বাবার বাসায় প্রথম দিন কাটানোর মূহুর্ত
"হ্যালো,"
বন্ধুরা আমি গত পর্বে বলেছিলাম যে বাবার বাসায় যাওয়ার জন্য আপনাদের ভাইকে রাজি করিয়েছি। তো আজকে দুপুরবেলা আমি আমার বাবার বাসায় চলে এসেছি। এসে দেখি মা অনেক প্রকার খাবার রেডি করে রেখেছেন। আসলে সকালবেলা আমার রান্না করতে বা যেহেতু বাবু আছে ওখান থেকে বের হতে অনেকটা দেরি হয়ে যাবে এজন্য মা সকালবেলা বলে রেখেছিল যে বাড়িতে এসে যেন খাই।
সকালে ভাত খাওয়ার খুব একটা অভ্যাস নাই। হালকা-পাতরা নাস্তা হলেই চলে। তো বাসায় হালকা-পাতলা কিছু নাস্তা করেছিলাম এবং বাবার বাসায় আসতে আসতে প্রায় দুপুর হয়ে গেছিল তাই আমরা এসে হাত-পা ধুয়ে পরিষ্কার হয়ে খেতে বসে গিয়েছিলাম। আর খাবারে অনেকগুলো আইটেম ছিল যেগুলো এখন আপনাদের সাথে আমি শেয়ার করছি।
প্রথমে যে খাবারটা ছিল সেটা হচ্ছে চালের আটার রুটি এবং আলু ঘাটি। আমাদের এখানকার বিখ্যাত এই ঘাটি আমরা এটা ভীষণ পছন্দ করি। আর মা নতুন আলু ইলিশ মাছের মাথা দিয়ে ঘাটি করেছিল। যেটা আমার কাছে রুটি দিয়ে খেতে ভীষণ মজা লেগেছে। আর চালের আটার রুটি তো আমি খুবই পছন্দ করি।
এরপর ছিল যেটা সেটা হচ্ছে "বাটাম" ভাজা এবং করলা ভাজা। "বাটাম" ভাজা আমাদের আঞ্চলিক ভাষা। বাটাম ভাজা বলতে আমরা আলুটা চার ভাগ করে ভেজে থাকি। এটাও আমাদের ভীষণ পছন্দের একটি খাবার এবং এটা আমরা খালি মুখে খেতেও ভীষণ ভালোবাসি। আর করলা ভাজি তো আমার ভীষণ পছন্দের খাবার। এটা আপনারা আগে থেকেই জানেন।আপনাদের ভাইয়া করলা খায় না। এজন্য আমার মা আমার জন্য আলাদাভাবে এরকম ছোট ছোট আলু দিয়ে করলা ভেজেছে। এটা আমার ভীষণ পছন্দের একটি খাবার ছিল।
এরপর ছিল সাদা ভাত। অনেকে হয়তো ভাববেন এগুলো দিয়েই আপনাদের ভাইয়া খেয়েছে। না আপনাদের ভাইয়ার জন্য আলাদা একটা তরকারি ছিল সেটা হচ্ছে দেশি মুরগির ভুনা। এটা আলু দিয়ে রান্না করা হয়েছিল। আর আপনাদের ভাইয়া তো দেশি মুরগির মাংস ভিষণ পছন্দ করে। মুরগির মাংসে এত পরিমান তেল দেখে আমি মাকে বলেছিলাম এত তেল কেন?তো মা আমাকে বলেছিলেন এটা অনেক বড় একটা মুরগি ছিল বাসার এবং মুরগিটায় আরো অনেক চর্বি ছিল। যার কারণে রান্না করার পর এরকম তেল বের হয়ে গেছে। যাই হোক খেতে কিন্তু অনেক সুস্বাদু ছিল।
তো যাই হোক দুপুরের ভুরিভোজটা আমাদের ভালোই হয়েছিল। আশা করছি যে কটা দিন থাকবো খুব ভালো সময় কাটবে। আর বাবার বাসায় আসলে তো সবসময় শান্তিতে থাকা হয়। কারণ বাবুকে নিয়ে কোন কিছুই আমাকে ভাবতে হয় না। সবকিছু আমার ছোট বোন এবং মা'ই দেখাশোনা করে। আর আমি খুবই ফ্রি থাকি এ কয়দিন। আর মায়ের বাসায় আমি কেনো সবাই আমরা ফ্রি থাকি। তো যাই হোক আমি বাবার বাসায় কি করছি না করছি সবকিছুই আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করব পরবর্তীতে।
You've got a free upvote from witness fuli.
Peace & Love!
যে লাল টকটকে তরকারি দেখালেন,পানি তো আর সামলানো যাচ্ছেনা🙂😋।
বাবার বাড়ি,মধুর হাড়ি।ধামাধাম বসান এখন🤭।
বেশ অনেকদিন পর শায়ানকে দেখলাম।
আমি বাবার বাড়িতে আসলে মাংস মাছ একটু কমই খাই। তোমার ভাইয়া বেশি খায়। আর আমার কাছে সবজি খাবার গুলো বেশি ভালো লাগে। কেননা বাসায় সেরকম ভাবে বানিয়ে খাওয়া হয় না।
বাবার বাড়িতে গিয়ে এত এত খাবার একলা একলা খেলে চলবে? কোন একদিন আমাদের সাথে নিলে পারেন। কারণ করলা ভাজি যেমন আমার খুব পছন্দের। ঠিক তেমনি চালের আটার রুটি ও কিন্তু আমার ভীষণ পছন্দের। যাইহোক আমার তো বাবা নাই। এবং বাবার বাড়ি পাশেই। তাই আপনাদের মত করে এভাবে বাবার বাড়ি যাওয়া হয়ে ওঠে না। শুভকামনা রইল বাবা-মায়ের জন্য।♥♥
একদিন সময় করে চলে আসবেন আপু আপনার পছন্দের খাবারগুলো খাওয়ানো চেষ্টা করব।আর সেটা অবশ্যই আমার মায়ের হাতের রান্না হবে।
তাহলে তো সেই মজা হবে। ঠিক একদিন চলে আসবো মায়ের হাতের রান্না খাওয়ার জন্য। অপেক্ষায় থাকুন। দেখবেন চলে এসেছি।♥♥
অনেক ভাল লাগলো আপু। আপনি বাবার বাসায় আছেন খুব শান্তি আমিও ফিল করছি।মনে হচ্ছে আমিও গিয়েছি আমার বাবার বাসায়।🥰 আর ভাইয়া দেখছি ভাল ভাল সব্জিগুলোই খায়না।করলা,ঢেঁড়স এসব কত মজার। যাক আপনি আপনার পছন্দের খাবার খেয়ে নিন মজা করে মায়ের রান্না।শায়ানকে খুব কিউট লাগছে। ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য।
আপনাদের ভাইয়া বেগুন ভাজা ছাড়া কোন সবজি খেতে চায় না। আর আমার ও যেগুলো খেতে চায় না সেগুলো ভীষণ ভালো লাগে খেতে।
আপনার পোস্ট পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল কেন জানিনা খাবারের রিভিউ পোস্ট পড়ছি। হা হা হা...
এটা কি জিনিষ আপু।
তবে শুভদা যে করোলা ভাজা খায় না এটা আমি জানতাম না, আজ প্রথমবার জানলাম। দেশি মুরগির মাংস টা দেখেই মনে হচ্ছে উপরে বেশ তেল ছিল। তবে খেতে যেহেতু সুস্বাদু হয়েছে তাহলে আর কোন কথা নেই।
এটা একপ্রকার আলু ভাজি আমাদের আঞ্চলিক ভাষা এটাকে বাটাম ভাজা বলা হয়। আসলে এটা আলু চার ভাগ করে ভাজা হয় যার কারণে অনেক বড় বড় থাকে আর এজন্য মনে হয় এটার নাম দেওয়া হয়েছে।এটা নাকি আমাদের বাড়ির বড় একটি মোরগ ছিল যার কারণে এটার অনেক তেল ছিল। আর রান্নার পর আরো তেল ভেসে উঠেছিল।
আপু আপনার বাবার বাসায় প্রথম দিনে সে তো খুব ভালোভাবে খাওয়া-দাওয়া করলেন। আপনার আম্মু আপনাকে ভালোবেসে অনেক মজার মজার খাবার রান্না করেছে। আলু দিয়ে অনেক ধরনের আইটেম তৈরি করেছে। আর সাথে তো আছে দেশি মুরগির ভুনা। ছবি দেখেই লোভ লেগে গেলো। ধন্যবাদ আপু।