কেমন ডাক্তার।
ক্যানভা দিয়ে তৈরি,
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি বাস্তব গল্প শেয়ার করব। আশা করবো গল্পটি আপনাদের ভালো লাগবে। আমাদের চারপাশে প্রায় বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। যেগুলো থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়ার অনেক বিষয় রয়েছে। এজন্য এই সকল বিষয়গুলো আপনাদের শেয়ার করলে আপনারাও অনেক কিছু শিখতে পারবেন। এমনকি অনেকগুলো বিষয় সম্পর্কে অবগত হবেন। এইজন্য আমি চেষ্টা করি বিভিন্ন বিষয়গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরার জন্য। এখন মানুষের আসলে ভরসা নেই। একেকজন একেক ধরনের, এবং একেক জন একেক ধরনের মানসিকতার।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে অনেক সুন্দর করে একটি বাস্তব ঘটনার শেয়ার করব। কিছু মাস আগে এই ঘটনাটি আমাদের পাশের বাড়িতে ঘটেছিল। আমাদের পাশের বাড়ির দূর সম্পর্কে আমার জ্যাঠাতো ভাই হয়। জ্যাঠাতো ভাই একটি মসজিদে ইমামতি এবং একটা মাদ্রাসা বাচ্চাদের কোরআন শিখায়। লোকটি যখন অসুস্থ হয়ে পড়েছে। কিছুদিন সে খুব অসুস্থ ছিলেন। তার দুটি ছেলে সন্তান আছে তারা দুইজন বিদেশ থাকেন। এবং তিনটি মেয়ে তার মধ্যে দুটি মেয়ে এখনো বিয়ে হয়নি।
এমত অবস্থায় লোকটি যখন অসুস্থ হয়েছেন তখন তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য এবং ডাক্তার দেখানোর জন্য লোক ছিল না। তখন তার ছোট ছেলের বন্ধুকে মোবাইলে কল করে আসার জন্য বলেন। এবং ছোট ছেলে বিদেশ থেকে তাকে কল করে তার বাবাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য বলছেন। এরপর ছেলের বন্ধু তার বাবাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য দাগন ভূঁইয়া নিয়ে গেলেন। এবং ওখানে ডাক্তার দেখিয়েছেন তাকে। ডাক্তার অনেক পরীক্ষা করে দেখলেন তার পিত্তে পাথর হয়েছে। এবং তাকে অপারেশন করানো জন্য বলেন।
দূর সম্পর্কে জ্যাঠাতো ভাইয়ের নাম হচ্ছে আফসার। আফসার ভাই তখন তার বন্ধুর ছেলেকে বলল তুমি যেটা ভালো মনে কর ওটাই কর টাকার জন্য কোন সমস্যা না। এরপর ছেলের বন্ধু ওখানে ডাক্তারের সাথে কথা বললেন এবং তাকে অপারেশনের কথা বলে ঠিক করলেন। এবং দিন তারিখ ঠিক করলেন তাকে অপারেশন করানো হবে। এবং দাগনভূঞা হাসপাতালে বাহির থেকে একটি ডাক্তার নিয়ে আসলেন। এবং তাকে দুদিন পর ওখানে অপারেশন করা হবে।
এরপর ওই তারিখে তাকে তার ছেলের বন্ধু এবং ওয়াইফ অপারেশনের জন্য নিয়ে গেলেন। যখন তার অপারেশন চালু হলো ডাক্তার এসে সবকিছু দেখলেন। এবং তার অপারেশন চালু হওয়ার পর কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করে তার জ্ঞান ফিরে আসলো। এরপর ডাক্তার তাকে আর বেহুশ না করে অপারেশন করতে লাগলো। এমন সময় সেই অনেক জোরে চিৎকার করে ব্যাথা লাগছে বলে চিৎকার করতে লাগলো। এরপর ডাক্তার ভয়ে অপারেশন বন্ধ করে দিলে। এবং কিছুক্ষণের মধ্যে লোকটি ওখানে অপারেশনের সময় মারা গেলেন। এরপর তার মারা যাওয়ার কথা শুনে চারদিক থেকে মানুষ হাসপাতালে যেতে লাগল এবং ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করতে লাগলো।
ডাক্তার ভয়ে যেভাবে পারতেছি সেভাবে উল্টোপাল্টা কথা বলতে লাগলো। এরপর সবাই বলতে লাগলো গ্রামের হাসপাতালে কিভাবে অপারেশন করাতে লাগলো। ওখানে হাসপাতালে লোক বলতেছে আমাদের কাছে অপারেশন করার ডাক্তার আছে। তারপরে তারা বলতে লাগলো বাহির থেকে তারা ডাক্তার নিয়ে আসলো। এই নিয়ে অনেক ঝামেলা হল এবং ডাক্তারের নামে মামলা হল। কিন্তু যে লোকটি অল্প বয়সে মারা গেল তাকে তো আর তার ফ্যামিলি ফিরে পাবে না।
আসলে ডাক্তার যদি তার অপারেশন নাই করাতে পারতো তাহলে কেন সে অপারেশন করার জন্য গেলেন। এবং একটি লোকের জীবন সেই নষ্ট করে দিলেন। এই কেমন ডাক্তার। এই হল আমার জ্যাঠাতো ভাইয়ের অকাল মৃত্যুর ঘটনা।
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।
ডক্টর অপারেশন করতে জানিনা তাহলে অপারেশন করতে কেন নিল। আর কি এমন জিনিস দিয়েছিল যে অল্প সময়ের মধ্যে জ্ঞান হারিয়ে আবার অপারেশনে মুহূর্তে জ্ঞান ফিরে পেল। ওই অবস্থায় ডাক্তার অপারেশন চালিয়ে গিয়েছে তারা কি মানুষ নাকি পশু। শুধু শুধু একটা লোকের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা। যে গিয়েছে সে তো চলেই গেল ডাক্তারের আর কি।
আসলে লোকটি মারা যাওয়ার সাথে সাথে তাদের পুরা ফ্যামিলি অন্ধকার হয়ে গেল। সত্যি আপু এই ধরনের ডাক্তার গুলো বিচার হওয়া দরকার। আপনার মন্তব্য শুনে ভালো লাগলো।
এরকম কসাই ডাক্তার গুলো এখনো মাঝেমধ্যে পাওয়া যায়। যে হসপিটালে অপারেশন করিয়েছিল। সে হসপিটালে ডাক্তার না থাকলে তারা কেন অপারেশনের করানোর ব্যবস্থা করলেন। এবং অপারেশনের সময় হঠাৎ করে লোকটির জ্ঞান ফিরে আসার পর কিভাবে অপারেশন চালিয়ে যাচ্ছে। এই যে লোকটি মারা গেল এর দায় কে নেবে। তবে আমার মতে এরকম ডাক্তার গুলো শিক্ষা হওয়া দরকার। পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন তাই আমরা কিছু জিনিস জানতে পারলাম ধন্যবাদ আপনাকে।
ঠিক বলেছেন এই ধরনের ডাক্তার গুলোর বিচার হওয়া দরকার। অপারেশনের ব্যবস্থা না থাকলে কেন যে অপারেশন করানোর ব্যবস্থা করলেন হাসপাতালে লোকগুলো। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
কিছুদিন আগে আমাদের এখানেও এরকম একটা ঘটনা ঘটেছিলো।সিজার করতে গিয়ে মহিলাকে মেরে ফেলেছিল এক ভুয়া ডাক্তার। পরবর্তীতে পুলিশ তাকে ধরে ফেলেছিল। আজকে আপনার গল্পটি পড়েও বেশ খারাপ লাগলো। আসলে আমাদের দেশে এখন এরকম অহরহ হচ্ছে। ধন্যবাদ ভাইয়া সত্য ঘটনাটা শেয়ার করার জন্য।
আসলে আপু এই ধরনের মরণ গুলো খুব কষ্টদায়ক। কারণ ডাক্তারের একটু ভুলের জন্য মানুষের জীবন চলে যায়। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।