লাইফ স্টাইল :-মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে বাজার করতে যাওয়ার মুহূর্ত।
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি। আমি আজকে একটি লেখার পোস্ট এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো। কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে অথবা কোথাও ঘুরতে গেলে ওইসব বিষয় নিয়ে পোস্ট লিখতে অনেক ভালো লাগে। বেশিরভাগ সুন্দর মুহূর্ত গুলোর পোস্ট পড়তে এবং লিখতে অনেক ভালো লাগে। সব সময় চেষ্টা করি আমার সুন্দর মুহূর্তের অনুভূতি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ঘুরতে গেলে নিজে মনটাও ফ্রেশ থাকে। তাই সবসময় চেষ্টা করি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার হাসিখুশির মুহূর্তটা আপনাদের মাঝেও শেয়ার করার জন্য। আশা করি আপনাদেরও পোস্টটি অনেক ভালো লাগবে।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে বাজার করতে দেওয়ার মুহূর্ত। কিছুদিন আগে আমার মেয়ের জন্মদিন গেল। ৬ই এপ্রিল আমার মেয়ের জন্মদিন ছিল। আর মেয়ের জন্মদিন পালন করার জন্য প্রথম থেকে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম। কারণ আমার একটিমাত্র মেয়ে তার জন্মদিন পালন করব আমি আগ থেকে ঠিক করেছিলাম। আর এই কারণে জন্মদিনের কয়েকদিন আগে আমি বাজার করলাম। কারণ চৌধুরী হাট বাজার আমাদের বাড়ি থেকে মোটামুটি ছয়-সাত কিলোমিটার দূরে। এই কারণে হাতের সময় নিয়ে বাজার করতে গেলাম। যদিও আমার সাথে আমার ওয়াইফ ও মেয়ে ও গেল। কারণ একলা বাজার করতে গেলে ভালো লাগেনা। সাথে কেউ থাকলে কথা বলতে বলতে পছন্দের মত বাজার করা যায়।
আর আমার ওয়াইফ বাজারে যাওয়ার আগে কি কি জিনিস লাগবে সবকিছু লিস্ট করেছিল। এরপর আমরা বিকেল বেলা একদিন বাজার করতে বাইর হলাম। যদিও আমাদের বাড়ি থেকে আমি অটো রিকশা নিয়ে বাজারে চলে গেলাম। এরপর আমরা প্রথমে মুরগির দোকানে চলে গেলাম। কারণ জন্মদিন উপলক্ষে কিছু বানালে মুরগির মাংস লাগবে। যদিও এখন মুরগির দাম বাজারে মোটামুটি কম আছে। কিছুদিন আগে ঈদের সময় মুরগির দাম অনেক ছিল। এরপর আমি মুরগির দোকানদারকে জিজ্ঞেস করলাম মুরগির দাম কত। কারণ মুরগির দোকানদার আমার পরিচিত লোক এই কারণে আমার বিশ্বাস আছে সেই মুরগির দাম বেশি রাখবে না। আমরা ১০ কেজি মুরগি মাংস কিনলাম ১৭০ টাকা করে। এবং একটি লাল মুরগি কিনেছিলাম প্রয়োজনের জন্য।
যদিও আমরা এইগুলো ওয়াটার দিয়ে অন্য দোকানে চলে গেলাম। কারণ এইখানে মুরগি আর ডিম ছাড়া সবকিছু বাইরে থেকে নিতে হবে। এরপর আমরা পরিচিত মুদি দোকানে গেলাম। ওইখানে এক এক করে সবকিছু কিনতে লাগলাম। তবে আমার ওয়াইফ সাথে যাওয়ার কারণে আমার জন্য সুবিধা হয়েছে। এবং আমার ওয়াইফ বাজার করা ফ্লিপ দেখে দেখে বাজারগুলো দেখেশুনে কিনতে লাগলো। তবে মুদি দোকানে গেলে সব কিছুর দর দাম করে কিনতে হয়। কারণ তারা সবকিছু দাম বেশি বলে। এরপর আমি বিরানির চাউল হতে শুরু করে সবকিছু মুদি দোকান থেকে কিনেছিলাম। তবে এসব দোকানদার গুলো মুখে একদম মিষ্টি ব্যবহার। আপনি আমার পরিচিত আপনার থেকে দাম বেশি নেবো না।
এইভাবে কথা বলতে থাকে। তবে আমি দুই দোকান থেকে মোটামুটি মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে সবকিছু বাজার করে নিলাম। তবে বাজার করতে করতে অনেক সময় বিরক্ত লাগে। আমি যখন বাজার করতে লাগলাম হঠাৎ করে অন্য লোক বাজার করতে আসলেন। তখন আমাকে দাঁড় করিয়ে ওই লোককে বাজার দিচ্ছে। তখন আমি দোকানদারকে বললাম কিছু বাজার বাকি আছে সেগুলো দিয়ে আমাকে বিদায় করে দেন। আমার তাড়া আছে এ কথা বলার সাথে সাথে পরে দোকানদার আমাকে সবকিছু দিয়ে বিদায় করে দিল। তবে এইসব মুদি দোকান থেকে বাজার কিনতে হলে দেখে শুনে কিনতে হয়। তারপর আমরা আবার মুরগির দোকানে গেলাম। আর ওই সময় দেখি মুরগির দোকানদার সবকিছু রেডি করে রাখল।
এরপর মুরগির দোকানদারের টাকাগুলো দিয়ে আমরা চলে গেলাম বাজার নিয়ে একটি রেস্টুরেন্টে। কারণ বাজারে গেলে চেষ্টা করি কিছু খাওয়া-দাওয়া করতে। আর সাথে আমার ওয়াইফ এবং মেয়ে ছিল তাদেরকে হালকা ভালো মন্দ নাস্তা করার চেষ্টা করালাম। এরপর রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করে একটি গাড়ি নিয়ে বাজারগুলো নিয়ে বাড়িতে চলে আসলাম। তবে মজার বিষয় হচ্ছে আমি যেই টাকাগুলো নিয়ে গেলাম আসার সময় রিক্সা ভাড়া ছাড়া আর কোন টাকাই ছিল না। যদিও এখন জিনিসপত্রের দাম মোটামুটি ঈদে চেয়ে কম ছিল। তারপরও সব টাকা বাজার করতে গিয়ে শেষ হয়ে গেল। এই হচ্ছে মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে বাজার করতে যাওয়ার মুহূর্ত। রাগ করে আমার পোস্টটি পরে আবার।
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।
https://x.com/Jamal7183151345/status/1909556845225669066?t=PeSmiDUa3mdve7EQUWMzmQ&s=19
https://x.com/Jamal7183151345/status/1909522889285812296?t=AFDcq7tcS06A3wP4gXxScQ&s=19
মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে আপনার বাজার করার অভিজ্ঞতা খুবই বাস্তব ও হৃদয়ছোঁয়া ছিল। পুরো গল্পটা পড়ে মনে হলো যেন পাশে থেকে দেখছি। আপনার মেয়ের জন্য রইলো অনেক শুভকামনা ও ভালোবাসা। এমন সুন্দর মুহূর্ত আমাদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
https://x.com/Jamal7183151345/status/1909556140423495744?t=CsC5VdZgKbvBPyqymHQi6g&s=19
৬ই এপ্রিল আপনার মেয়ের জন্মদিন ছিল জেনে খুবই ভালো লাগলো ভাইয়া। মামনির জন্য অনেক অনেক দোয়া এবং ভালোবাসা রইলো। ছোট বাচ্চাদের জন্মদিন পালন করতে সত্যি অনেক ভালো লাগে।
https://x.com/Jamal7183151345/status/1909557481589948795?t=iIlVX8ujEeC7PfCGQpCWIA&s=19
মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে ভালোই বাজার সদাই করলেন। মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে বাজার করতে যাওয়ার মুহূর্ত পড়ে অনেক খুশি হয়েছি।জন্মদিনের শুভেচ্ছা রইল।
প্রথমে মা মনির জন্যে রইলো অশেষ দোয়া ও ভালোবাসা অভিরাম। জন্মদিনে উপলক্ষে বেশ ভালো আয়োজন করলেন ভাইয়া। বাজার থেকে অনেকগুলো জিনিস কিনলেন। কেনাকাটার মুহূর্ত টি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।