ব্যস্তময় একটি দিন কাটালাম
"হ্যালো",
কদিন থেকে আমার ছোট জা আমার বাসায় বেড়াতে এসেছে।আমার দেবর কাজের সূত্রে ঢাকায় আছে। আমার জা এসএসসি পরীক্ষা দিবে সামনে বছর।ও গ্রামে আমার শশুড় বাড়িতে থাকত।বলছিলো ভালো লাগছেনা ওখানে। তাই আমি বললাম বাসায় আসতে।আসলে আমারও একা একা ভালো লাগে না। ও আসার পর থেকে বেশ ভালোই সময় কাটছিলো। আর বাবু তো মহা খুশি সে নতুন খেলার সাথী পেয়েছে।
হঠাৎ করেই সকাল বেলা নাস্তা করার পর বলছিলো শরিরটা খারাপ লাগছে।আমি বুঝতে পারছিলাম না কি হচ্ছে। আর সেও ভালোভাবে বুঝিয়ে বলতে পারছিলনা।আমার শশুড় হাসপাতালে চাকরি করেন।উনার সাথে যোগাযোগ করে হাসপাতালে যাই।গিয়ে প্রথমে একজন গাইনি ডাক্তার দেখে কিছু পরিক্ষা দিলেন।প্রসাব পরিক্ষা, রক্ত পরিক্ষা ইত্যাদি। ওমা যেই পরিক্ষা করতে গেলাম কারেন্ট চলে গেলো। কেমনটা লাগে।আমাদের কারেন্ট আসা অব্দি অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু ভেতরে যে পরিমানে গরম তাতে বসার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
বাবা (শশুর) তখন বাহিরে গাছের ছায়ায় দুটো চেয়ারের ব্যবস্থা করে দিলেন। এদিকে বাহিরে এসে বাবুকে কিছুতেই আটকানো যাচ্ছে না।খোলা জায়গা পেয়ে শুধু দৌড়ায়।তারপর ওকে একটা রিক্সায় বসিয়ে দিয়েছিলাম।ও চুপ করে বসে খেলছিলো। প্রায় ঘন্টা খানেক অপেক্ষা করার পর কারেন্ট আসলে পরিক্ষা গুলো করিয়ে আবারো ডাক্তার আন্টির কাছে যাই।বাবা আগে থেকেই পরিচয় করিয়ে দেওয়ায় লাইনে দাঁড়াতে হয়নি। উনি প্রেসকিপশন করে দেন। কিছু ঔষধ হাসপাতাল থেকেই বাবা ম্যানেজ করেন আর বাহির থেকে কিছু করতে হয়েছে।
আমার খালি মনে হচ্ছিলো কখন বাসায় চলে আসবো।কারণ ওই ভ্যাপসা গরমে অস্থির হয়ে গিয়েছিলাম বিশেষ করে বাবু।এরপর বাবা বাবুর জন্য কিছু খাবার, পানি কিনে দিলো।তারপর আমরা রিক্সা নিয়ে বাসায় চলে আসি।ঔষধ খাওয়ার পর থেকে সে এখন মোটামুটি সুস্থ।
আসলে বাসায় একা একা থাকাটা বেশ কষ্টকর।যাই হোক জা কে নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় কাটলো।আসলে এই গরমে বাহিরে বের হওয়া বেশ কষ্টকর তার উপর যদি কারেন্ট চলে যায়।বাবু আস্তে আস্তে বেশ চঞ্চল হচ্ছে🙂।যাই হোক আপনার জা এখন সুস্থ জেনে ভালো লাগলো।ধন্যবাদ
হ্যাঁ আপু বাসায় একা একা থাকতে একদম ভালো লাগে না। যখনই বাসায় কোন মেহমান আসে খুব খুশি লাগে। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
কার শরীরে কখন কি হয় তা বোঝা যায় না কারেন্টের কথা কি বলবো। যেহেতু শরীর অসুস্থতার কারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে দিয়েছেন তাই কারেন্ট ছাড়া তো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব না। আপনার শশুড় থাকাতে লাইনে দাঁড়ানো লাগেনি খুব তাড়াতাড়ি হাসপাতালের কাজ সারতে পেয়েছেন। এখন আপনার জা অনেকটা সুস্থ আছে জেনে ভালো লাগলো। এই গরমের মধ্যে ব্যস্ত সময় কাটানোর মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
জ্বী আপু আমার শ্বশুর থাকার কারণে লাইনে দাঁড়াতে হয়নি। তাছাড়া যত লোকজন ছিল আর লাইনে দাঁড়াতে গেলে বাবুকে নিয়ে আমার অবস্থা একদম খারাপ হয়ে যেত। আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।