প্রকৃতির সান্নিধ্যে- মিনি চিড়িয়াখানা (পর্ব-১৩)
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও মোটামুটি ভালো আছি এবং চঞ্চল থাকার চেষ্টা করছি। সময়ের সাথে হৃদয়ের সখ্যতা এবং প্রকৃতির সাথে মনের সজীবতা যদি ধরে রাখতে পারি তাহলে চঞ্চলতা কিংবা হৃদয়ের ব্যাকুলতা ধরে রাখাটা কোন বিষয়ই না। এটা একদমই সত্য কথা, আমি তখন চাইলেও মন খারাপ করে থাকতে পারবেন না, দেখবেন কিভাবে যেন একটা চঞ্চলতা আপনাকে দারুণভাবে উজ্জীবিত করে রাখছে। আর এই কারণেই আমি প্রকৃতির সান্নিধ্য একটু বেশী ভালোবাসি।
আজকে প্রকৃতির সান্নিধ্যে- মিনি চিড়িয়াখানার তেরতম পর্ব শেয়ার করবো, হয়তো আর এক দুইটা পর্ব শেয়ার করতে পারবো তারপর এই ধারবাহিক সিরিজের ইতি টানবোত। কিন্তু মূল যে অনুভূতিটা তৈরী হয়েছিলো সেটার কিন্তু কোন ইতি হবে না, একটা অন্য রকম অনুভূতির চঞ্চলতা নিয়ে স্মৃতির পাতায় ঠিক থেকে যাবে এটা। আমরা যত কিছুই করি না কেন, একটা নির্দিষ্ট সময় পর সেটার প্রতি আমাদের আর আকর্ষণ থাকে না, একটা সীমা পার করার পর সেটাকে আমরা মনেও রাখতে চাই না, কিন্তু কিছু অনুভূতি থাকে, যা কখনোই আমরা ভুলতে চাই না।
ভ্রমণ কিংবা প্রকৃতির নিবিড় সান্নিধ্য এমন কিছু অনুভূতি তৈরী করে দিতে পারে, যার প্রভাবে সেই একই জায়গায় আপনাকে বার বার ছুটে যেতে হতে পারে, সেই অনুভূতি কিংবা আনন্দের মাত্রা বার বার ফিরে পেতে চাইতে পারেন। চিড়িয়াখানাটা খুব বেশী বড় ছিলো না, না বড় মানে আয়তন ছোট ছিলো না কিন্তু ভেতরের আয়োজনটা খুব একটা বড় ছিলো না। কিন্তু তার চাইতে বড় কথা হলো সতেজ প্রকৃতির ছায়া।
সেটা যথেষ্ট পরিমানে ছিলো, আমরা যখন ফিরে আসতে শুরু করলাম, চারপাশের সব কিছু উপভোগ করে পুনরায় সেই পথের দিকে আগাতে থাকলাম, যেখান দিয়ে শুরুতে দারুণ একটা আগ্রহ নিয়ে প্রবেশ করেছিলাম। তখনও দেখলাম মানুষ ভেতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করছেন। আর যারা আগে প্রবেশ করেছিলেন তারা তখনও চারপাশের প্রকৃতির সান্নিধ্য উপভোগ করার চেষ্টা করেছিলেন।
সত্যি বলতে তখনও আমাদের বের হতে মন চাইছিলো না, আরো কিছুটা সময় এমন পরিবেশে, প্রকৃতির সতেজতার ছায়ায় থাকতে ইচ্ছে করেছিলো। এমন সুন্দর ও সতেজ নিঃশ্বাস নেয়ার পরিবেশে থাকতে পারাটাও দারুণ একটা বিনোদন, যেখানে চারপাশে শুধু বিষাক্ত ছায়ার অস্থিরতা, যেখানে সতেজ বলতে শুধুই কৃত্রিমতা, আর ভেজারের বিশাল মিছিল, সেখানে এমন পরিবেশ সত্যি দারুণ কিছু।
তারিখঃ মার্চ ২৬, ২০২৬ইং।
লোকেশনঃ সাভার, ঢাকা।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।
|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||


>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Your honest reflection on the impermanence of experiences resonates deeply with me. It's beautiful how you cherish the memories of the mini zoo, and I'm eager to read the next part of this story!
Hello! 👋
I hope you have a chance to read my latest post about the Steem Virtual Machine (SVM) and SHERPA, and how they can expand the STEEM ecosystem with native DeFi, SocialFi, and full EVM compatibility.
I'd love to hear your thoughts:
Read the Whitepaper
You're also welcome to join the SVM – EVM on STEEM community for more technical articles and developer discussions:
SVM Community
You can also join our Discord community to chat with us and follow development:
Join our Discord
Thank you for your time and support! 🚀