"গরমের তীব্রতা"
নমস্কার
গরমের তীব্রতা:
এখন চলছে গ্রীষ্মকাল।যেটা আমার একেবারেই পছন্দ নয়।হয়তো আমার মতো অনেকের এই গ্রীষ্মকাল পছন্দ নয়।যদিও রোদের তীব্রতা আগে কম থাকতো কিন্তু দিন যত এগিয়েছে গরমের তীব্রতা ততই বাড়ছে।যেটা বাচ্চা থেকে শুরু করে বড়দের জন্য ও খুবই অস্বস্তিকর।একেক জনের আবার একেক মত এই গরম সম্পর্কে।কেউ বলছেন--আম-কাঁঠাল পাকানো গরম পড়ছে।আসলে আম-কাঁঠাল কি সব একবারে পাকিয়ে দেবে এই গরম আমি ঠিক বুঝি না বাপু!
আসলে শীতকালে সর্দি,কাশি আর ঠান্ডা লাগার ভয় থাকে, আবার বর্ষাকালে কাদাজল আর জোকের ভয় থাকে কিন্তু গরমকালে যেন সব পুড়িয়ে দেয়।গায়ের ঘাম নিংড়ে বের করে শরীর থেকে তার উপর আবার সব জিনিস আগুন।আসলে এর জন্য দায়ী কে?মানুষ সর্বশ্রেষ্ঠ জীব।তাদের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে উন্নত বিশ্ব সৃষ্টি হচ্ছে,আধুনিকতার ছোঁয়া লাগছে সবকিছুতে।কিন্তু কালের অবনতি বা পরিবর্তন ঠিকই ঘটছে,গরমের এমন বীভৎস রূপ মানুষের জন্যই হচ্ছে।আমরা যদি অতীত ঘেঁটে দেখি ,তখন সবই স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল।এমনকি গরমের তীব্রতা কম ছিল, ঠান্ডার প্রভাব কম ছিল এমনকি ঝড়-বৃষ্টি ও কম ছিল।কিন্তু এখন সবকিছুই বৃদ্ধি পেয়েছে অতিরিক্ত গাছ কেটে ফেলার কারনে।এত গরমে মানুষের সঙ্গে সঙ্গে পশু-পাখিরাও ক্লান্ত,নাজেহাল।
গরমের তীব্রতা দেখে শেষমেশ আমাদের মুখ্যমন্ত্রী এক সপ্তাহের জন্য স্কুল ও কলেজ ছুটি ঘোষণা করেছেন।অনেক স্টুডেন্ট অসুস্থ হয়ে পড়েছে এই গরমে তাই এই সিদ্ধান্ত।তাছাড়া গরমের একমাত্র সঙ্গী ছাতা সেটাও যেন মানায় না এখন।প্রকৃতির বিশুদ্ধ হাওয়াও যেন এখন অগ্নিঝরা ঢেউ। সকাল আটটার পর থেকে ঘরের বাইরে বের হওয়াটা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে মানুষের জন্য।একটু বৃষ্টির দেখা ও মেলে না, আসলে এইরকম আবহাওয়াতে মানুষের শরীর অনেকখানি ক্লান্ত হয়ে যায়।তাই বেশি বেশি জল পান করা উচিত।যাইহোক এক সপ্তাহ গরমের ছুটি পেয়ে কিছুটা স্বস্তি পেলাম।
লেখাগুলো নিতান্তই আমার মনের অনুভূতি, সেটাই মন খুলে প্রকাশ করলাম মাত্র।যাইহোক আশা করি আমার আজকের লেখা ভাবনাগুলি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে।পরের দিন আবার নতুন কোনো বিষয় নিয়ে হাজির হবো, ততক্ষণ সকলেই ভালো ও সুস্থ থাকবেন।
টুইটার লিংক
দিদি প্রথমে আপনার সুস্থতা কামনা করি ৷ আসলে বর্তমান সময়ে যে পরিমান রোদ গরম তাতে জনজীবন অতিষ্ঠ ৷কমবেশি সবাই অসুস্থতায় ভুগছে ৷
আসলে একেক ৠতু তে একেক রকম সমস্যা থেকেই যায় ৷ আর যার সবকিছুর জন্য দায়ী মানুষ ৷
ঠিক বলেছেন দাদা,ঋতু পরিবর্তনের জন্য অসুবিধা হয়।ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার সুস্থতা কামনা করছি আসলে যে পরিমাণ গরমের তীব্রতা বাড়ছে দিন দিন এই গরমের মধ্যে সুস্থ থাকাটা এক ধরনের যুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের জন্য।।
পানি নিয়ে নিচের দিকে চলে গেছে মাঠঘাট সব শুকিয়ে চৌচির হয়ে যাচ্ছে আর এত পরিমান গরম এর মধ্যে খেটে খাওয়া মানুষের কষ্টগুলো আরো বেড়ে গিয়েছে।।
ধন্যবাদ আপনাকে সমসাময়িক একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।।
ঠিক বলেছেন, দুস্থ খেটে খাওয়া মানুষের জন্য কষ্টকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
আপু প্রথমেই আপনার সুস্হতা কামনা করছি। আসলে আপু এই গরমে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সত্যি কোথাও বৃষ্টির দেখা মিলছে না। সর্দি কাশি হলেও আমাদের শীতকাল ভাল। আম কাঁঠাল তো এখন তেমন বড়ই হয় নি আর পাকবে কোথা থেকে। যাইহোক অবশেষে কিছু দিন ছুটি পেয়েছেন জেনে অনেক ভালো লাগল। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
কোনো কোনো এলাকায় পরিপক্ক হয়ে গেছে আম -কাঁঠাল আপু।ধন্যবাদ আপনাকে।
এই গরমে আসলে সবাই অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে।প্রথমে আপনার সুস্থতা কামনা করছি দিদি।এই গরমে সবাই আসলে সিক হয়ে যাবে। স্কুল,কলেজ বন্ধ করে দেয়াতে খুব ভালোই হল।এই গরমে বাইরে না গেলে তাও কিছু ভাল থাকা যায়। আশাকরি খুব শীঘ্রই বৃষ্টি হবে পৃথিবীকে শীতল করতে।ধন্যবাদ আপনাকে।
বৃষ্টির আশাতে আমরাও সবাই, ধন্যবাদ আপু।
আসলেই আপু গরমের তাপমাত্রা এত বেশি বাড়ছে যে সবকিছু অসহ্য লাগছে। এই গরমের কথা চিন্তা করে স্কুল কলেজেও এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ দিয়েছে এটা একদম ঠিক করেছে কারণ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে। চারপাশের পরিবেশ উষ্ণ হওয়া দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতি আসলেই খারাপ লাগছে।
দিন দিন প্রকৃতি বিকট রূপ ধারণ করছে যেন ।ধন্যবাদ আপনার মতামত তুলে ধরার জন্য আপু।
দিদি প্রথমে আপনার শারীরিক সুস্থতা কামনা করছি। এই গরমে ছোট বড় থেকে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এই গরমের সাথে যুদ্ধ করে আমাদের টিকে থাকতে হচ্ছে। বৃষ্টির জন্য মানুষের এত হাহাকার কিন্তু বৃষ্টি মিলছে না। তারপরও এই গরমে একটু রক্ষা পাওয়া গেল স্কুল-কলেজ বন্ধ হওয়াতে। ধন্যবাদ দিদি সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য ।
ধন্যবাদ আপু,আমার সুস্থতা কামনা করার জন্য।
আপু গরমের তীব্রতা দেখে আর কি বলবো কিছু বলার নেই। গরমের কারনে না ঘুমাতে পারছি,না বসতে পারছি,না শুতে পারছি। দিনে তিনবার গোসল করেও শরীরের ঘাম শেষ হয় না। কবে যে তাপমাত্রা কমে সৃষ্টিকর্তাই জানে। ধন্যবাদ আপু।
একদম তাই,আসলে মানুষের অসচেতনতার জন্য এইসব হচ্ছে।তাই পরিনতিতে ভুগতে ও হচ্ছে, ধন্যবাদ আপনাকে।