রাঙ্গামাটি ভ্রমণের অভিজ্ঞতার "নবম পর্ব" (লাল পাহাড়ের দেশ)।
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার পোস্ট শুরু করছি। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। তাই আজকে রাঙ্গামাটি ভ্রমণের নবম পর্বের " মুহূর্তের প্রাকৃতিক দৃশ্য নিয়ে হাজির হলাম।
গত পর্বে শেষ লাইনে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম। আমরা প্রবেশ করেছিলাম আমাদের আবাসিক হোটেলের ভিতরে। আমরা সারাদিন ক্লান্ত ছিলাম,তাই আমরা প্রথমে হোটেলের ভিতরে প্রবেশ করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়েছিলাম। তখন সময় ছিল সন্ধ্যার ৭:৩০ মিনিট। কিছু সময় বিশ্রাম নেয়ার পর আমরা আবার রাতের খাবারের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। আমরা গিয়েছিলাম নিচতলায় হোটেলের। সেখানে রয়েছে খাওয়ার রেস্তোরাঁ। আমরা সকল বন্ধু মিলে রেস্তোরাঁর ভিতরে প্রবেশ করেছিলাম।
আমরা যখন রেস্তোরাঁর ভিতরে প্রবেশ করেছিলাম তখন লক্ষ্য করেছিলাম সেখানে বসার জন্য কোন জায়গা নেই।আগে থেকে সেখানে বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা পর্যটন লোকেরা খাবার খাচ্ছিল।তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর আমরা খাবার খাওয়ার সুযোগ পেয়ে ছিলাম। আমরা বসে গিয়েছিলাম সে খাবার টেবিলে তারপর সবাই মিলে আমরা খাবার খাচ্ছিলাম।আজকে আমাদের খাবার মধ্যে সব রকমের আইটেম ছিল। যেমন মুরগির মাংস, পাতলা ডাউল, ডিম,সবজি ইত্যাদি।
আমরা মজা করে খাওয়ার গুলো খেয়েছিলাম। খাওয়া শেষ করে, আমরা হোটেল থেকে বের হয়েছিলাম। আমাদের গ্রুপ লিডার বন্ধু রাসেল আমাদের খাবার বিল পরিশোধ করেছিল। হোটেলের বাইরে আমরা কিছুক্ষণ ঘোরাফেরা করেছিলাম। আমরা কিছু ফটোগ্রাফি করেছিলাম হোটেলের আশেপাশের বিভিন্ন দৃশ্যের। তখন সময় রাত ৯:৩০ মিনিট। যেহেতু আমরা সারাদিন ভ্রমণ করার ফলে আমরা খুবই ক্লান্ত অনুভব করেছিলাম। তখন আমরা ধীরে ধীরে আবার আমাদের থাকার হোটেলের ভিতরে প্রবেশ করেছিলাম।
আমরা সবাই রুমের ভেতর প্রবেশ করেছিলাম। এরপর আমরা ঘুমের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কারণ সকাল ভোর বেলায় আবার উঠতে হবে। তখন সময় ছিল ৭:৩০ মিনিট। আমরা সবাই ঘুম থেকে জেগে উঠলাম। সর্বপ্রথম জেগে উঠেছিল আমাদের গ্রুপ লিটার বন্ধু রাসেল। আমাদের পরিকল্পনা তালিকা অনুযায়ী যেহেতু আজকে আমরা নতুন একটি পর্যটন এলাকা পরিদর্শন করব। সেই জন্যই আমরা তাড়াতাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে সকালের নাস্তা করার জন্য হোটেলের নিচ তলায় গিয়েছিলাম।
এরপর আমরা সকল বন্ধু মিলে রেস্তোরাঁর ভিতরে প্রবেশ করে, সকালের নাস্তা করেছিলাম। নাস্তা করার সম্পূর্ণ অর্ডার আমরা রাত্রে করে রেখেছি।পরিকল্পনার তালিকা অনুযায়ী আজকে আমাদের লক্ষ্য হলো ঝুলন্ত সেতু পরিদর্শন করা এবং এর সৌন্দর্য উপভোগ করা। আমাদের থাকার হোটেল থেকে সেই ঝুলন্ত সেতু পর্যন্ত যেতে ২৫ কিলোমিটার রাস্তা। সেইখানে যাওয়ার জন্য আমরা সকল বন্ধু মিলে একটি গাড়ি ভাড়া করেছিলাম। তারপর আমরা হোটেল থেকে বের হয়ে ধীরে ধীরে আমরা গাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেছিলাম। সেই ঝুলন্ত সেতু পরিদর্শন করার জন্য।
এবার আমাদের গাড়িটি যাত্রা শুরু করলো আমাদের সেই লক্ষ্য স্থান পর্যটন এলাকার দিকে। হয়তোবা আমাদেরকে জুলন্ত সেতু পর্যন্ত যেতে ২৫ মিনিট সময় লাগতে পারে। আজকের মত এখানেই শেষ করছি, পরের সেই দারুন মুহূর্তগুলো আপনাদের সাথে! আগামী দশম পর্বে শেয়ার করবো,, ইনশাআল্লাহ। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আজকের জন্যা বিদায়, আল্লাহ হাফেজ।
ফোনের বিবরণ!
| ক্যামেরা | VIVO Y81i |
| ক্যমেরা মডেল | vivo 1812 |
| ক্যাপচার | @hanif3206 |
| অবস্থান | পার্বত্য জেলা, রাঙ্গামাটি। |
share on x
https://x.com/HaniferMd/status/1810878741289259422?s=19