হাত-পাখা এখন প্রধান হাতিযার এই হাসফাস জীবনে যাপনে .....!!
আজ - ২৪শে, জ্যৈষ্ঠ |১৪৩০ বঙ্গাব্দ, |
গ্রীষ্ম-কাল |
গ্রীষ্ম-কাল |
নমস্কার - আদাব। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভালো আছেন।
কি বন্ধুরা লোডশেডিং নিয়ে আর কি বা বলার আছে ।সত্যি বলতে এখন শুধু এই তীব্র গরমে নিজেকে একটু ভালো রাখার জন্য বা ভালো থাকার জন্য মানুষ কি করবে সেটা যেন ভেবে পাচ্ছে না। আজকের আবহাওয়া পর্যাপ্ত থেকে পাওয়া খবরে যতটুকু জানলাম। বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা দিনাজপুর যেখানে সর্বোচ্চ ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে। আর তার পাশেই রয়েছে পঞ্চগড় যেখানে প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ।
আসলে বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেকটাই দুর্বিসহ তা প্রতিনিয়ত উপভোগ করছি। বিগত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে এরকম তাপদহ হয়েছে কিনা অনেকটাই সংশয়ে বোধ করছি। যদিও ইতিমধ্যেই এই তীব্র গরমে ঘরের বাইরে যাওয়াই অনেক দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ পরিস্থিতি আর কতদিন থাকবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। তবে যদি এই তাপদাহের মাঝে লোডশেডিং না থাকতো তাহলে হয়তো জনজীবন অনেকটাই স্বস্তিতে থাকতে পারতো যতটা আমার মনে হয়। সবকিছু যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে পরিস্থিতি এতটাই দুর্বৃষহ যে এখানে বলে কিংবা কারো কিছু করার নেই ।প্রকৃতির উপর ছেড়ে দেওয়া ছাড়া ।
প্রকৃতি যে অনেকটাই পরিবর্তন তার প্রতিরূপ বা প্রতিচ্ছবি বেশ ভালোভাবেই দেখছি । যে সময়টায় বাংলাদেশের সব জায়গায় বৃষ্টির ব্যয়বহুল খাল বিল ডোবা ইত্যাদি ডুবে থাকে সেটি। আর এই সময়ে এখনো সেই ডোবা-খাল গুলো শুকিয়ে যেন মরুভূমি রাখার ধারণ করেছে। সেটির থেকে আসলে বলা যায় যে প্রকৃতি বা জলবায়ু অনেকটাই পরিবর্তন।
আজকে দুপুর বেলার আলোকচিত্র যেগুলো ইতিমধ্যে ছবি তে দেখতে পাচ্ছেন। একটি ছোট্ট শিশু অসহ্য
গরমে যন্ত্রণার বা কষ্টের মধ্য দিয়ে দিন পার করছে ।আসলে গ্রামের প্রতিটি বাড়ি টিনের চাল সেই সাথে টিনের বেড়া। আর বর্তমান যে পরিস্থিতি রোদের তাপদহে পুরো বাড়ি যেন উত্তপ্ত আগুনের লাভা ঠিক এমনটাই মনে হয়। সেখান থেকে এক টুকরো বিশ্রাম কিংবা ভালো থাকার জন্য মানুষ বেঁছে নিয়েছে গাছের নিচে কিংবা বাঁশ ঝাড়ের নিচে । এমন কোন নির্জন যেখানে বসে এক টুকরো শান্তির অনুভব করতে পারবে।
জানিনা সেই পুরনো দিনে আবার ফিরে যেতে হবে কিনা? এখন বর্তমানে সময়ে এই গরমের প্রধান হাতিয়ার হয়ে পুরনো দিনের ঐতিহ্য বাহি হাতপাখা । একটা সময় এই হাত পাখা দিয়েই মানুষ এই গরমের তীব্র থেকে বাঁচতে ব্যবহার করেছিল ৷ কিন্তু সময়ের তাগিতে আর আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণী সেসব অনেকটাই বিলুপ্তির পথেই।
কিন্তু এই আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও এমন পরিস্থিতিতে প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে এই হাতপাখায় , যেটা দিয়ে মানুষ তার শরীরকে একটু ঠান্ডা শীতল এবং কি তৃপ্তি দিতে পারছে।
এসব তো গেল গ্রামের এই তীব্র তাপদাহের বর্তমান পরিস্থিতি ও তার আলোকচিত্র । যদি একবার শহরের কথা ভাবা যায় তাহলে কেমন অনুভূতি হবে।
যেখানে চারিদিক শুধু দালান আর বিল্ডিং এ ভরা গাছপালা আছে তবুও খুব কম। সেখানকার জীবন যাপন কতটা অতিষ্ঠ বেশ ভালোভাবেই অনুভব করতে পারছি । যেখানে গ্রামে থেকেই গরমে অনেকটাই কষ্টসাধ্য সেখানে শহরের জন্য জীবন কতটা কষ্টে আছে তা ভালোভাবেই টের পাচ্ছি ।
সর্বপরি সবকিছু কাটিয়ে আবার একটি সুন্দর জীবন যাপনে ফিরে আসতে পারি এমনটাই কামনার সৃষ্টিকর্তার নিকট। সেই সাথে সবাই এই তীব্র গরমে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য নিরাপদে থাকুন ।আর নিজের খেয়াল রাখুন।
প্রিয় বন্ধুরা আজকে আপনাদের কাছে এখানে বিদায় নিচ্ছি ৷ আবার নতুন কোন ইউনিক ব্লগ নিয়ে হাজির হবো৷ এমন প্রত্যাশা আশা আকাঙ্ক্ষা রেখে এখানেই শেষ করছি৷
ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন৷
| কমিউনিটি | আমার বাংলা ব্লগ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @gopiray |
| ডিভাইস | realme 12 |
https://twitter.com/gopiray36436827/status/1666479703111393280?t=MM5XpfoRAO2r6wNf2cLbzg&s=19
গরমে হাসফাস অবস্থা মানুষের। তার উপর অব্যহত লোডশেডিং।আপনি ঠিক বলেছেন,এই পরিস্থিতি কবে কাটবে তার নিশ্চয়তা নেই। আর গ্রামের টিনের বেড়া আর ছাউনি দেয়া ঘর গুলির যথার্থ চিত্র তুলে ধরেছেন। মানুষ ছায়া খুজে আশ্রয় নিচ্ছেন।আর হ্যা এই পরিস্থিতিতে হাতপাখার কদর যে বেড়েছে তাতে সন্দেহ নেই! সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ দাদা।
জি আপু বর্তমান পরিস্থিতি খুবই খারাপ ৷ জানি না কবে এর সুখ মিলবে ৷ তবে হাতপাখা এখন বড় কাজে দিচ্ছে ৷
আসলে বাংলাদেশের ঘটনাটা শুনে আমি খুব হতবাক হয়ে যাচ্ছি যে দিনের বেশিরভাগ সময়ই নাকি কারেন্ট থাকে না। এই গরমে তাহলে শহরের মানুষের কি অবস্থা হচ্ছে। যাই হোক হাত পাখার বাতাসে প্রাণ জুড়াতে হবে।
দাদা শুধু দিন নয় রাত দিন একি অবস্থা ৷ খুব খারাপ পরিস্থিতি ৷
গরমের কারণে সত্যি ভাই চারদিকে অতিষ্ঠ মানুষ। ঠিক বলেছেন ৫০ বছরের মধ্যে এই প্রথম এত ডিগ্রী গরম পড়তেছে বাংলাদেশে। আসলে গরমের কারণে সবাই জীবন-যাপন করতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। তবে আপনার ফটোগ্রাফির মধ্যে বুঝতে পারলাম গরমের কারণে মানুষ গাছ গাছড়ার নিচে বসে রইলো। তবে আমাদের এইখানেও গরমের কারণে সবাই পুরনো দিনের মতো হাতপাখা ব্যবহার করতেছে। আসলে এই মুহূর্তে হাতপাখার অনেক কদর পড়ে গেল। কিছুদিন আগে আমি আমার মেয়েকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলাম তখন দেখতেছি হাত পাখার গুলো কেনার জন্য অনেক মানুষ ওখানে দাঁড়িয়ে রইলো দেখতেছে। তবে জলবায়ু অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে।
আসলে আপু বর্তমান পরিস্থিতি খুবই খারাপ আসলে পারা যাচ্ছে না ৷ যা হোক কবে যে একটু সুখের সন্ধান পাবো ৷ বিদুৎ নিয়ে ৷
ঠিক বলছেন এই গরমের দিনে হাতপাখা ছাড়া কোন উপায় নেই। এক সময় মানুষ অনেক বেশি হাতপাখা ব্যবহার করতো যখন বিদ্যুৎ ছিল না তখনই গরম থেকে শান্তি পাওয়ার একমাত্র উপায় ছিল হাতপাখা। ফটোগ্রাফি গুলো তো আপনি দারুন নিয়েছেন গ্রামের বাস্তব চিত্র খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন আমাদের সাথে। ব্লগটি পড়ে অনেক ভাল লেগেছে আমার কাছে।
হুম আপু হাত পাখা দিয়ে চলছে আর কি৷ যে পরিমান গরম তাতে জনজীবন অতিষ্ঠ ৷ একটু আরাম এই হাতপাখা ব্যবহার করে ৷
গ্রাম বাংলার অপরূপ গরম উপভোগের দৃশ্য ফুটে উঠেছে আপনার আজকের এই সুন্দর পোস্টের মধ্যে। গরমের দিনগুলো সত্যি ই খুবই কষ্টকর এবং ছোট বাচ্চাদের জন্য সবচেয়ে বেশি কষ্টকর। যখন কারেন্ট থাকে না তখন আরো বেশি বুঝতে হয় গরমের দিন কেমন। তবে এত সুন্দর ভাবে উপস্থাপনা করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
জি ভাই গ্রামের মানুষ তাও গাছপালা যেখানে সেখানে বসে থাকে ৷ তাও অস্থির মনে হয় ৷