শৈশবের স্মৃতি: শৈশবের খেলাধুলার দিনগুলি।
আসসালামুয়ালাইকুম, এবং হিন্দু ভাইদেরকে আদাব।আমার বাংলা ব্লগ এর সবাই কেমন আছেন, আশা করি প্রত্যেকে অনেক বেশি ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আমার বাংলা ব্লগ এ এটাই আমার প্রথম পোস্ট।আশাকরি আপনাদের প্রত্যেকের অনেক বেশি ভালো লাগবে। তাহলে চলুন এবার শুরু করা যাক।
বর্তমান স্মার্টফোনের যুগে এসব শৈশবের খেলাধুলা গুলো বেশি একটা খেলতে দেখা যায় না বাচ্চাদের মাঝে। বর্তমানের বাচ্চাগুলা বেশিরভাগ স্মার্টফোনের গেম খেলেই সময় পার করে। বেশিরভাগ ছেলে মেয়েরাই ফ্রি ফায়ার আর পাবজি তেই আসক্ত হয়ে পড়েছে। এতে করে তাদের নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে যেমন :কানের সমস্যা ,চোখের সমস্যা ,মানসিক সমস্যা।
আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন স্মার্টফোন তেমন একটা ছিল না। তখন আমরা বন্ধুবান্ধব মিলে বিভিন্ন ধরনের গ্রাম্য খেলাধুলা করতাম যেমন: বউছি,গোল্লার ছুট,লাটিম ঘুরানো, মার্বেল খেলা, লই লই খেলা, পৈয়াডাঙ্গা,জাইল জাইল , ইত্যাদি আঞ্চলিক খেলা। এসব খেলা মানসিক ভাবে মনকে প্রফুল্ল রাখে আর শারিরীক ভাবে দেহের গঠন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এসব খেলা বর্তমানে বিলুপ্তের পথে। বর্তমানের ছেলে মেয়েরা এসব খেলার নামই বলতে পারবেনা।
মাঝে মাঝে হঠাৎ যখন দেখি ছেলেমেয়েরা এসব খেলা খেলতেছে। তখন আমার তাদের সাথে এসব খেলা খেলতে মন চায়। আসলেই শৈশবের স্মৃতি কখনো ভোলা যায় না। মনে হয় তাদের সাথে এসব খেলা খেললে শৈশবে ফিরে যাব।
ছোট থাকতে ভাবতাম কখন বড় হব আর এখন বড় হয়ে ভাবি যদি শৈশবে ফিরে যেতে পারতাম। আমার জীবনের সব থেকে আনন্দময় দিনগুলো ছিল শৈশবেই। কি না ছিল এই শৈশবে। শৈশবে মাছ ধরা আর বৃষ্টির দিনে পাকা আম কুড়ানোর মজাই আলাদা ছিল। শুধু তাই নয় সহপাঠীরা মিলে বিভিন্ন ধরনের জংলি ফল পেরে খেতাম যেমন: খরকি জাম,গোদা জাম, পানিয়াল, বড়আল, জামরুল, দোমড়া ফল, তেতুল ইত্যাদি আঞ্চলিক ফল। বর্তমানে এসব ফল বিলুপ্তর পথে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে বন জঙ্গল উজার করা। আমাদের এলাকায় আগে যে পরিমাণ বন জঙ্গল ছিল এখন আর তেমন বন জঙ্গল দেখতে পাওয়া যায় না।
শৈশবের এই আনন্দময় দিনগুলো যদি ফিরে পাওয়া যেত কতই না আনন্দময় জীবন ফিরে পেতাম। মাঝে মাঝে মন চায় ছোট বাচ্চাদের সাথে শৈশবের সেই স্মৃতিময় খেলাধুলা গুলো খেলি।
ভাইয়া আপনি আজকে আপনার শৈশব কালের বেশ কিছু স্মৃতি আমাদের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। আপনার শৈশবের সাথে আমার শৈশবের বেশকিছু মিল রয়েছে। আসলে স্মার্টফোনের এই যুগে আমরা আমাদের শরীর চর্চা মূলক খেলা ধুলা গুলো হারিয়ে ফেলছি। এটা আমাদের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার।
শৈশবকালে খুব সুন্দর স্মৃতিময় দিনগুলোর কথা আপনি আজকে শেয়ার করেছেন যা দেখে আমার অনেক ভালো লাগলো। আসলে আপনি একটা কথা ঠিক লিখেছেন ভাইয়া এখন স্মার্টফোনের যুগ এখন বাচ্চাদের হাতে ফোন চলে এসেছে এসব খেলা তাদের চোখে আর পড়ে না বা এখনকার বাচ্চারা এসব খেলা সম্পর্কে কোন অভিজ্ঞতাই নেই। ফোন না দিলে তাদের খাওয়া হয় না ফোন না দিলে তাদের ঘুমানো হয় না এটাই হচ্ছে তাদের খেলা অনেকগুলো ফটোগ্রাফি করেছেন সেটা দেখে আমার অনেক ভালো লাগলো বিশেষ করে পানিয়া ফলের ফটোগ্রাফিটা আমি প্রথম দেখলাম ধন্যবাদ আপনাকে ।
হ্যাঁ আপু আপনি ও ঠিক বলেছেন এখনকার বাচ্চারা খাবার খেতে গেলে ও ফোন চাপে। তবে পরিবারকে সচেতন হতে হবে। তাহলে সুন্দর সমাজ গঠন করা যাবে। আপনাকে ও অসংখ্য ধন্যবাদ।