বন্ধুরা, কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন।যদিও আমি কিছুটা অসুস্থ অবস্থায় আছি।তার উপরে আবার এক্সামের চাপ ।যাইহোক মূল বিষয়ে ফিরে আসা যাক---।
"প্রথমবার সামুদ্রিক কাঁকড়া খাওয়ার অনুভূতি ও কাঁকড়া ভাজি রেসিপি":


বন্ধুরা, আজ একদম ভিন্ন ধরনের একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে।আজ তৈরি করেছি সামুদ্রিক কাঁকড়া ভাজি রেসিপি।প্রথমবার কোনো জিনিস খাওয়া বা স্বাদ গ্রহণ করার মজাই আলাদা।আসলে জীবনের প্রথমবার সামুদ্রিক কাঁকড়া খাওয়ার সুযোগ পেলাম।ছোটবেলা থেকেই নানা জাতের কাঁকড়া খেয়েছি।তবে সবই চেনা দেশীয় কাঁকড়া।যেমন-দেশীয় বড় কাঁকড়া দিয়ে তৈরি রেসিপি আমার এখানে শেয়ার করাও রয়েছে।যাইহোক এই কাঁকড়াগুলি দীঘার সমুদ্র সৈকতেই বেশি পাওয়া যায়।শুনেছি এই কাঁকড়াগুলি খেতে ভারী টেস্টি এবং দেখতেও অনেক সুন্দর।দেশীয় বড় কাঁকড়া এক রংয়ের হলেও সামুদ্রিক কাঁকড়াগুলি সম্পূর্ণ আলাদা এবং রংবেরঙের দেখতে।তবে সকলেই এই কাঁকড়া খোসাসহ গোটা রেখেই ভাজি করে খেয়ে থাকে।কিন্তু যেহেতু এটা আমাদের প্রথমবার খাওয়া তাই ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিয়েছি।তাছাড়া এই কাঁকড়াগুলি হঠাৎ করেই বর্ধমান শহরের বাজারেই পেয়েছিলাম তাই কিনে নিলাম।আসলেই খুবই টেস্টি খেতে,আমাদের দেশীয় বড় কাঁকড়ার থেকেও একটু মিঠে স্বাদের হয়ে থাকে।আশা করি আমার অনুভূতি ও রেসিপিটি ভালো লাগবে আপনাদের সকলের কাছে।তো চলুন শুরু করা যাক---

◆সামুদ্রিক কাঁকড়া
◆লবণ
◆হলুদ
◆জল( পরিমাণ অনুযায়ী)
ধাপঃ 1

প্রথমে আমি কাঁকড়াগুলিকে ভালোভাবে ধুয়ে পরিস্কার করে নেব।
ধাপঃ 2

এরপর একটি পরিষ্কার কড়াই ধুয়ে চুলার মিডিয়াম আঁচে বসিয়ে দেব।কড়াইয়ের মধ্যে একটু জল দিয়ে পরিমাণ মতো লবণ, হলুদ দিয়ে ফুটিয়ে নেব জল।
ধাপঃ 3

লবণ ও হলুদ মিশ্রণ জলের মধ্যে পরিষ্কার করে রাখা কাঁকড়াগুলি দিয়ে দিলাম।
ধাপঃ 4

এরপর কাঁকড়াগুলি নেড়েচেড়ে নেব।
ধাপঃ 5

কাঁকড়াগুলো কড়া করে ভেজে একটি পাত্রে তুলে নিলাম ।
শেষ ধাপঃ

তো তৈরি করা হয়ে গেল আমার সামুদ্রিক কাঁকড়া ভাজির রেসিপি।এখন এটি পরিবেশন করতে হবে।এটা খুবই টেস্টি ও মজার খেতে হয়েছিল।
আশা করি আপনাদের সকলের কাছেও ভালো লাগবে আমার আজকের অনুভূতির রেসিপিটি।সকলে ভালো থাকবেন ও সুস্থ থাকবেন।
পোস্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | রেসিপি |
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |

আমি রিপা রায়।আমার স্টিমিট ইউজার আইডি
@green015.আমি একজন ভারতীয়।আমি একজন বাঙালি হিসেবে গর্ববোধ করি।আমি অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।বাংলা ভাষায় মন খুলে লেখালেখি করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।

আমি সবসময় ভিন্নধর্মী কিছু করার চেষ্টা করি নিজের মতো করে।কবিতা লেখা ও ফুলের বাগান করা আমার শখ।এছাড়া ব্লগিং, রান্না করতে, ছবি আঁকতে,গল্পের বই পড়তে এবং প্রকৃতির নানা ফটোগ্রাফি করতে আমি খুবই ভালোবাসি।
Posted using SteemPro Mobile
আমার জীবনে আমি কখনোই কোন কাঁকড়া খাইনি।কেন জানি দেখতে বেশ ভয় লাগে। তবে শুনেছি কাঁকড়া ভাজি খেতে বেশ মজা।যাই হোক আপনি জীবনে প্রথম সামুদ্রিক কাঁকড়া খেয়ে ছেন এবং তার রান্নার রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। ভালো লাগলো।ধন্যবাদ
আপু,আসলেই ভীষণ মজার খেতে কাঁকড়া।না খেলে হয়তো কখনো বোঝা যাবে না, ধন্যবাদ আপনাকে।
কক্সবাজার ঘুরতে গিয়ে কাকড়া খেয়ে ছিলাম। সামুদ্রিক কাঁকড়া গুলো দেখতে এতটাই সুন্দর তার পাশাপাশি খেতে অনেক সুস্বাদু । আপনার প্রথম সামুদ্রিক কাঁকড়া খাওয়ার অনুভূতি এবং খুব সুন্দর করে আমাদের মাঝে রেসিপি শেয়ার করেছেন ভালো লাগলো।
আপনি ঘুরতে গিয়ে কাঁকড়া খেয়েছিলেন জেনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ ভাইয়া।
কাকড়া কখনো খাইনি শুনেছি খেতে ভালো লাগে অনেক।আর আপনি জীবনে প্রথম সামুদ্রিক কাকড়া ভাজি খেলেন জেনে ভালো লাগলো আপু।ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
সুযোগ পেলে অবশ্যই খেয়ে দেখবেন আপু,ধন্যবাদ আপনাকে।
আমি কখনোই কাঁকড়া খাইনি৷ তবে আজকে আপনার এই রেসিপিটি দেখে এটি খাওয়ার প্রতি একটু আগ্রহ জন্ম নিল৷ খুবই ভালোভাবে আপনি এটি রেসিপিটি শেয়ার করেছেন। একইসাথে এটি দেখতেও একদম সুন্দর দেখা যাচ্ছে৷ এর ডেকোরেশনেও খুবই ভালোভাবেই তুলে ধরেছেন।
সুযোগ পেলে অবশ্যই খেয়ে দেখবেন ভাইয়া,ভীষণ টেস্টি খেতে।ধন্যবাদ আপনাকে।
একদম ঠিক বলেছেন আপু প্রথমবার কোন জিনিসের স্বাদ গ্রহণ করার মজাই আলাদা। প্রথমবার আপনি সামুদ্রিক কাঁকড়া খেয়েছেন যেনে অনেক ভালো লাগলো। অনেক সুন্দর ভাবে আপনি কাঁকড়া ভাজির রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক মজা হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে
@bobitabobi আমার এই পোষ্টে আপনার ডাউনভোট পড়েছে।আপনি হয়তো ভুলবশত দিয়ে ফেলেছেন, তুলে নিলে খুশি হতাম।
আমি কখনোই কাঁকড়া খাই নি। টেস্ট কেমন সে সম্পর্কে অবগত নয় তবে শুনছি চিংড়ি মাছ এর মতই কিছুটা টেস্ট। প্রথম সামুদ্রিক কাঁকাড়া টেস্ট করেছে। যাইহোক রেসিপিটি দেখেও ভালো লাগছে।
আপু ঠিকই বলেছেন, গলদা চিংড়ির মতোই কিছুটা কাঁকড়ার স্বাদ।তবে গলদা চিংড়ির থেকে শাসগুলি একটু নরম হয়ে থাকে।ধন্যবাদ আপনাকে।
একবার রেস্টুরেন্টে গিয়ে কাঁকড়া খেয়ে ছিলাম বেশ ভালোই লেগেছিল খেতে। কাঁকড়া ভাজি খেতেও বেশ ভালো লাগে। তবে নিজে কখনো তৈরি করে খায়নি। আপনি প্রথম সামুদ্রিক কাঁকড়া নিজে রান্না করে খেলেন শুনে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু।
একবার নিজেও তৈরি করে খেয়ে দেখবেন ভাইয়া, আশা করি ভালো লাগবে।ধন্যবাদ আপনাকে।