ছেলের জন্মদিন উপলক্ষে রেস্টুরেন্ট বুক করতে যাওয়া এবং খাওয়া দাওয়ার মহূর্ত
"হ্যালো",
সবাইকে আমার নতুন একটি ব্লগে স্বাগতম। আপনারা ইতিমধ্যে জেনে গেছেন যে সামনে 28 আগষ্ট আমার বাবুর জন্মদিন। অনেকে আমার ছেলের জন্য শুভেচ্ছা বার্তা এবং অনেক অনেক দোয়া পাঠিয়েছেন কমেন্টের মাধ্যমে। আমার ছেলে সত্যিই অনেক ভাগ্যবান যে সে সামনাসামনি তো অনেকের ভালোবাসা পায় আবার "আমার বাংলা ব্লগ" পরিবারের সবাই আমার ছেলেকে ভীষণ ভালোবাসেন। আর এই ভালোবাসা আপনাদের সবার কাছে সে পাবে সব সময় সেই আশাই করছি।
যাইহোক যেহেতু ছেলের জন্মদিন তাই ছোটখাটো একটা আয়োজন না করলে তো আর হয় না। প্রথমবারের জন্মদিনটা অনেক ধুমধাম করে বাসায় আয়োজন করেছিলাম। লোকজনকে দাওয়াত করেছিলাম এবং সমস্ত রান্না বান্না সব আমি করেছিলাম। যার কারণে আমার অনেক কষ্ট হয়েছিল। কিন্তু এবার প্রথম থেকে ভেবেছি একই কাজ আর করব না কারণ একা হাতে সব সামলাতে অনেক খাটুনি হয়ে যায় পরে আর আনন্দ করার এনার্জি থাকে না। এবার ভেবেছি একটা রেস্টুরেন্ট বুক করবো এবং সেখানে কিছু কাছের আত্মীয়-স্বজনকে নিয়ে জন্মদিনটা পালন করব। তো এই ভেবে আজকে সবাই মিলে বেরিয়ে পড়লাম রেস্টুরেন্ট বুক করতে।
যেহেতু আমাদের শহরের সবকটা রেস্টুরেন্ট আমরা খুব ভালোভাবেই চিনি এবং সবগুলো রেস্টুরেন্টের খাবারের মান সম্পর্কে আমাদের ভালো ধারণা আছে। তাই পছন্দ অনুযায়ী "চাটনি" রেস্টুরেন্টটা আমরা বুক করি। কারণ অন্যান্য রেস্টুরেন্ট এর থেকে এখানকার খাবার দাবার গুলো অনেক টেস্টি হয়। আর রেস্টুরেন্টের মালিক যেহেতু আপনাদের ভাইয়ার বন্ধু তাই তার সঙ্গে আমরা খুব খোলামেলা ভাবে কথা বলে সব কিছু ঠিকঠাক করে কিছু টাকা এডভান্স করে দেই।এরপর আমরা কিছু খাবার অর্ডার করি। রেস্টুরেন্ট এসেছি আর খাব না সেটা তো হতে পারে না।
আমরা চারজন ছিলাম তাই একটি ফ্যামিলি প্যাকেজ নিয়েছিলাম। যেটাতে ২০ পিচের মত মিনি ভেজিটেবল সমুচা ছিলো। এখানকার অনেক খাবারই খাওয়া হয়েছে তবে এই সমুচাগুলো কখনো খাওয়া হয়নি। সত্যি কথা বলতে এই খাবারের প্রেমে পড়ে গিয়েছি। তো আমার ছোট বোন ছিল সাথে সে বলল ফুচকা খাবে। তাই আমরা এক প্লেট ফুচকা অর্ডার করেছিলাম। আর আপনাদের ভাইয়া হট কফি খেয়েছিল। যাইহোক আমরা খাওয়া-দাওয়া শেষে সবকিছু আবারও ভাইয়ার সঙ্গে আলোচনা করে বাসায় চলে আসি। আমরা একটি সেট মেনু অর্ডার করেছি সেটাতে ভুনা খিচুড়ি,চিকেন কষা, ডিম, সালাদ এবং আচার থাকবে।
যাইহোক সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ইনশাল্লাহ আমরা সেদিন খুব ভালো একটি সময় কাটাবো এই প্রত্যাশাই করছি।আবারও বলছি আপনারা আমার ছেলে জন্য অনেক বেশি বেশি করে দোয়া করবেন। সে যেন মানুষের মত মানুষ হতে পারে এবং আমাদের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে।
দেখতে দেখতে আমাদের শায়ান বাবুর ২ বছর হতে চললো।এই তো আর মাত্র দুইদিন। শায়ান বাবুর জন্মদিন এর অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। অনেক অনেক ভালো কাটুক ওর আগামীর দিন গুলো। আশা করি খুব ভালোভাবেই ওর জন্মদিন উৎযাপন করবেন আপনারা। শুভকামনা রইলো।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।
আপু প্রথমে জানাই বাবুকে জন্মদিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সত্যি আপু বাসায় আয়োজন করলে সব কিছু সেরে আর আনন্দ করার সময় থাকে না।যাইহোক এবার ভালোই করেছেন রেস্টুরেন্টে বুক করে। আর সকাল সকাল এমন ফুচকা দেখে লোভ সামলানো মুশকিল। ধন্যবাদ আপু পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
জ্বি আপু বাসায় আয়োজন করলে সব কাজ নিজেকে করতে হয়। আর আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে একদমই সময় কাটানো যায় না। তাইতো এবার রেস্টুরেন্টে আয়োজন করেছি যাতে করে রান্নার ভেজালটা না থাকে। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
প্রথমে আপু আপনার ছেলের জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাই শুভ জন্মদিন। আপনার ছেলের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো। ছেলের জন্মদিন উপলক্ষে রেস্টুরেন্ট বুক করতে গিয়েছেন জেনে খুব ভালো লাগলো। সবাই মিলে রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়ার মুহূর্ত বেশ চমৎকার উপভোগ করেছেন। ধন্যবাদ পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।
আপু আমরা কি দাওয়াতের আওতায় পড়ি? বেশ ভালোই করেছেন রেস্টুরেন্ট ভাড়া করে। একা হাতে কি এত কিছু সামলানো যায় নাকি? শেষমেষ আর নিজের আনন্দটাই মাটি হয়ে যায়। আবারও ফুচকা। এসব লোভনীয় খাবার চোখের সামনে দেখলে আর নিজেকে আটকে রাখতে পরিনা। হিহিহি
অবশ্যই আপু চলে আসবেন। আর স্ব শরিরে না আসতে পারলেও মনে মনে কিন্তু আপনারা সবাই উপস্থিত থাকবেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
বাবুর জন্মদিনের কথা শুনে অনেক ভালো লেগেছে। বাবুর জন্মদিন উপলক্ষে রেস্টুরেন্ট ভাড়া করতে গিয়েছিলেন এবং সেই মুহূর্তটা অনেক সুন্দর করে আমাদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন। আসলেই রেস্টুরেন্টে গেলে খাওয়া দাওয়া তো করতেই হবে। অনেক মজা করে খেয়েছিলেন দেখছি। আমাদেরকে দাওয়াত দিবেন না নাকি? বাবুর জন্য অনেক অনেক দোয়া এবং ভালোবাসা রইলো।
আপনারা তো আমাদের কাছের লোক দাওয়াত দিতে হবে কেনো চলে আসবেন।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপু আপনার সন্তানের জন্য অগ্রিম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গতবার বাসায় করলেও এবার রেস্টুরেন্টে করার জন্য রেস্টুরেন্ট বুক করতে এসেছেন। এরপর এখানে এসে বেশ কিছু মজাদার খাবার খেয়েছেন। ছেলের জন্মদিন সামনে রেখে পরিবারের সবাই অনেক খুশি। আপনার সন্তানের জন্য শুভকামনা রইলো ধন্যবাদ।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।
একা হাতে সব কাজ সামলানো কিন্তু অনেক কষ্টকর। ভালোই করেছেন এইবারে রেস্টুরেন্টে জন্মদিন পালন করবেন বলে। রেস্টুরেন্ট বুক করতে গিয়ে মজার মজার খাবার খাওয়ার মুহূর্তটা ও আমাদের মাঝে ভাগ করে নিয়েছেন দেখে ভালো লাগলো। বাবুর জন্মদিনের কথা শুনে সত্যি অনেক আনন্দিত। বাবুর জন্য অনেক অনেক দোয়া এবং ভালোবাসা রইল, যেন তার পরবর্তী দিনগুলো অনেক হাসিখুশি কাটে এবং কি আপনাদের মুখ উজ্জ্বল করে অনেক দূরে এগিয়ে যেতে পারে। বাবুর জন্মদিনের পোস্ট দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
প্রথমে জানাই বাবুর জন্মদিনের জন্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। প্রথমবার ছেলের জন্মদিন অনেক ধুমধাম করে বাসায় আয়োজন করছিলেন জানতে পেরে বেশ ভালো লাগলো আপু। এবার ছেলের জন্মদিন উপলক্ষে রেস্টুরেন্টে বুক করতে এসেছেন দেখে সেটাও বেশ ভালো লাগলো। সবাই মিলে রেস্টুরেন্টের খাওয়া দাওয়া মুহূর্তটা কিন্তু বেশ চমৎকার ছিল আপু দেখে বোঝা যাচ্ছে। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
শুভ জন্মদিন বাবুর জন্য, অনেক শুভ কামনা।আপনার আয়োজনের পোস্ট পড়ে সত্যি খুব ভালো লাগছে।আসলে তাই বাসায় আয়োজন করলে এতোটা ব্যাস্ত থাকতে হয় যে আগত গেস্ট দের সাথে ঠিক মতো সময় কাটানো যায় না তাই ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেষ্টুরেন্টে আয়োজনের প্লান করে।বাবুর জন্য আশির্বাদ ও শুভকামনা রইলো।
হ্যাঁ বৌদি অনেক চিন্তা ভাবনা করেই রেস্টুরেন্টে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।