দিন সবকিছু দাম বেড়ে যাচ্ছে। এই কারণে লোকটির মাথাও ঠিক ছিল না। ভালো থাকুন ভাই।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই বাজারে সাধারণ মানুষদের অবস্থা খুবই খারাপ। সব কিছুর দাম যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে করে খেটে খাওয়া মানুষ আরো বেশি সমস্যার মধ্যে পড়েছে ভাইয়া। দারুন একটি টপিক নিয়ে লিখেছেন আপনি।
ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য যে শুনে। ভালো থাকবেন আপু।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবন একেবারে দিশেহারা। নতুন আলু ১২০ টাকা কেজি কিনলাম। আর পুরনো আলু ৮০ টাকা কেজি। যাইহোক এতো দামের সবজি পঁচা হলে যে কেউ রেগে যাবে। তবে রাগের মাথায় আঘাত করাটাকে আমি সমর্থন করি না। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ ভাই এত দামের সবজি কিনে যদি যখন পচা হয় তখন তো মাথায় এমনিতে খারাপ হয়ে যায়। আপনার মন্তব্য শুনে অনেক ভালো লাগলো।
আসলে দ্রব্যমূল্যের দাম এমনিতে অনেক বেশি। অনেকে বর্তমানে শাকসবজি কিনেও খেতে পারছে না। হয়তোবা লোকটি বেগুন আলু নিয়েছে ভালো দেখে। আর সেখানে খারাপ বেগুন আলু পাওয়ার কারণে মাথা গরম হয়ে গেল লোকটির। তবে ঝগড়া না করলেও পারতো। কারণ ঝগড়া করে কোন কিছু সমাধা করা যায় না। সুন্দর করে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
হ্যাঁ ঝগড়া না করলেও পারতো। হয়তোবা লোকটির মাথা গরম হয়ে গেল। ভালো থাকবেন সবসময়।