"বৃষ্টিকালীন কিছু দৃশ্যের ফটোগ্রাফি"
নমস্কার
বৃষ্টিকালীন কিছু দৃশ্যের ফটোগ্রাফি:
ফটোগ্রাফি করাটাও একটি আর্ট।প্রথমত ফটোগ্রাফি করাটা পছন্দসই না হলেও এখন বেশ ভালো লাগে আমার ফটোগ্রাফি করতে।ততটা পারদর্শী না হলেও ফটোগ্রাফির প্রতি আলাদা একটা টান কিন্তু কাজ করেই থাকে আমার।তাছাড়া চেষ্টা করছি প্রতিনিয়ত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য।তাইতো যখনই সুন্দর কিছু চোখে পড়ে তখনই ছুটে যাই প্রকৃতির কাছে ফটোগ্রাফি করতে।কিন্তু এই ফটোগ্রাফিগুলি সৌন্দর্য্যের কারনে করিনি শুধুমাত্র মুহূর্তগুলি স্মৃতি হিসেবে তুলে ধরার জন্য করেছি।তাই আজ শেয়ার করবো-"বৃষ্টিকালীন কিছু দৃশ্যের ফটোগ্রাফি"।আশা করি ফটোগ্রাফিগুলো ভালো লাগবে আপনাদের সকলের কাছে।যাইহোক তো আর কথা না বাড়িয়ে চলুন ফটোগ্রাফিগুলি দেখে নেওয়া যাক----
বন্ধুরা, কয়েকদিন ধরেই বেশ ব্যস্ততা চলছে আমার।সব গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করলাম,কিন্তু এখনো ফাইনাল সেমিস্টারের মার্কশিট হাতে পায়নি।তারজন্য এত মুশকিল, আসলে বর্ধমান ইউনিভার্সিটি সবকিছুতেই লেট করে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।তবে হ্যাঁ, আমি কিন্তু নিজের ইউনিভার্সিটির বদনাম করছি না।যেটা সত্য সেটাই বললাম, যাইহোক এখন আবার বর্ধমান ইউনিভার্সিটিতে এম. এ ভর্তি হলাম।তাই যেহেতু আমরা হার্ডকপি পায়নি ফাইনাল সেমিস্টারের মার্কশিটের সেহেতু আমাদের অনলাইন থেকে রেজাল্ট এর একটি প্রিন্টআউট বের করে কলেজ থেকে প্রিন্সিপাল ম্যামের সিগনেচার নিতে হচ্ছে তার উপরে।
কি আর করা! বেরিয়ে পড়লাম ঝকঝকে তীব্র রোদ্রউজ্জ্বল আবহাওয়াতে।আবার 3 তারিখে ভেরিফিকেশন হবে তাই যাওয়াটা জরুরি ছিল।অন্যদিকে হার্ডকপি না হলে কলেজ থেকে লিভিং ছার্টিফিকেটও দেবে না।আমাদের কলেজ যেহেতু বর্ধমান ইউনিভার্সিটির আন্ডারে তাই হার্ডকপির প্রিন্টআউট দিয়েই কাজ চালানো যাবে।কলেজ গিয়েই দেখলাম অন্যান্য ডিপার্টমেন্ট থেকেও মেয়েরা এসেছে।তারপর প্রিন্টআউটটি সকলের সঙ্গে জমা দিলাম একজন স্যারের কাছে।
আগের পোষ্টগুলোতে বলেছি আপনাদের,আমাদের সৌরবিদ্যুৎ এ ঠিকমতো চার্জ হচ্ছে না এমন মেঘলা ও বৃষ্টি আবহাওয়াতে।তাই দূরের এক প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে আমার দাদা মাঝে মাঝেই ফোন ও লাইটে চার্জ দিয়ে নিয়ে আসে।কলেজ পৌঁছেই দেখি ফোনে 1% চার্জ রয়েছে।তাই আমাদের হিস্ট্রি ডিপার্টমেন্ট এর একটি রুমে বসে বেশ খানিকক্ষণ চার্জ দিয়ে নিলুম ফোনে।আর মাঝে মাঝেই অফিসরুমে গিয়ে চেক করে আসছিলাম সিগনেচার হয়েছে কিনা!
অনেকটা সময় পর অবশেষে একটি সিগনেচার নেওয়ার কাজ সম্পন্ন হলো।তারপর জেরক্স সেন্টারে গিয়ে কিছু কাগজ জেরক্স করে নিলাম।ফোনে আরো একটু চার্জ দেওয়ার জন্য বসে রইলাম।কিন্তু কিছুক্ষণ পর থেকেই খুবই মেঘ ডাকতে শুরু করলো তাই বেরিয়ে পড়লাম টোটো ধরতে।টোটোওয়ালা বেশ খানিকক্ষণ দেরি করে টোটো ছাড়লে শুরু হলো প্রচন্ড বৃষ্টি।আমি তো বেশ খানিক ভিজেই ট্রেন স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে এসে পৌঁছালাম।3.15 এ ট্রেন কিন্তু তখন 3.17 বেজে গিয়েছিল, তারপরও আমি আশা রেখেছিলাম মনে।তাই সেই আশা নিয়ে 3 নং প্লার্টফর্মে গিয়ে দেখি তখনও ট্রেন দাঁড়িয়ে রয়েছে।তাই লেডিস পর্যন্ত না গিয়েই জেন্সে উঠে পড়লাম।ততক্ষনে ছাতা থাকা সত্ত্বেও আমি অর্ধেক ভিজেই গেলাম।বৃষ্টির দৃশ্য দেখতে দেখতে আমাদের স্টেশনে নেমে পড়লাম।শুরু হলো তুমুল বৃষ্টির সঙ্গে একের পর এক বজ্র পড়ার আওয়াজ।বৃষ্টি কিছুটা কমলে আমাদের স্টেশন থেকে কয়েকটি ছবি তুললাম।
বৃষ্টিতে সবাই আশ্রয় নিয়েছিল প্লার্টফর্মের ছাউনির নীচে।প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলি ভালোই লাগছিল দেখতে তবে কানফাটা আওয়াজে একটু এলোমেলো ছিল সবই।তারপর টোটো ধরে সোজা বাড়ির দিকে চলে আসলাম।দাদাকে ফোন দিতেই বললো আমি পথে।তাই ওর জন্য দেরি করে আমাদের বাড়ির কিছুটা সামনে পিচ রাস্তায় দাঁড়াতেই ফসলের মাঠে চোখ রাখলাম।দেখলাম একটি লাল কুকুরের মতো দুপুরে কি যেন ঘোরাফেরা করছে ভালোভাবে দেখলাম আইল ধরে আমার দিকেই এগিয়ে আসছে।তারপর বুঝলাম এটা তো খ্যাক শিয়াল।সুন্দরভাবে পোজ দিতেই ছবি তুললাম কয়েকটা তারপর পালিয়ে গেল ধান ক্ষেতের মধ্যে।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান,পালসিট |
| আমার পরিচয় |
|---|
শুধুমাত্র স্মৃতিগুলো ধরে রাখার জন্য আপনি বৃষ্টিকালীন কিছু দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করেছেন জেনে আমার খুবই ভালো লাগলো। তবে বৃষ্টির সময় আলোটা অনেক সুন্দর থাকে যার কারণে ফটোগ্রাফিগুলো অনেক সুন্দর দেখায়। যার বাস্তব প্রমাণ আপনার আজকের এই ফটোগ্রাফিগুলো। আপনার প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপু আপনার স্মৃতিগুলো ধরে রাখার জন্য সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফিগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
এই বর্ষার দিনে এই একটা মাত্র সমস্যা। কেননা বর্ষা হলেই তো বাড়িতে কারেন্ট চলে যায়। আর সেটাই যদি গ্রামাঞ্চলের দিকে হয় তাহলে তো কারেন্ট আসার নামই নেয় না। যাইহোক আপনি স্টেশনের পাশের এই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করলেন এবং প্রত্যেকটা ছবি সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের ধারণা দিলেন। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
বৃষ্টি আমার বেশ প্রিয়। বৃষ্টির সময় প্রকৃতি তার নতুন রূপ ফিরে পায়। আর এমন সময় বৃষ্টির দৃশ্যগুলো দেখতে কিন্তু আমাদের সবার বেশ ভালো লাগে। আপনি কিন্তু দারুন করে আজকের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। আমার কাছে প্রতিটি ফটোগ্রাফি অপরূপ মনে হয়েছে। ধন্যবাদ দিদি।
বৃষ্টি হবার পর প্রকৃতি যেন নতুন রূপ ধারণ করে মনে হয়। বৃষ্টি কালীন অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি ধারণ করেছেন আপু। আপনার ধারণ করার প্রতিটি ফটোগ্রাফি ভীষণ ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
বৃষ্টির সময় মুহূর্তটা অনেক সুন্দর থাকে আর সেই সুন্দর মুহূর্তটাকে আপনি ক্যামেরাবন্দি করেছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম । প্রকৃতির সৌন্দর্য গুলো দেখলে আসলেই অনেক ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপু দারুন একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
খুব সুন্দর হয়েছে ফটোগ্রাফি গুলো। আসলে বৃষ্টি শেষ হওয়ার পর যখন সমস্ত কিছু স্তব্ধ হয়ে যায়। বৃষ্টিতে ভেজা সবুজ ঘাস অনেক সুন্দর লাগে। ধান ক্ষেতের ফটোগ্রাফি গুলো দারুন হয়েছে সেই সাথে খ্যাক শেয়াল ফ্রি। খুব সুন্দর ভাবে ফটোগ্রাফি গুলো উপস্থাপনা করেছেন । ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
সমস্যার কারণে পোস্ট কমেন্টস করা সত্যি অনেক মুশকিল হয়েছে। আপু আপনি বর্ষাকালীন বিভিন্ন সৌন্দর্য অনেক সুন্দর করে তুলে ধরেছেন। ফটোগ্রাফি গুলো অনেক ভালো লেগেছে। চমৎকার সব ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আপনি।
প্রকৃতির ছবিগুলো বেশি ভালো লেগেছে। বৃষ্টির পর প্রকৃতি নববধূর মত হয়ে যায়। তাজা এবং চিরসবুজ টাইপ! কুকুরটাকে প্রথমে শেয়াল ভেবেছিলাম। যাইহোক, সুন্দর কিছু ছবি দেখলাম।
বাহ আপু আপনি তো বৃষ্টি কালীন সময় বেশ চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। আসলে সব ফটোগ্রাফি কিন্তু ফটোগ্রাফি নয় কিছু ফটোগ্রাফি মুহূর্তগুলি স্মৃতি করে রাখে। অনেক সময় অনেক ফটোগ্রাফি মানুষের জীবনের স্মৃতি হয়ে থাকে। তবে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো সত্যিই অসাধারণ হয়েছে। এবং ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর করে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন।
বর্ষাকালীন সময়ে চারপাশের দৃশ্যগুলো অনেক সুন্দর লাগে দেখতে। সবুজ শ্যামল প্রকৃতি যেন আরো বেশি সুন্দর হয়ে ওঠে। অনেক শীতল থাকে চারপাশের পরিবেশ। আপনি অনেক সুন্দর করে কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। বর্ষাকালীন দৃশ্যগুলো দেখতে অনেক ভালো লাগছে। এত সুন্দরভাবে শেয়ার করেছেন দৃশ্যগুলো ভালোভাবেই উপভোগ করলাম।