নাটক রিভিউ // সাগর জাহানের "শেষটা অন্যরকম ছিল" নাটকের রিভিউ।।
আসসালামু আলাইকুম
কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও আল্লাহর মেহেরবানীতে ও আপনাদের দোয়ায় বেশ ভাল আছি। আসলে পড়ালেখার ব্যস্ততার কারণে এখন তেমন একটা নাটক সিনেমা দেখাই হয় না। তবে আমি আজকে যে নাটকটি রিভিউ দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছি এই নাটকটি অনেক শিক্ষনীয় একটি নাটক এ নাটকের যারা অভিনয় করেছেন সবাই আমার খুব প্রিয়। এই নাটকের প্রধান চরিত্রে মোশারফ করিম ও তানজিন তিশা আমার খুবই প্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী। যখনই সুযোগ পাই তাদের নাটকগুলো আমি খুব স্বাচ্ছন্দে দেখে থাকি আমার কাছে এই দুইজনের অভিনয়টা অনেক অনেক ভালো লাগে। আসলে মানুষ বেধে যেরকম একটা ভিন্নতা আছে তেমনি প্রতিটা মানুষের অভিনয় ক্ষেত্রে অনেক ভিন্নতা রয়েছে সেই ভিন্নতার মাঝে এই দুইজনের অভিনয় গুলো আমার কাছে অনেক ভালো লাগে।
তাহলে চলুন বন্ধুরা নাটকটি রিভিউ আকারে দেখে আসবেন। অবশ্যই এই রিভিউ দেখার পর আপনারা নাটকটি ইউটিউবে দেখে নেবেন আমার বিশ্বাস অনেক ভালো লাগবে, অনেক কিছু জানতেও শিখতে পারবেন।
| নাটকের নাম | শেষটা অন্যরকম ছিল। |
|---|---|
| রচনা | কাজী শহিদুল ইসলাম |
| পরিচালনায় | সাগর জাহান |
| অভিনয়ে | মোশারফ করিম, তানজিন তিশা সহ আরো অনেকে। |
| সময়কাল | ৪৬:৪০ মিনিট। |
নাটকের শুরুতে আমরা যা দেখলাম মোশারফ করিম ওরফে আসলাম সে গ্রাম থেকে শহরে এসেছে তার এক দুঃসম্পর্কের ফুফুর বাড়িতে, এখানে থেকে সে ইন্টারভিউ দিয়ে চাকরির জন্য চেষ্টা করবে সে উদ্দেশ্যেই এখানে তার আশা। কিন্তু গেট দিয়ে ঢুকতেই উপর থেকে ডাক পরল একটি মেয়ের। মেয়েটি আসলামকে না চিনেই বলল যে আপনি কে কোথা থেকে এসেছেন আর এখানে কোথায় যাচ্ছেন। মেয়েটি হলো আসলামের ফুফাতো বোন। আসলাম তাকে দেখেই প্রথম দেখায় চিনে ফেলে এবং সে তাকে বলে তুমি তো নিলু ফুফুর মেয়ে অর্পা। এটা শুনতেই তানজিন তিশা ওরফে অর্পা অবাক হয়ে যায়। এরপর আসলাম তার ব্যাগ ও বই নিয়ে বাড়িতে ঢুকে যায়। এই বিষয়টা কোনভাবেই অর্পা মেনে নিতে পারেনি।
তারপর আসলাম তাদের বাসায় গেলে তার ফুপ থাকে তার ঘর দেখিয়ে দেয় এবং তার সাথে কথাবার্তা বলতে থাকে, আর এগুলো দূর থেকে আড়াল হয়ে অর্পা সব শুনতে পায়। এরপর অর্পা তার মাকে জোরে ডেকে সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসে ও তার মাকে সে বলে যে এই ছেলেকে কেন তুমি বাসায় জায়গা দিয়েছো? তখন তার মা তাকে ডেকে নিয়ে অন্য রুমে চলে যায় এবং তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে। অর্পা এই বিষয়টা কোনভাবেই মেনে নিতে পারেনি। পরের দিন আসলামের ফুপু তাকে ডেকে নিয়ে এসে ডাইনিং টেবিলে বসালেন খাওয়ার জন্য কিন্তু অর্পা তখন সহ্য করতে না পেরে না খেয়েই তার মায়ের সাথে রাগারাগি করে চলে যায়। এই বিষয়টা আসলামকে অনেক কষ্ট দিয়েছিলাম তারপরও সে তার বাবার কথা চিন্তা করেই এখানে থেকে যায়।
পরের দিন আসলাম তার রুমে বসে বই পড়ছিলো আর্পা সেটা দেখে তার কাছে আসে এবং তাকে বলতে লাগলো তিন বেলা তো পেট ভরে খাওয়া হচ্ছে খুব আরামে আছো, আমরা মা মেয়ে দুজন বাসায় থাকি আপনার ফুফু কষ্ট করে বাজার করে নিয়ে আসে সেটা খুব আরাম করে খাচ্ছেন আপনি গিয়ে বাজার করে নিয়ে আসতে পারেন না। এটা শুনে আসলাম কিছু না বলেই রওনা দিলে বাজারে কিন্তু তাকে ডেকে বলল আপনি বাজারে যাবেন টাকা নিয়ে যাবেন না টাকা ছাড়া কি বাজার আনবেন? তখন আসলাম বলল প্রতিদিনই তো ফুপুর টাকায় বাজার আনার পর খাই আজকে না হয় আমার টাকাই খাবে, একথা বলে আসলাম চলে যায় বাজারে। এদিকে অর্পা এই কথাটা তার খারাপ লাগে এবং সে মনে মনে বলতে থাকে আমার সাথে টাকার গরম। এরপর থেকেই অর্পা আসলামের পিছনে লেগে যায়। একদিন দিন এক এক জায়গায় পাঠাচ্ছে কখনো ফটোকপি করতে পাঠাচ্ছে কখনো স্টুডিও থেকে ছবি আনতে পাঠাচ্ছে কখনো তাকে দিয়ে বই কিনেছে কিন্তু টাকা দিচ্ছেনা। এগুলো দেখে আসলাম অনেকটা বিরক্ত বোধ হচ্ছে এরপর হঠাৎ একদিন অর্পা আসলামের কাছে এসে বলল এখানে একটা এড্রেস লিখে দিয়েছি এই অ্যাড্রেসে গিয়ে আমার বান্ধবীর কাছ থেকে একটা বই নিয়ে আসতে হবে বইটা আমার খুবই জরুরী প্রয়োজন , এ কথা বলে সে চলে যায়। পরের দিন আসলাম ছাদে দাঁড়িয়ে আছে অর্পা ছাদে গিয়ে তার কাছে বলে ছি আপনার মত মানুষ জীবনেও দেখিনি এত খারাপ আপনি আপনি কিভাবে আমার বান্ধবীর হাত ধরে টানটান করলেন, আমিতো ভাবতেও পারিনি। তখন আসলাম বলল আপনি কি এগুলো আমাকে বলছেন আমি কখনো আপনার বান্ধবীর হাত ধরে টানাটানি করলাম মূলত সে অনেকটা অবাক হয়ে গেল।
এবার আসলামের ভিতরে কিছুটা রাগ সৃষ্টি হলো যেহেতু তার নামে এত বড় একটা অপবাদ দিয়েছে। আসলাম তার ফুফুকে বলল যে এখানে আর থাকবে না। কিন্তু তার ফুপু তাকে কোনভাবেই ছাড়তে রাজি না যে কোন সমস্যা হলে তার ফুফুকে বলার জন্য এই কথা গুলো অর্পা দূর থেকে শুনতে পায়। যখন আসলামের ফুপু সেখান থেকে চলে যায় তখন অর্পা আসলামের কাছে এসে বলে আপনার কি কোন লজ্জা নেই আপনি কেন এখানে পড়ে রয়েছেন আপনার তো এখান থেকে চলে যাওয়া উচিত। তখন আসলাম বলল আমি তো যেতেই যাচ্ছি কিন্তু ফুফুতো আমাকে যেতে দিচ্ছে না। তবে আমি এখান থেকে এত বড় মিথ্যা অপবাদ নিয়ে তো যাবো না। আমাকে এত বড় মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে আমি সেটাকে সত্য করেই তারপরে এখান থেকে যাব এই কথা বলে আসলাম অর্পার হাতটা টেনে ধরে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে। এটা দেখে তো অর্পা অনেক ক্ষেপে যায় এরপর সে তার মাকে ডাকতে থাকে তারপর আসলাম তার হাতটা ছেড়ে দেয় এবং বলল এবার আমি যেতে পারব।
পরের দিন অর্পা তার রুমে এসে দেখে আসলাম তার বিছানায় শুয়ে ঘুমাচ্ছে এটা দেখে তো সে আরো অনেক বেশি ক্ষেপে যায়। তাকে ডাকতে যাবে ঐ অবস্থা সে ঘুম থেকে উঠতে গেলে অর্পার গালে তার হাতটা লেগে যায়। এরপর অনেকটা ক্ষেপে গিয়ে বলে আপনি এখানে কেন শুয়ে আছেন তখন আসলাম বলে আসলে আমি তো এসেছি অনেক ক্লান্ত ছিলাম বুঝতে পারিনি এটা আমার ঘর না আপনার ঘর। আচ্ছা ঠিক আছে আমি চলে যাচ্ছি এটা বলার পর অর্পা বিছানার চাদরটা তুলে আসলাম এর হাতের উপর দিয়ে বলে এটা ধুয়ে আমাকে দিবেন। তখন আসলাম বলে এটা আমার বিছানায় বিছিয়ে আরো কিছুদিন ভালো করে ঘুমিয়ে নেব এ কথা শুনে অর্পা আসলামের হাত থেকে বিছানার চাদর নিয়ে তাকে চলে যেতে বলে। আসলে প্রথম অর্পা ভেবেছিল আসলাম গ্রামের বোকাসোক একটি ছেলে কিন্তু এখন সে হারে হারে টের পাচ্ছে যে আসলে তো সে বোকা নয়।
এতকিছুর পরেও অর্পা আসলামকে কোনভাবেই সহ্য করতে পারছে না সেই বিভিন্ন ভাবে তাকে এখান থেকে চলে যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে কথা শোনাচ্ছে একটা সময় আসলাম সিদ্ধান্ত নিলো না যে এখানে থাকবে না সে পরের দিন তার সমস্ত ব্যাগ বই গুছিয়ে তার ফুফুর কাছে বিদায় নিতে গেল ফুফু বুঝতে পারছে যে তার মেয়ের জন্য আসলাম বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে। কিন্তু আসলাম তার ফুফুকে বিষয়টা কোনভাবেই বুঝতে দেয় নাই সে বলল যে তার অনেক খারাপ লাগছে বাড়ির জন্য তাই সে বাড়ি চলে যাবে। এদিকে অর্পা তার চলে যাওয়া দেখে তার প্রতি কিছুটা নরম হলো এবং তাকে কিভাবে আটকানো যায় সে চেষ্টাটাই শুরু করলো। যখন সে চলে যাচ্ছিল গেটের সামনে গিয়েছিল তখন উপর থেকে অর্পা তাকে ডাক দিল যে আপনি কি চলে যাচ্ছেন? না আপনি এখন যাবেন না আপনি উপরে আসেন আপনার একটা পরীক্ষা আছে। তখন আসলাম বলল আমার তো ঘন্টা বেজে গেছে ছুটির ঘন্টা পরীক্ষা দেওয়ার এখন আর সময় নেই। তখন অর্পা বলল আপনি কি আমাকে ভয় পান? বুঝছি তো আপনি আমাকে অনেক ভয় পান তাই উপরে আসতে চাচ্ছেন না পরীক্ষাও দিতে চাচ্ছেন। না যদি ভয় না পান তাহলে এসে পরীক্ষা দিয়ে যান দেখি আপনার সাহস কেমন। এ কথা শুনে আসলাম আবার ফিরে আসতে ছিল তখন অর্পা তাকে ব্যাগটা রেখে শুধু বইগুলো নিয়ে আসতে বলল।
এরপর আসলাম উপরে উঠে আসলে তখন অর্পা বলল আপনি তো অনেক সাহিত্য পড়েন। আমার জানামতে যারা সাহিত্য পড়ে তারা অনেক ভালো লিখে। তাহলে আপনার আজকের পরীক্ষা হল আপনি আমার সম্বন্ধে একটা রচনা লেখবেন আমি কেমন আমার সম্মন্ধে আপনি যা যা এতদিন দেখেছেন শুনেছেন তো আপনি এখানে লেখবেন এটাই হচ্ছে আপনার পরীক্ষা। আসলাম পরীক্ষা দিচ্ছে এদিকে অর্পা রুমে চলে গেল। আসলাম তার লেখা শেষ করে নিচে চলে গেল সেখানে গিয়ে দেখে তার ব্যাগ নেই। ব্যাগের জন্য সেই উপরে উঠে আসলে তার ফুফুর সামনে পড়ে যায় তার ফুফুকে বলে যে আমি চলে গেলাম নিচে ব্যাগটা রেখে বাথরুমে গিয়েছিলাম এসে দেখি ব্যাগটা নেই তখন সে বুঝতে পারে এরপর তার ফুপু অর্পাকে ডেকে বলে তুই কি ব্যাগ নিয়েছিস। তখন অর্পা বলে যে আপনার পরীক্ষা শেষ হয়েছে দিন দেখি আপনি কি পরীক্ষা দিয়েছেন আর আপনার ব্যাগগ আমার কাছে আছে চিন্তার কোন কারণ নেই পরীক্ষায় পাশ করলে ব্যাক পাবেন এ কথা শুনে অর্পার জন মা তাকে জিজ্ঞাসা করলো কিসের পরীক্ষা কি হয়েছে তোদের তখন সে বলল তুমি এগুলো বুঝবে না এরপর সে কাগজটি নিয়ে তার রুমে চলে যায়। মোশারফ করিম তার ফুফুকে বলে একটি অংক করতে চাইছিল আমি সেটা করে দিলাম।
রুমে গিয়ে কাগজটি খুলে পড়া শুরু করে কাগজটি যখন পড়ছে তখন আসলাম অর্পা সম্পর্কে খুবই ভালো ভালো কথা লিখেছে এবং সেখানে আরো বেশি লিখেছে যে অর্পা আসলামকে অনেক বেশি ভালোবাসে সে কোনভাবেই আসলামকে হারাতে চায় না এভাবে অনেক কথা লিখে আর এই কথাগুলো পড়ে অনেক খুশি হয়ে যায় এবং সে রুম থেকে বেরিয়ে এসে আসলাম কে বলে আপনি পরীক্ষায় পাশ করেছেন এই নিন আপনার ব্যাগ আপনি চলে যাবেন না আপনি আমাদের বাসায় থাকবেন এভাবেই তাদের মধ্যে ভালোবাসা হয়ে যায় এবং দীর্ঘ দেড় থেকে দুই বছর পর্যন্ত তারা নিজেদের স্বেচ্ছাচারিতা ছাড়িয়ে একজন আরেকজনকে ভালোবেসে যায়।
হঠাৎ একদিন তারা বাড়ির বাইরে থেকে ফিরে এসে দেখে যে অর্পাল মা মাটিতে লুটে পড়ে রয়েছে এটা দেখে তারা দৌড়ে এসে দেখল যে তাদের মা মারা গেছে এবং তারা অনেক দুঃখ পেল। এভাবেই তাদের দিন রাত ছিল যাচ্ছিল মা মারা যাওয়াতে অর্পা অনেক শান্ত হয়ে গেল খাওয়া-দাওয়া করছে না ঠিকমতে কারো সাথে কথা বলছে না ঠিকমতো এভাবে যেতে না যেতে প্রায় সাত দিন পার হওয়ার পর আত্মীয়-স্বজন তাদের বাড়িতে আসলো এবং আসলাম তার সাথে থাকা নিয়ে তারা বিষয়টিকে অন্য চোখে দেখলো কিন্তু অর্পা তাদের সামনে আসলাম এর হাত ধরে তাকে বিয়ে করবে বলে সেদিনই তারা বিয়ে করল। আসলাম তো অনেক খুশি তারা বিয়ে করেছেন কিন্তু সে যখন বাসায় ফিরে আসলো অর্পা তাকে তার রুমে যেতে বলল এবং তাদের কোন বাসর ঘর হবে না সেটা তাকে জানিয়ে দিল। আসলাম কথাটা শুনে কষ্ট পেয়েছে তার রুমে চলে গেল এভাবেই তাদের প্রায় ছয় মাস কেটে গেল।
হঠাৎ একদিন আসলাম দেখতে পেল অর্পার রুমে অনেক ফুল দিয়ে বাসর ঘর সাজানো এবং অর্পা আসলামকে বলল আমি বিউটি পার্লার থেকে সেজে আসি তুমি এখানে থাকো এ কথা বলে সে চলে যায় এদিকে আসলাম বিষয়টাকে অন্যদিকে নিয়ে নেয় সে ভাবলো যে হয়তো অন্য কাউকে ভালোবাসে এবং তাকে সে আজকে বিয়ে করে বাসর করবে এটা ভেবে সে অনেকটা কষ্ট পায়। এগুলো ভাবতে ভাবতেই অর্পা বিউটি পার্লার থেকে সে যে চলে আসে এবং সে অর্পাকে দেখে বাইরে যেতে চায় তখন অর্পা বলে তুমি কোথায় যাচ্ছ আসলাম বলল কেন তোমার বরকে আনতে যাচ্ছি যাকে নিয়ে তুমি আজকে বাসর করবে। এ কথা শোনার পর অর্পা আসলাম শার্টের কলার চেপে ধরে তখন সে বলে কি বললে তুমি আমি তোমাকে ছাড়া অন্য কাউকে কল্পনা করবো এটা তুমি ভাবলে কিভাবে তখন সে তাকে কলার ধরে টেনে বাসর ঘরে ঢুকে যায়।
বিঃদ্রঃ সকল ছবি মোবাইলে স্ক্রিনশট নেওয়া।
মোশারফ করিম ও তানজিন তিশার অভিনয়ের ব্যাপারে কিছু বলার নেই। এই নাটকে তারা চমৎকার অভিনয় করেছে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে নাটকটি। নাটকের শুরুটা একরকম এবং শেষটা অন্যরকমই ছিল নাটকের নামকরণের সাথে অনেক চমৎকারভাবে মিল রেখেই নাটকটি তৈরি করা হয়েছে। প্রথমত ভেবেই ছিলাম মোশারফ করিম তার ফুফুর বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে তানজিন তিশার অত্যাচারে। চলে যেতে চেয়েছিল কিন্তু তানজিন তিশা বিষয়টিকে সেভাবেই ম্যানেজ করে নিয়েছে। তবে নাটকটির মধ্যে যেমন বিরক্তবোধ ছিল তেমনি অনেক মজারও ছিল তার পাশাপাশি তানজিল পেশার মা মারা যাওয়ার টাইম অনেকটা খারাপ ও লেগেছে। তানজিন তিশার পরিবারের অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের চাপে তানজিন তিশা যখন মোশারফ করিমকে বিয়ে করে এরপর তারা যখন আলাদা থাকে তখন আমি ভেবেছিলাম হয়তো সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার কারণেই এটি করেছে অথবা তার সাথে অন্য কারো সম্পর্ক ছিল যেটা সে কাউকে বলতে পারছি না। এক্ষেত্রে মোশারফ করিম অনেক ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। এই ধৈর্য তার পরিচয় দেওয়ার কারণেই মোশারফ করিম ও তানজিন তিশার চমৎকার একটি মিল হয়ে গেল। সবশেষে বলবো নাটকটি আমার কাছে খুবই দারুণ লেগেছে অনেক এনজয় করেছিলাম এই নাটকটি দেখে।
| - |
আপনি আজকে খুব চমৎকার একটি নাটক রিভিউ করেছেন। আপনার এই নাটকটি আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। যদি এ নাটকটি আমার এর আগে দেখা হয়নি। তবে এই নাটকে রিভিউ করে বুঝতে পালা নাটকটি বেশ সুন্দর। নাটকে নামের সাথে নাটকের মধ্যে বেশ মিল রেখেছে। সুন্দর একটি নাটক, ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি নাটক শেয়ার করার জন্য।
আপনার মূল্যবান মন্তব্য প্রকাশ করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য শুভকামনা অবিরাম।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
অনেক সুন্দর একটি নাটক।এর আগে এটা দেখেছিলাম আমার কাছে খুবই ভাল লেগেছিলো। আপনি খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো।
সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ধৈর্য্য হচ্ছে মহৎ গুণ। নাকটি বেশ চমৎকার আপনার রিভিউ পরে বুঝতে পারলাম। শেষটা অন্যরকম ছিল নাটকটি এখনো দেখা হয়নি। তবে আপনার রিভিউ দেখে অনেক ভালো লাগলো। খুব তাড়াতাড়ি দেখে নিবো। ধন্যবাদ আপনাকে আপু
নাটকটি দেখতে আমার কাছেও বেশ ভালো লেগেছে। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
মোশারফ করিম এবং তানজিন তিশার এই নাটকটি আমি অনেক আগেই দেখেছিলাম।নাটকটি দেখে অনেক ভালো লেগেছিল আমার। বিশেষ করে শেষেরটা আসলেই অনেক মজার ছিল।ধন্যবাদ জানাচ্ছি এত সুন্দর একটি নাটকের এত সুন্দর একটি রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
সুন্দর ও গঠনমূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
মোশারফ করিমের নাটক গুলো আমার কাছে সবসময় ভালো লাগে।মোশারফ করিম সব দিক থেকে পারফেক্ট একজন অভিনেতা। যেকোনো ক্যারেক্টারের অভিনয় খুবই সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে মনোরঞ্জন করেন।নাটকটি দেখা হয়নি অবশ্যই সময় পেলে দেখে নেব।সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে নাটকটির রিভিউ শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
সময় সুযোগ মতো নাটকটি দেখার চেষ্টা করবেন। আশা করি আপনার কাছে ভালো লাগবে। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
মোশারফ করিমের নাটক আমার অনেক ভালো লাগে। আমি তার নাটকগুলো প্রায় দেখে থাকি। তবে এই নাটকটি আমি দেখিনি। নাটকের গল্প পড়ে খুব ভালো লাগলো। গ্রাম থেকে মোশারফ করিম আসলো ফুফুর বাসায় চাকরির ইন্টারভিউ দিতে। তবে নাটকের গল্প অসাধারণ লাগলো। মাঝেমধ্যে তানজিন তিশার নাটক দেখি। চমৎকার নাটকের রিভিউ শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
মোশারফ করিমের নাটক গুলো দেখতে আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। সুন্দর ও গঠনমূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
খুবই সুন্দর একটা নাটক। নাটকটি আমি আগে দেখিনি। আপনার রিভিউ টি পড়ার মাধ্যমে বুঝলাম নাটকটি খুবই সুন্দর। শেষটা অন্যরকম ছিল নাটকের রিভিউটি সুন্দরভাবে আপনি উপস্থাপন করেছেন। অনেক ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
সুন্দর মন্তব্য করে কাছে রাখার জন্য ধন্যবাদ।
তানজিন তিশা এবং মোশারফ করিমের নাটক আমার অনেক ভালো লাগে। আজকে আপনি খুব সুন্দর করে শেষটা অন্যরকম ছিল নাটকের রিভিউ করেছেন। নাটকের গল্প পড়ে সত্যি অনেক ভালো লাগলো। গ্রামের সহজ সরল ছেলে যখন ঢাকায় আসে তখন কি হয় নাটকের মাঝে বোঝা যাচ্ছে। যদিও মোশারফ করিম ঢাকাতে চাকরি ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য আসলো ফুফুর বাসাতে। সময় পেলে নাটকটি দেখার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ আপনাকে নাটকের রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ সময় পেলে নাটকটি দেখবেন। আশা করি আপনার কাছে ভালো লাগবে। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।