লাইফ স্টাইল : ভাতিজা রুবেলের বিয়ের (শেষ পর্ব)
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি। আমি আজকে একটি লেখার পোস্ট এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো। কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে অথবা কোথাও ঘুরতে গেলে ওইসব বিষয় নিয়ে পোস্ট লিখতে অনেক ভালো লাগে। বেশিরভাগ সুন্দর মুহূর্ত গুলোর পোস্ট পড়তে এবং লিখতে অনেক ভালো লাগে। সব সময় চেষ্টা করি আমার সুন্দর মুহূর্তের অনুভূতি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ঘুরতে গেলে নিজে মনটাও ফ্রেশ থাকে। তাই সবসময় চেষ্টা করি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার হাসিখুশির মুহূর্তটা আপনাদের মাঝেও শেয়ার করার জন্য। আশা করি আপনাদেরও পোস্টটি অনেক ভালো লাগবে।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব ভাতিজা রুবেলের বিয়ের শেষ পর্ব। কিছুদিন আগে আমি আপনাদের মাঝে প্রথম পর্ব শেয়ার করেছিলাম। যখন আমরা সবাই মেয়েদের বাড়ির সামনে গেলাম। তখন কনেপক্ষের লোক গেটের মধ্যে ফুলের মালা নিয়ে আসলো। আর মেয়ের পক্ষের লোকগুলো গেটের মধ্যে মালা ও শরবত খাওয়ানোর পর সালামী নিয়ে থাকে। তবে মজার বিষয় হচ্ছে আমার ভাতিজা রুবেল ও তার সাথে বন্ধুগুলো টাকা দিতে অনেক দুষ্টামি করতে লাগলো। আর সবগুলো টাকার নোট হচ্ছে ৫০ টাকা। যতবার টাকা হয় নাই বলে ততবার এরা ৫০ টাকা করে দেই। পরে মেয়ের পক্ষে যে লোক গুলো গেটে আসলো তারা অনেক গরম হয়ে গেল। তারা বলতে লাগলো আপনারা কি নাটক করতে লাগলেন। তবে রুবেল কিছুই বলল নাই। তার বন্ধু গুলো অনেক দুষ্টামি করতে লাগলো গেটের টাকা নিয়ে।
ওই সময় আমি নিজেও গেটে উপস্থিত ছিলাম। এই কারণে আমি কয়েকটা ছবি তুলে রাখলাম। তবে লাস্ট পর্যন্ত তিন হাজার টাকা দেওয়ার পর তারা গেট থেকে যেতেই দিলেন। প্রথমে ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত গেল। ১০০০ টাকা দেওয়ার পর ৫০ টাকা করে নোট দিতে দিতে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত গেল। অবশ্য ওই সময় তাদের বাড়ির একজন মুরুব্বী এসে গেট ছাড়ার জন্য বলল। তারপর আমরা সবাই ভিতরে গেলাম। ভিতরে যাওয়ার পর দেখলাম টেবিলের মধ্যে একটি চেয়ারে খালি আছে। আর আমরা গেটের লোক ছিলাম প্রায় ১০ থেকে ১২ জন। আর সবাই প্রথমে বসে গেল খাওয়া খাওয়ার জন্য। এরপর আমার ভাতিজা বলল কাকা আপনি বসে যান খাওয়ার জন্য।
আমি আমার বন্ধুবান্ধব নিয়ে পরে বসবো। যেহেতু আমি ছেলেটির কাকা এই কারণে আমি ওই টেবিলে বসে গেলাম খাওয়ার জন্য। আর বিয়ে বাড়িতে খাওয়া মানে অন্য কিছু। যে নিজের মতো করে খেতে থাকে। এরপর আমি বসে শান্তি মত খাওয়া খেলাম। যদিও আমি যেই টেবিলে বসলাম ওই টেবিলে ছেলের বাবা বসলো। এই কারণে ওই টেবিলের মধ্যে আপ্যায়ন একটু বেশি হল। খাওয়া দাওয়া করে মজা করে পান ও খেলাম। তবে পান খাওয়ার পর আমার মাথা শুধু ঘুরতে লাগলো। কারণ আমি পান খাই না। এই কারণে হঠাৎ করে খাওয়ার পর মাথা চক্কর দিতে লাগলো। ওই সময় একজন লোক বলেছেন আপনি একটু বসে পানি ও হালকা আচার জাতীয় কিছু খান তাহলে ঠিক হয়ে যাবে। তবে ঠিক আমি হালকা পানিও কিছু টমেটো চস খেলাম পরে ঠিক হয়ে গেল।
এরপর ভাতিজা যেখানে বসল ওইখানে গেলাম। দেখলাম ভাতিজা খুব সুন্দর করে বসে বসে সবার সাথে কথা বলতে লাগলো। ওইখানে কিছু ফটোগ্রাফি করেছিলাম আমি। নতুন জামাই প্রথমে গেলে একটু লজ্জা পায়। কিন্তু আমার ভাতিজা রুবেল একদম খুশিই ছিল। কারণ সে ভালোবেসে বিয়ে করেছেন। যদিও আমি প্রথম পর্ব সেই কথাগুলো লিখেছিলাম। আসলে ভালোবাসার মানুষকে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। আর তারা আগে কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করে ফেলেছে। এখন শুধু অনুষ্ঠান করতেছে। আবার মেয়েটি তার দূর সম্পর্কের আত্মীয় হয়। এই কারণে সব মানুষ তার পরিচিত। সবার সাথে বসে বসে কথা বলতে লাগলো ভাতিজা রুবেল। তবে দুলাকে সবাই পরে খাওয়া-দাওয়া দিল।
ওই সময় আমি দুষ্টামি করে ভাতিজা রুবেল কে বললাম সব খাওয়া-দাওয়া শেষ হয়ে গেল। তোমাদের জন্য কিছুই নেই। এই কথা শুনে রুবেল বলল আমি খাওয়ার জন্য আসলাম না। খাওয়া-দাওয়ার না থাকলেও সমস্যা নেই। কারণ আমাদের ভাতিজা রুবেল একটু দুষ্টামি করে। তারপর ভাতিজা রুবেল এবং তার বন্ধুবান্ধব কিছু ছিল সবাইকে একসাথে খাওয়া দাওয়া দিল। এরপর আমরা বাড়ির আশেপাশে কিছুক্ষণ ঘুরলাম জায়গা গুলোতে। কারণ রুবেলের শ্বশুরের বাড়ির পাশে নদী। চর এলাকা দেখতেও বেশ ভালো লাগলো। এবং চর এলাকা ঘুরতে গেলে এমনিতে ভালো লাগে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। তারপর আমরা একসাথে আবার ঘাড়ি করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। এভাবে ভাতিজার রুবেলের বিয়ের দাওয়াত খেলাম এবং ভালোই সময় কাটালাম। এই হচ্ছে ভাতিজা রুবেলের বিয়ের কাহিনী। আশা করি আমার পোস্টটি পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।
https://x.com/Jamal7183151345/status/1904069016765059319?t=25QjCukYYkNiauOqu6DsOw&s=19
https://x.com/Jamal7183151345/status/1904076421297008969?t=iD7PmF0t_FEYTQtCKqyIiA&s=19
https://x.com/Jamal7183151345/status/1904077488705401010?t=dbC-UMxGW1tYe5lub4nm3w&s=19
https://x.com/Jamal7183151345/status/1904078563185410272?t=yXg0CmbZx-pKI6avt5VA2Q&s=19
https://x.com/Jamal7183151345/status/1904071160150536472?t=iZxFeEqbJbTI2oDUfGvTFA&s=19
ভাতিজা রুবেলের বিয়ের কাহিনীটি খুবই আনন্দদায়ক ও প্রাণবন্ত ছিল। বিশেষ করে বন্ধুরা দুষ্টামি করে টাকা দেওয়া। বিয়ের খাওয়া-দাওয়া ও পরিবেশ বেশ ভালো ছিল, এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করাও ছিল এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা। রুবেলের খুশি দেখে মনে হয়েছে, ভালোবাসার মানুষকে পাওয়া আসলেই ভাগ্যের ব্যাপার। আশা করি, তার জীবনে সুখী দিন আসবে।
https://x.com/Jamal7183151345/status/1904195671080738905?t=Bu5rpnaomcDcOBSws7DOQg&s=19
https://x.com/Jamal7183151345/status/1904197201045168407?t=x7hauYIeu37p7aodZyEGLw&s=19