সুস্বাদু পটল ভাজা রেসিপি। ১০% লাজুক শেয়ালের জন্য এবং ৫% এবিবি স্কুলের জন্য।
আসসালামু-আলাইকুম।
কেমন আছেন বন্ধুরা। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি। আজ আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব সুস্বাদু পটল ভাজা রেসিপি। পটল ভাজা খেতে আমার ভালই লাগে। অনেকের আবার এই সবজিটি খেতে একদম পছন্দ করে না। আমার কাছে গরম ভাতের সাথে এভাবে পটল ভাজি করে খেলে খেতে খুব ভালো লাগে। পটল সবজিটি বিভিন্ন ভাবে রান্না করা যায়। মাছ দিয়ে রান্না করা যায়, আবার এভাবে শুধু পটল ভেজেও রান্না করা যায়। আসুন তাহলে দেখে নেয়া যাক আমি কিভাবে পটল ভাজি রেসিপিটি তৈরি করেছি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
| উপকরণের নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| পটল | ৫/৬ টি |
| পেঁয়াজ কুচি | ১/২কাপ |
| কাঁচা মরিচ | ৫/৬ টি |
| আদা বাটা | ২ চা চামচ |
| রসুন বাটা | ১ চা চামচ |
| হলুদের গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| জিরার গুড়া | আধা চা চামচ |
| শুকনা মরিচের গুড়া | পরিমাণ মতো |
| লবণ | পরিমাণমতো |
| সয়াবিন তেল | আধা কাপ |
প্রস্তুত প্রণালী
ধাপ ১ঃ
প্রথমে পটল গুলোকে খোসা ছাড়িয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে কেটে নিই। এবার হলুদের গুড়া মরিচের গুঁড়া এবং পরিমাণমতো লবণ দিয়ে দেই।
ধাপ ২ঃ
এবার সব উপকরণ গুলো ভালোভাবে মাখিয়ে নেই। এরপর চুলায় একটি ফ্রাইপেন নেই এরপর এরমধ্যে পরিমাণমতো তেল গরম করে নেই।
ধাপ ৩ঃ
এবার পটলগুলো ফ্রাই প্যান এর মধ্যে দিয়ে দেই।
ধাপ ৪ঃ
এবার উল্টেপাল্টে সব পাশ ভেজে নেই।
ধাপ ৫ঃ
এবার একটি ফ্রাইপেনে কিছু পরিমাণ পেঁয়াজ কুচি এবং এর মধ্যে আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে নেই। পেঁয়াজ ভাজা হয়ে গেলে মধ্যে ভেজে রাখা পটল গুলো দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নেই ।
ধাপ ৬ঃ
এবার একটি বাটিতে পরিবেশন করে নেই।এবার হয়ে গেল আজ আমার পটল ভাজা রেসিপি।
আজকের মত এ পর্যন্তই। আবার কথা হবে অন্য কোন বিষয় নিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনায় আজকের মতো এখানেই শেষ করছি।
| Photographer | @iraniahmed |
|---|---|
| Device | Samsung M01s |
কিছুক্ষণ আগেই একটি পটল ভাজি রেসিপি দেখলাম। এখন আপনার মাধ্যমে পটল ভাজি রেসিপি দেখতেছি। এত এত পটল ভাজি রেসিপি দেখে আমি তো আর লোভ সামলাতে পারছিনা। আপনার পটল ভাজি টি অনেক লোভনীয় হয়েছে। রেসিপি তৈরি প্রক্রিয়া গুলো অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্যের জন্য
আপু আপনার তৈরি সুস্বাদু পটল ভাজা রেসিপি খুবই লোভনীয় দেখাচ্ছে। মনে হচ্ছে এই মুহূর্তে গরম গরম ভাতের সাথে আপনার তৈরি পটল ভাজা রেসিপি এবং তার সাথে মসুরের ডাল এক টুকরো লেবু দিয়ে ভাত খেতে পারলে, পুরো এক প্লেট ভাত সাবাড় করে ফেলা যাবে। আপনার রেসিপি তৈরির উপস্থাপনাটাও দারুন ছিল। এতো সুস্বাদু রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ঠিকই বলেছেন গরম ভাতের সাথে পটল ভাজা খেতে খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
একটা বিষয় বুঝতে পারলাম না, আজকে কি আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধু পটল ভাজা দিয়ে ভাত খেয়েছে, হাহাহা। অসাধারণ ছিল আপনার ফটল বাজা। আপনার আগে দেখে আসলাম স্বপন ভাইয়ের আজকে দারুন পটল ভাজা রেসিপি তৈরি করেছেন,তাই বললাম। সত্যিই গরমে ভাজাপোড়া একটু ঝাল খেতে খুবই ভালো লাগে। আপনার রেসিপিটি দেখে খুবই ভালো লাগলো। আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য শুভেচ্ছা রইল।
প্রায় দিনই কোনো না কোনো রেসিপি কারো কারো সাথে মিলে যায়। অনেকেই পোস্ট করে তো এর জন্য। ধন্যবাদ আপনাদের সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
কিছুক্ষণ আগে এরকম পটল ভাজি রেসিপির একটি পোস্টে কমেন্ট করলাম। পটল ভাজি করে খেতেই বেশি ভালো লাগে। পটল ভাজির রেসিপি টি ধাপে ধাপে গুছিয়ে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
আমিও দেখেছি পটল ভাজা রেসিপি আরো একজন পোস্ট করেছিলো।
পটল আমার অনেক পছন্দের একটি সবজি। আমি পটল বেশিরভাগ রান্না খেতে পছন্দ করি। তবে এই ভাবেও ভাজি করে অনেকবার খেয়েছি। বেশ ভালই লাগে আমার কাছে। অনেক ধন্যবাদ আপু লোভনীয় রেসিপি টা এত সুন্দর উপস্থাপনার মাধ্যমে শেয়ার করার জন্য। খুবই ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি। ভালো থাকবেন এবং শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আমার কাছে বেশ ভালই লাগে পটল ভাজি রেসিপিটি। গরম ভাতের সাথে খেতে বেশি ভালো লাগে।
পটল ভাজা আমার খুবই প্রিয়। আজকেও আমি পটল ভাজা খেয়েছি। আপু আপনি অনেক সুন্দর ভাবে পটল ভাজা রেসিপি তৈরি করেছেন দেখে খুবই লোভনীয় লাগছে। মজার রেসিপি তৈরি করে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপু আপনার পটল ভাজি রেসিপি দেখে এখনই খেতে ইচ্ছে করছে। পটল ভাজি আমার কাছে অসম্ভব ভালো লাগে। আমি বাসায় প্রায় সময় পটল ভাজি করি। পরিবেশন টা দারুন লাগছে দেখতে। ধন্যবাদ আপনাকে
পটল ভাজি খেতে আমার কাছেও বেশ ভালই লাগে। অনেকেই আবার এই রেসিপিটি একদম খেতে চায় না।
আমি সবসময় পটল রান্না করে খাই মাছ দিয়ে। তবে কখনো ভাজি করে খাওয়া হয়নি। আপনি দেখছি খুব সুন্দর ভাবে ভাজি করে পোস্ট করেছেন। দেখে আমার অনেক ভালো লাগলো এই রেসিপিটি। আমিও একসময় ট্রাই করে দেখব।
এভাবে পটল ভাজা খেয়ে দেখবেন খেতে ভালো লাগে
আমার ছবি দেখেই খেতে ইচ্ছে করছে।আমার কাছেও পটল ভাজি খেতে ভালো লাগে।পরিবেশনটা ও বেশ সুন্দর। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ধন্যাবাদ
আমার পরিবেশন টা আপনার কাছে সুন্দর লেগেছে জেনে সত্যি খুব আনন্দিত হলাম ধন্যবাদ আপনাকে
এভাবে পটল ভাজি করে খেতে আমারও খুব ভালো লাগে অল্প সময়ে ভারিটি প্রস্তুত করা যায় আপনি পেঁয়াজ ভাজি উপরে দিয়েছেন এজন্য দেখতে আরো বেশি লোভনীয় দেখাচ্ছে সুন্দর উপস্থাপনা করেছেন শুভকামনা থাকলো আপনার জন্য
আপনার জন্য রইল অনেক অনেক শুভকামনা