"কৃষ্ণসায়র ফুলমেলা"(রকমারী চুড়ির ফটোগ্রাফি পর্ব : 14)
নমস্কার
"কৃষ্ণসায়র ফুলমেলা"
রকমারী চুড়ির ফটোগ্রাফি পর্ব : 14
বসন্তকাল শেষ হয়ে গ্রীষ্মকাল চলছে।তবে শীতকালেই দেখা যায় প্রচুর পরিমাণে নানান রঙিন ফুলের সমাহার।দেখলে যেন চোখ জুড়িয়ে যায়।আর আমি সেই শীতকালেই সংগ্রহ করেছিলাম নানারকমের শেয়ার করা ছবিগুলো।তো আমাদের বর্ধমান ইউনিভার্সিটি ও কৃষ্ণসায়র উৎসব কমিটির যৌথ উদ্যোগে একটি ফুলের মেলার আয়োজন করা হয়।যেখানে কৃষি-শিল্প-চিত্র ও পুষ্প সব মিলিয়ে জমজমাট এক মিলনমেলা দেখতে পাওয়া গিয়েছিল।এই ফুলের মেলায় অনেক দোকান পাট বসেছিলো।কাঠের চেয়ার থেকে শুরু করে, পোশাকসহ বিভিন্ন কসমেটিকস এর দোকান বসেছিলো।যেখানে মেয়েদের সাজ-সরঞ্জামের জিনিস বেশি ছিল। তো আমি কিছু কসমেটিকস এর দোকান থেকে রকমারী চুড়ির ফটোগ্রাফি করেছিলাম,যেটি আজ শেয়ার করবো।আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের কাছে রকমারী চুড়ির ফটোগ্রাফিগুলি।তো চলুন শুরু করা যাক---
রকমারী চুড়ির ফটোগ্রাফি:
এই মেলাটি হয়েছিল কৃষ্ণসায়র পার্কে।আর প্রতিবছর এই মেলাটি হয়ে থাকে।মূলত এটি ফুল মেলা হলেও হরেক রকমারি জিনিস পাওয়া যায়।তবে মজার বিষয় হচ্ছে ফুলের গাছ এখানে বিক্রি না হলেও কসমেটিকসসহ,কাঠের আসবাবপত্র ও পোশাক এগুলো বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয়।
এই পার্কের মধ্যে রয়েছে বিশাল বড় একটি ঝিল।ঝিলের চারিদিকে মেলা বসে গাছের নিচে প্রকৃতির মাঝে।আবার একটি পাশে পাহাড়ের মতো কিছু দৃশ্য উপভোগ করা যায়।আমরা সব বন্ধুরা মিলে চারিদিকে ঘুরছিলাম,ছবি তুলছিলাম।তখন অনেক কসমেটিকস এর দোকান চোখে পড়ছিলো যেখানে আমাদের এক বন্ধু চুড়ি কিনবে বলে বলেছিলো।
তারপর সব দোকান ঘুরে ঘুরে আমরা চুড়ি দেখছিলাম।যেখানে নানা ধরনের চুড়ি ছিল।আর সবগুলোই এতটাই সুন্দর ছিল ,মনে হচ্ছিলো কিনে নিই।ছোটবেলা থেকেই চুড়ির উপর আমার একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করে ।কারন যখনই মেলায় যেতাম ছোটবেলায় তখনই মা আমাকে আগে চুড়ি কিনে দিতো।দুই হাতে চুড়ি পড়ে আমি অনেক খুশি হয়ে যেতাম তখন কিন্তু এখন কেন জানি মন চাইলেও আর পরা হয় না।
এখানে বেশ কিছু কাপড়ের চুড়ি ছিল, কাঁচের চুড়ি,রেশমি চুড়ি, অক্সিডাইসের চুড়ি,পুঁতির চুড়ি,স্প্রিং জাতীয় নানা ধরনের চুড়ি ছিল।তবে এখন কাপড়ের তৈরি চুড়ি ও অক্সিডাইসের চুড়িগুলি বেশি চলে।কারন এগুলো সবকিছুর সঙ্গে মানানসই ,শাড়িসহ বিভিন্ন কিছুর সঙ্গে পড়া যায়।কাপড়ের চুড়িগুলি নানা রঙের ছিল।
আমার এক বন্ধু গলার হাড় ও একজোড়া কানের দুল কিনে নিলো।আর এক বন্ধু হাতে পড়ার জন্য বড় পুঁতির চুড়ি নিয়ে নিলো।তবে এগুলোর দাম তুলনামূলকভাবে বেশি চাইছিলো,তাছাড়া দিনের বেলা হওয়াতে অনেক দোকান বন্ধ ছিল।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|
টাস্ক প্রুফ:
কমেন্টস লিংক--
https://x.com/green0156/status/1913423361239097462
https://x.com/green0156/status/1913423912823673070
https://x.com/green0156/status/1913425778525548569
https://x.com/green0156/status/1913427234829849029
টুইটার লিংক