আমার ছেলের কিছু দুষ্ট-মিষ্টি মূহুর্ত
"হ্যালো",
সবাইকে আমার নতুন একটি ব্লগের স্বাগতম। বাহিরে যে পরিমাণ গরম পড়ে গেছে এতে আমাদের সবার জীবন দুর্বিষহ হয়ে গিয়েছে। গরমের কথা আর নাইবা বললাম এটা আমরা সবাই জানি যে কি পরিমানে গরম বাহিরে।যেকোনো ছোটখাটো কাজেও বাবুকে নিয়ে বাহিরে যেতে হচ্ছে বাসায় যে রেখে যাবো এর কোন উপায় নেই। যাইহোক আজকে আমি শেয়ার করব আমার বাবুর কিছুর কার্যকলাপ যা আমাকে সব সময় মুগ্ধ করে। আর আপনারাও সবাই শায়ান বাবুকে খুব ভালবাসেন আশা করছি মুহূর্তগুলো আপনারাও উপভোগ করবেন।
আপনারা যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন বাবুর এটা গত রাতে তোলা। আসলে বাহিরে যে পরিমাণ গরম পড়েছে এতে করে আমাদের তরল খাবার খাওয়া খুবই জরুরী। তাই চেষ্টা করছি অন্যান্য ফলের সাথে ছোট হলেও প্রত্যেকদিন একটা করে তরমুজ রাখার। কারণ তরমুজ প্রচুর পানি জাতীয় ফল। এটা আমাদের শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করবে। আর বাবুও দেখছি এটা বেশ পছন্দ করেছে। আমি ওকে হাতে একটা টুকরা কেটে দিয়েছিলাম ও সুন্দর করে খাচ্ছিল। ভাবলাম মুহূর্তটা রেখে দেই। সেই ভেবে ছবিটি তোলা। আশা করছি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে।
বেশ কিছুদিন ধরেই দেখছিলাম ওর পড়াশোনার প্রতি অনেক আগ্রহ। আমি জানিনা এটা ও কিভাবে শিখেছে তবে খুব ভালো জিনিস শিখেছে। আমি খুব খুশি ছিলাম ওর এই আগ্রহ দেখে জানি না কতদিন ধরে রাখতে পারব। তো আমি ওর বাবাকে বলেছিলাম বাজার থেকে একটা বই এনে দিতে এবং দেখছিলাম ও সুন্দর করে এ বি এ বি পড়ছিল। তো আমি ওকে একটা পেন্সিল এবং খাতাও দিয়েছিলাম। ও সুন্দর করে আঁকা আঁকি করছিল যেটা দেখে আমার খুবই ভালো লাগছিল।
এত ভালো ভালো বুদ্ধি যখন মাথায় আসে তখন দুষ্টু বুদ্ধি গুলো তো মাথায় থাকেই তাই না। এইভাবে ওর দুষ্টুমি গুলো বেড়েই চলে। আমি মাঝেমধ্যে আপনাদের সাথে শেয়ার করে থাকি অনেক সময় আমি ডিসকোর্ডেও শেয়ার করি যে ও কি পরিমান দুষ্টামি করে। দেখতে পাচ্ছেন ছবিতেও হাড়ি পাতিল নিয়ে রান্না করতে বসে গেছে। মাঝে মধ্যে দুটো একটা পেঁয়াজ আদা রসুন আলু নিয়ে সুন্দরভাবে চামচ দিয়ে নাড়াচাড়া করে রান্না করে। আমি তো মাঝেমধ্যে ওর বাবাকে বলি ছেলেকে বড় শেফ বানাবো।
আমি কিন্তু ওর দুষ্টামিগুলো ওর ভালো কাজগুলো খুবই উপভোগ করি এবং আমার কাছে বেশ ভাল লাগে। মাঝেমধ্যে অবশ্য বিরক্তও হই। তবে কি আর করার সব সময় বাসার মধ্যে বন্ধ থাকে যার কারণে দুষ্টুমিটা মনে হয় একটু বেশি করে। যদি খোলামেলা পরিবেশে থাকতো দুই একজন খেলার সঙ্গী থাকতো তাহলে হয়তো সুন্দর করে বসে বসে খেলা করত। যাইহোক কি আর করার ও দুষ্টামিগুলো অনেক বেশি উপভোগ করি।সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন। দেখতে দেখতে ছেলেটা আমার কত বড় হয়ে গেল।
আজকে এই পর্যন্তই। দেখা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে। ততক্ষণে সবাই ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
শায়ান বাবুর এই মুহূর্তগুলো দেখে সত্যিই ভালো লাগছে। কারণ আমার ছেলে যদিও এখনো পর্যন্ত হাঁটা শিখেনি তবে বসে বসে যে দুষ্টামি গুলো আমাদের সাথে করে সেগুলো সবগুলোই উপভোগ্য। কারণ একটা সময় সে ধীরে ধীরে বড় হয়ে যাবে। তার শৈশব কৈশোর সব কিছুই কাটিয়ে যাবে। তবে এই সময়টুকু আমরাও আর ফিরে পাবো না সে নিজেও ফিরে পাবে না। তাই সব সময় তার সাথে হাসিখুশি এবং মুহূর্তগুলো আনন্দের কাটাতে থাকি। শায়ান বাবু যে রান্নাবান্না নিয়ে ব্যস্ত সেটাও দেখতে পারছি। আমার ওয়াইফও মাঝে মাঝে বলে ছেলেকে নাকি বড় শেফ বানাবে, আর রান্নাবান্না শিখিয়ে দেবে। যাতে বসে বসে খেতে পারে, হাহাহা।
সত্যি ভাইয়া ওদের সৃজনশীলতা গুলো আমাদেরকে সবসময় মুগ্ধ করে এবং আমি তো মাঝে মাঝে তাকিয়ে দেখি যে এত বুদ্ধি ওর মাথায় কিভাবে আসে। আপনার ছেলের জন্য অনেক অনেক দোয়া এবং ভালোবাসা রইলো। ভাবি ঠিকই বলেছে আমিও তো সেটাই বলি যে বড় হয়ে আমাদেরকে রান্না করে খাওয়াবে।
বয়স বড় অদ্ভুত আপু যে বয়সে যেটা কাজ করে ৷ বর্তমান সময়ে শায়ন বাুব উড়ন্ত বয়স আর এই বয়সে নানা দুষ্টুমি খেলা করে ৷ আর বর্তমান সময়ে যে পরিমান রোদ গরম তাতে অতিষ্ঠ জন জীবন ৷ যা হোক ভালো লাগল শায়ন বাবুর খুনসুটি গুলো ৷ সর্বোপরি এই গরমে তার যত্ন নিবেন ৷ তার জন্য অবিরাম ভালোবাসা৷
হ্যাঁ ভাইয়া এই গরমে বাচ্চাদের প্রতি একটু আলাদা যত্ন নিতে হবে। আমি চেষ্টা করি নিজের মতো করে সবসময় ওকে আগলে রাখার। যতদূর পারি সবটুকু সময় ওকে দেওয়ার চেষ্টা করি। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপু এখন থেকে আপনার আর কষ্ট হবে না। আপনার ছেলেই সব কাজ করে দিতে পারবে। আমার ছেলেও আমাকে কত কাজ করে দেয় তার কোনো হিসেবেই নেই। বাচ্চাদের এই মুহূর্ত গুলো কখনোও ভুলার মতো নয়। মাঝে মাঝে আমিও ছেলের দুষ্ট-মিষ্টি মূহুর্ত দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই। শায়ান বাবুর দুষ্ট-মিষ্টি মূহুর্ত দেখে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ছেলের সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য। শায়ান বাবুর জন্য দোয়া রইল।
জ্বি আপু ওরা কাজগুলো এত নিখুঁতভাবে করে পরবর্তীতে সেগুলো আমাদেরকে আবারও গোছাতে হয়। ঠিক বলেছেন আপু এই কাজগুলো আমি খুব উপভোগ করি এবং মুহূর্তগুলো তুলে রাখার চেষ্টা করি। ধন্যবাদ আপু।
খুব ভাল লাগলো আপু। আর সত্যি কথা কি এই গরমে শায়ানকে বাইরে নিয়ে যাবেন না।খুব প্রয়োজন না হলে আপনিও না গিয়ে ভাইয়াকে দিয়ে কাজ সারবেন।খুব ভাল অভ্যাস আপু।ওকে আঁকা আঁকি করতে দেবেন,এটা ভাল হবে।আর বাচ্চারা মায়ের রান্না দেখে নিজেও রান্না করতে চায়।যাক বড় হোক দোয়া করি। আপনার কষ্ট লাঘব করবে আপনার এই মিষ্টি রাজপুত্র টি।অনেক শুভকামনা রইলো আপু।🥰
জ্বী আপু খুবই কম চেষ্টা করি বাহিরে বের হওয়ার। আর যখন একেবারে চলে না তখন যে রিক্সা নিয়ে যায় ওই রিকশা নিয়ে ফেরত আসি। বাজারের মধ্যে নামার চেষ্টাই করি না। দোয়া রাখবেন আপু বয়স কালে যেন ছেলের ভালোবাসা পাই। 🙏❤️
প্রচন্ড গরমে সকলের জীবনে অতিষ্ঠ। বেশি প্রয়োজন ছাড়া আমি মনে করি বাহিরে না যাওয়াই ভালো। ছোট বাচ্চাদের এরকম দুষ্টু মিষ্টির মুহূর্তগুলো দেখতে আসলে খুবই ভালো লাগে। ও রান্নাবান্না করে আপনাকে কাজে সাহায্য করতে চাইছে। আর লেখাপড়া করার দৃশ্যটি ও আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। শায়ান বাবুর দুষ্টু মিষ্টি মিষ্টি মুহূর্তগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
এত ছোট বয়সে ওর পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ দেখে সত্যিই আমি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম আর তাছাড়া তোর দুষ্টু মিষ্টি মহূর্তে গুলো সবসময়ই আমি বেশি উপভোগ করি। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
আপু শায়ন বাবুর কিছু দুষ্ট-মিষ্টি মূহুর্ত দেখে অনেক ভাল লাগলো। এই বয়সে বাচ্ছারা দুষ্টামি না করলে ভালও লাগে না। আর বাচ্ছাদের দুষ্টামি আমার কাছে অনেক ভাল লাগে। সুন্দর কিছু মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।