রাঙ্গামাটি ভ্রমণের অভিজ্ঞতার "অষ্টম পর্ব" (লাল পাহাড়ের দেশ)।
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার পোস্ট শুরু করছি। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। তাই আজকে রাঙ্গামাটি ভ্রমণের অষ্টম পর্বের " মুহূর্তের প্রাকৃতিক দৃশ্য নিয়ে হাজির হলাম।
গত পর্বে শেষ লাইনে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম।তাই আমরাও প্রবেশ করেছি এই দ্বীপের মধ্যে দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য এই রেস্টুরেন্টের ভিতর। দ্বীপটি ছিল অনেক বড় চারদিকে জঙ্গলে এবং গাছপালাও ঘেরাও। এরপর আমরা রেস্টুরেন্ট এর ভিতরে প্রবেশ করেছিলাম রেস্টুরেন্টের ভিতরে আমরা দেখলাম অনেক পর্যটক ওখানে এসে খাবার খাচ্ছে। তাই আমরা একটু জায়গা পেয়ে খাবারের জন্য খাবার টেবিলে বসে গিয়েছিলাম। খাবারের জন্য আমরা আগে থেকেই অর্ডার করে রেখেছিলাম।
এই রেস্টুরেন্টের খাবারের খরচ অনেক বেশি।কারণ এর আশেপাশে কোন রেস্টুরেন্ট নেই,এ রেস্টুরেন্টে লেকের পাশে অবস্থিত বলে এখানে খাবার খরছ অনেক বেশি। আমরা সকল বন্ধু মিলে দুপুরে খাবার খেয়েছিলাম, খাবারের খরচ যদিও বেশি হয়, কিন্তু খাবার গুলো ছিল অত্যন্ত সুস্বাদু। বিশেষ করে মুরগির মাংসগুলো অত্যন্ত সুস্বাদু হয়েছিল সাথে রয়েছে পাতলা ডাইল এবং বিভিন্ন ধরনের ভর্তা আইটেম।
খাওয়া শেষ করে, আমরা ধীরে ধীরে হোটেলে ভিতর থেকে বের হয়েছিলাম।বের হয়ে আমরা দ্বীপের মাঝে এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়েছিলাম। তারপর আমরা আবার দ্বীপের সৌন্দর্য উপভোগ করতে শুরু করলাম।
আমরা যখন দ্বীপের পাশে ছিলাম। তখন আমরা লক্ষ্য করেছি, দ্বীপের জঙ্গলের ভেতর থেকে বিভিন্ন ধরনের জীবজন্তুর আওয়াজ শুনতে পেলাম। বিশেষ করে শিয়ালের ডাক এবং আমরা লক্ষ্য করেছি একটি কাঠবিড়াল গাছের উপর বসে আছে।
এরপর আমরা সকল বন্ধু মিলে আবার নৌকার ভিতর প্রবেশ করেছিলাম।নৌকাটি ধীরে ধীরে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে,একটু গেলেই আমরা দ্বীপের শেষ প্রান্তে পৌঁছে যাব। আমাদের নৌকাটির দুই পাশে রয়েছে আরো পর্যটন যাত্রীদের নৌকা। এরপর আমরা দ্বীপের এক পাশে পৌঁছে গিয়েছিলাম। তারপর আমরা সেখানে নৌকা থেকে বের হয়ে, দ্বীপের আশেপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যগুলো উপভোগ করেছিলাম।আমরা আধা ঘন্টা ধরে সেখানে অবস্থান করেছিলাম। আমরা বিভিন্ন ফটোগ্রাফি করেছিলাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের। এখানে দ্বীপের পানি গুলো ছিল নীল বর্ণের এবং স্বচ্ছ যেন পানির ভিতর দিয়ে মাছগুলো দেখা যাচ্ছে।
আমরা পুরো বিকেলবেলা দ্বীপের বিভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগ করেছিলাম। তখন সন্ধ্যায় নেমে আসছিল, আমরা ধীরে ধীরে আবার আমাদের বাসস্থান যেখানে আমরা রাত্রে থাকি। সেখানের উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছিলাম। এরপর এক ঘন্টার ভিতর আমরা পৌঁছে গিয়েছিলাম আমাদের সেই জায়গায়। আসার সময় আমরা আশেপাশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যগুলো উপভোগ করেছিলাম এবং বিভিন্ন ফটোগ্রাফি করেছিলাম। তখন সন্ধ্যার সময় ছিল ৭:৩০ মিনিট।
আমরা এসেছিলাম আমাদের আবাসিক হোটেলে। আমরা প্রবেশ করেছিলাম আমাদের আবাসিক হোটেলের ভিতরে। আজকের মত এখানেই শেষ করছি,পরের সেই দারুন মুহূর্তগুলো আপনাদের সাথে আগামী নবম পর্বে শেয়ার করবো,, ইনশাআল্লাহ। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আজকের জন্যা বিদায়, আল্লাহ হাফেজ।
ফোনের বিবরণ!
| ক্যামেরা | VIVO Y81i |
| ক্যমেরা মডেল | vivo 1812 |
| ক্যাপচার | @hanif3206 |
| অবস্থান | কাপ্তাই লেক,পার্বত্য জেলা, রাঙ্গামাটি। |
রাঙ্গামাটি ভ্রমণের সুন্দর একটি পোস্ট আপনি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আপনার এই পোস্ট পড়ার মধ্য দিয়ে বেশ অনেক কিছু জানার সুযোগ মিললো আবার। এভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করতে আমারও খুবই ভালো লাগে। তাই আমিও সুযোগ পেলে দেশের বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত হয়ে যায় ভ্রমণ করার উদ্দেশ্যে।
share on x
https://x.com/HaniferMd/status/1806209315964952624?t=bFiTCkhkReSfgxu9M6T9pA&s=19