আমার বাড়ির শান্তির প্রতীক কবুতর!!!
আজ ৩ই - মাঘ ১৪২৯ , বঙ্গাব্দ | শীতকাল |
নমস্কার - আদাব। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভালো আছেন।
যাহোক বরাবরের মতো আজকে আপনাদের মাঝে হাজির হইলাম নতুন একটি ইউনিক ব্লগ নিয়ে ৷ আসলে গ্রামে প্রচুর পরিমাণে শীত যা আসলে বলার বাইরে ৷ আসলে কোনদিন কম আবার কোনদিন অনেক বেশি শীত৷ যা আসলে পরিবেশ খাপ খাইয়ে নেওয়াই অনেকটা অনেকটা কষ্টের হয়ে যাচ্ছে৷
যাই হোক আমি গ্রামে থাকি বা বা গ্রামেরই একজন সাধারণ মানুষ৷ আজকের ব্লগটি হবে আমার গ্রামের কবুতরের একটি ব্লগ নিয়ে ৷ আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো আসলে আমি গ্রামে থাকি বিধায় গ্রামের ঐতিহ্যবাহী কিছু আলোচিত্র প্রতিনিয়তই আপনাদের মাঝে শেয়ার করে যাচ্ছি ৷ আর আমাকে গ্রামের এসব আলোকচিত্র গুলোই তুলে ধরতেই অনেকটাই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ লাগে ৷ আমি হয়তো প্রতিনিয়ত বলি যে আমি যে কোন বিষয়কে নিয়ে সেটার উপলব্ধি এবং অনুভূতি নিয়েই লিখতে বেশি ভালোবাসি৷
আর গ্রামকে আমি তো সর্বদাই ভালোবাসি ৷ কারণ গ্রামের প্রতিটি মুহূর্ত এমনকি তার সাথে গ্রামের এক অনন্য পরিবেশের যা আমাকে প্রতিনিয়তই মুগ্ধ করে৷
আপনারা নিশ্চয় টাইটেলের শুরুতেই বুঝতে পেরেছেন আমি কি পোস্ট শেয়ার করতে চলেছি ৷ এবং কি ছবিটি নিশ্চয়ই খুব ভালোভাবেই দেখতে পাচ্ছেন৷
গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই বলা যায় কবুতর পালন করে থাকে ৷ বলতে গেলে ৭০% বাড়িতেই কবুতর পালন করে৷ ঠিক যেমন আমার বাড়িতে আমার প্রধান শখের মধ্যেই হল কবুতর পোষা ৷ যদিও প্রথম দিকে
কবুতর পালন করতে অনেকটাই কষ্ট করতে হয়েছে ৷ বলতে গেলে প্রায় বেশ কয়েকবার খাঁচা বানিয়ে ঘরের দেয়ালে চিলেকোঠায় ঘর বানিয়ে দেওয়ার পরেও কবুতর পালন করতে পারি নি ৷ কিন্তু সেই কবুতর আর এই চিলেকোঠায় বা ঘরেই থাকে নি উড়ে গেছে অন্যথায় অন্য কোথাও ৷ প্রায় তিন থেকে চারবার আমি টাকা খরচ করে কিনে এনেছিলাম৷ কিন্তু তাতেও কোন লাভ হয় নি ৷
এর কারণ কি তা বলতে হয় ৷ আসলে কবুতর হলো এমন একটি পাখি যা আসলে সবার বাড়িতেই পোষ মানে না ৷ তারা যখন তখন অন্যথায় উড়ে গিয়ে অন্য কারো বাড়িতে অন্য কবুতরের সাথে বাসা বাধে৷ তাই সবার বাড়িতেই কবুতর থাকে না ৷কবুতর হলো শান্তির প্রতীক যে বাড়িতে শান্তি-শৃঙ্খলা থাকে ৷ঠিক সেই বাড়ি থেকে কবুতর থাকে বা পালন হয় ৷ আর এটাই হলো কবুতরের মূল নীতি৷ তারা সব বাড়িতেই পোষ মানে না৷
তবে একটা কথা বলে চেষ্টা আর ধৈর্য থাকলে সফলতা নিশ্চিত৷ এবার যেন তাই হলো::
প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন হলো নতুন কবুতর বাড়িতে এনে ঘরেরে চিলেকোঠায় খাঁচা বানিয়ে এখানেই রাখছি৷ তবে এবার হয়তো সফলতা এসেছে কারণ এর আগে কয়েকবার বাড়িতে কবুতর আনা মাত্রই তার দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই অন্য খান চলে গিয়েছে৷ তবে এবার তা হয়নি এবার মনে হয় এ বাড়িতে পোষ মানবে৷
সেই ভোরবেলা সকালেই কবুতর গুলো জেগে ওঠে এবং কি বাক-বাকুম ডাকে, বাড়িতে যেন এক নতুন শান্তির ছড়িয়ে দিচ্ছে৷ সারাদিন বাড়ির আঙ্গিনায় ছোট্ট ছোট্ট পোকামাকড় থেকে শুরু করে চাল ছিটিয়ে দেই ব্যাস তাতেই সারাদিন বাড়ির মধ্যেই আঙ্গিনায় ঘরে চলে থাকছে৷ সত্যি বলতে এসব চিত্র বাস্তব চোখে না দেখলে হয়তো বোঝাতে পারবো না ৷
আর এই জন্য আমি বলে থাকি৷ যে গ্রামের ছোট্ট ঘরের টিনের চালের টিনের বেড়ার মধ্যেও যে অনেক শান্তি সুখ আছে৷ তো আসলে বলার অপেক্ষা রাখে না৷
গতকাল অসুস্থতার মধ্যেও কবুতর দের চাল দেয়া দেওয়া মাত্রই সকল কবুতর সে হাজির হলো৷ এমনকি একসাথে খাবার খাচ্ছে ৷ এসব চিত্র দেখি ইচ্ছে করলো কিছু ছবি তুলে রাখি৷ যা আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করবো আর তাইতো আজকে সকাল সকাল এই ভাবলাম যে আমার বাড়ি শান্তির প্রতীক কবুতরকে নিয়েই আজকের ব্লগ আপনাদের মাঝে শেয়ার করি৷
তো বন্ধুরা এই ছিল আমার আজকের ব্লগ৷ আমার বাড়ির শান্তির প্রতীক কবুতরকে নিয়েই আজকের উপস্থাপনা ৷ যা আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করলাম৷
আজকে আপনাদের কাছে এখানে বিদায় নিচ্ছি ৷ আবার নতুন কোন ইউনিক ব্লগ নিয়ে হাজির হবো৷ এমন প্রত্যাশা আশা আকাঙ্ক্ষা রেখে এখানেই শেষ করছি৷
ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন৷
ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন৷
| কমিউনিটি | আমার বাংলা ব্লগ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @gopiray |
| ডিভাইস | realme 12 |
https://twitter.com/gopiray36436827/status/1615190614475444225?s=19
আসলেই ভাই কবুতর যেনো শান্তির প্রতিক। আসলেই যেখানে শান্তি নাই সেখানে কবুতর যেনো পোষ মানতে চায়না। এমন অনেক কবুতর এর গল্প শুনেছি। বিক্রি করে দেওয়ার ৩ মাস পর ও ফিরে এসেছে। গ্রামের দিকে কবুতর বেশি পালতে দেখা যায়। ঢাকায় ও অনেকে পালে তবে খুবই কম।
একদম ঠিক বলেছেন যে বিক্রি করার পরেও আবার সেই বাড়িতেই ফিরে যায় ৷ ধন্যবাদ ভাই মতামতের জন্য
আমাদের বাসায় ও আছে কবুতর। গ্যারেজের খাঁচায় পালন করা হয়,তবে আমার কাছে বেশি ভালো লাগে এভাবে ছেড়ে পালতে।খাবার দিলে কি সুন্দর করে সবাই একসাথে খায়,আর খাঁচায় আলাদা খাবার দেওয়া লাগে।কি সুন্দর উঠানে চাল খাচ্ছে,ভালো লাগছে দেখতে বেশ। এটা ঠিক কবুতর সব জায়গায় পোষ মানে না,এমন আমাদের ও হয়েছে কিনে আনার পর উড়ে চলে গিয়েছে। ধৈয্য আর চেষ্টা থাকলে সফলতা আসবেই। শুভকামনা রইল আপনার জন্য। ধন্যবাদ
শুনে ভালো লাগলো যে আপনাদের বাসায় কবুতর আছে ৷ আসলে কবুতর সহজে পোষ মানতে চায় না ৷ তবে ধৈর্য ধরে রাখতে হয় ৷
আমিও আপনার মতো কবুতর পুষতাম। একসময় আমার বাড়িতে অনেক কবুতর ছিল। কবুতর খুবই সুন্দর একটি প্রাণী। এটি যেমন সহজে পোষ মেনে যায় তেমনি শান্ত একটি প্রাণী।
জি ভাই অনেক শান্ত একটি প্রানী ৷ প্রতিদিন বাক বাকুম ডাকে ঘুম ভেঙ্গে যায় ৷ আর বাড়িতে শান্তি বিরাজ করে ৷
প্রথমে আপনার সুস্থতা কামনা করি। আল্লাহ যেন আপনাকে তাড়াতাড়ি সুস্থ করেদেন। কবুতর হচ্ছে শান্তির প্রতীক। তবে আমাদের বাসায়ও কবুতর পালন করা হয়। আমরা তেমন বেশি কবুতর পালন করি না। তবে যেগুলো পালন করি সেগুলোর অনেক যত্ন নিয়ে থাকি। আমাদের এদিকেও প্রায় সবাই কবুতর কমবেশি পালন করে। তবে আপনি খুব চমৎকার কিছু কবুতরের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনিও কবুতর পালন করেন ৷ তা জেনে অনেক ভালো লাগলো ৷ ধন্যবাদ ভাই তবে কবুতর গুলোও যত্ন নিবেন ৷