আজ- ৬ আষাঢ় /২০ জুন | ১৪২৯, বঙ্গাব্দ/২০২২ খ্রিস্টাব্দ| সোমবার | বর্ষাকাল |
আসসালামু-আলাইকুম।
কেমন আছেন বন্ধুরা। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব বাটা মাছের ডিম রান্নার সুস্বাদু রেসিপি। মাছের ডিম আমার খুব প্রিয় একটি খাবার। সেটা যে কোন মাছের ডিমই হোক না কেন। পুঁটিমাছ থেকে শুরু করে রুই মাছের ডিম সবই খেতে চমৎকার সুস্বাদু। এমনকি পৃথিবীর সবচাইতে দামি খাবার গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে এই মাছের ডিম যার নাম ক্যাভিয়ার। আমাদের দেশের গরীব মানুষের পক্ষে যা খাবার কথা কল্পনাও করা যায় না। যাইহোক বর্ষার এই সময়টাতে প্রায় সব মাছই ডিম দিয়ে থাকে। মাছের ডিম অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর কিন্তু মাছ শিকারের ব্যাপারে যদি আমরা একটু যত্নবান না হই তাহলে হয়তো অনেক মাছের প্রজাতি বিলুপ্ত হতে খুব একটা সময় লাগবে না। এক্ষেত্রে মা মাছ সংরক্ষণ করার বিকল্প নেই। তাছাড়া বছরের 2 মাস ইলিশ মাছ সহ অন্যান্য মাছ শিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা উচিত। তাহলে হয়তো মাছে-ভাতে বাঙালি নামটা আবারো একদিন ফিরে আসবে। তা না হলে নির্বিচারে মাছ শিকারের ফলে একসময় সাধারণ মানুষ অনেক মাছ আর চোখেই দেখতে পাবে না। যাইহোক আসুন তবে রেসিপি তৈরির প্রক্রিয়ায় চলে আসি।


প্রয়োজনীয় উপকরণ
- বাটা মাছের ডিম
- পেঁয়াজ কুচি
- কাঁচা মরিচ
- রসুন বাটা
- আদা বাটা
- জিরার গুড়া
- ধনিয়ার গুড়া
- শুকনা মরিচের গুড়া
- লবণ
- সয়াবিন তেল

প্রস্তুত প্রণালী
ধাপ ১ঃ
বাটা মাছের ডিম গুলো দেখতে খুব একটা আকর্ষণীয় নয়। বলতে গেলে কালো বর্ণের। তবে খেতে খুব সুস্বাদু। যাই হোক শুরুতেই একটি কড়াই বা ফ্রাইপেনে পরিমাণমতো সয়াবিন তেল নিয়ে গরম করি।


ধাপ ২ঃ
আগে থেকে কেটে রাখা পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচা মরিচ গরম তেলের মধ্যে দিয়ে আস্তে আস্তে নাড়তে থাকি।



ধাপ ৩ঃ
আদা বাটা, রসুন বাটা, শুকনা মরিচের গুঁড়া, জিরার গুড়া সহ একে একে সবগুলো মসলা দিয়ে দেই এবং একটি চামচের সাহায্যে ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে দেই।



ধাপ ৪ঃ
মসলাগুলো কষানো হয়ে গেলে মাছের ডিম গুলো ধুয়ে মসলার মধ্যে দিয়ে দেই এবং আস্তে আস্তে নাড়তে থাকি।


ধাপ ৫ঃ
কিছুক্ষণ এভাবে রান্না করলে দেখতে পাবেন কালো বর্ণের ডিনগুলো আস্তে আস্তে হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে।


ধাপ ৬ঃ
এবার সামান্য পরিমাণ পানি দেই যাতে ডিমগুলো ভালোভাবে সিদ্ধ হয়। প্রয়োজনে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে অল্প কিছুক্ষণ রান্না করি।


ধাপ ৭
ডিমগুলো সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলি। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে পাতিলের তলায় লেগে না যায়। এজন্য মাঝেমাঝেই একটা চামচ দিয়ে আস্তে আস্তে নেড়ে দিতে হবে। বাস হয়ে গেল আমাদের মজাদার মাছের ডিম রান্নার রেসিপি।



আজকের মত এ পর্যন্তই। আবার কথা হবে অন্য কোন বিষয় নিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনায় আজকের মতো এখানেই শেষ করছি।
মাছের ডিম আসলেই খুবই সুস্বাদু একটি খাবার। আমার মনে হয় অনেক মানুষেরই এই জিনিসটা খুবই পছন্দের। আজকে আপনি বাটা মাছের ডিম ভুনা রেসিপি শেয়ার করেছেন দেখতে লোভনীয় লাগছে আরে ডিমগুলো খেতেও আসলে খুবই মজা হয়।
আসলেই মাছের ডিমের রেসিপিটি পোষ্ট করার পর দেখতে পেলাম বেশিরভাগ মানুষের কাছেই মাছের চাইতে মাছের ডিমই বেশি পছন্দের। পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
বাটা মাছ যদিও কাঁটাযুক্ত একটি মাছ, তবে বাটা মাছের ডিম খেতে অনেক সুস্বাদু সেটা আমি জানি। কারণ আমি যে কোন মাছের ডিম খেতে পছন্দ করি। এবং কোন মাছের ডিমের স্বাদ কতটুকু সেটা উপলব্ধি করতে পারি। অসাধারণ ছিল বাটা মাছের ডিম ভুনা রেসিপি, আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনার প্রতি রইল আন্তরিক অভিনন্দন।
আপনার মত আমারও মাছের ডিম খুবই পছন্দের। তবে বাটা মাছের ডিম খুব একটা খাওয়া হয়নি। খেয়ে দেখলাম যথেষ্ট ভালো লাগে। ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
বাটা মাছ রান্না করলে অনেকমজা ওমিষ্টি মিষ্টি লাগে।এবং এই বাটা মাছের ডিম ভুনা এটাও খেতে অনেক টেস্টি । আপনি খুব সুন্দর ভাবে বাটা মাছের ডিম ভুনা আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ধাপে
এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
বাটা মাছ খেতে আমার কাছে খুব একটা খারাপ লাগে না। তবে বেশি ভালো লাগে মাছের ডিম। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপনার মত আমিও যে কোন মাছের ডিম খেতে খুব পছন্দ করি। কিন্তু আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে ইলিশ মাছের ডিম। পৃথিবীতে সব দামি খাবারের তালিকায় মাছের ডিম আছে এই তথ্যটি জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো। যাইহোক বাটা মাছের ডিমের রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে বেশ সুস্বাদু হয়েছে। আলাদাভাবে কখনো বাটা মাছের ডিমের ভুনা করে খাওয়া হয়নি একবার ট্রাই করে দেখতে হবে। রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ইলিশ মাছের ডিমের সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা চলে না। তবে ইলিশ মাছের যে দাম তাতে গরিব মানুষের পক্ষে খুব একটা খাওয়া সম্ভব হয়না। বাটা মাছের ডিম ও খুব একটা খারাপ নয়। খেয়ে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ
বাটা মাছ কাঁটাযুক্ত হওয়াতে তেমন বেশি খাওয়া হয়না। তবে যে কোন মাছের ডিম খেতে খুবই ভালো লাগে। সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। প্রতিটি ধাপ অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। আপনাকে ধন্যবাদ সুস্বাদু রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
বাটা মাছ বেশি করে ভেজে মুচমুচে করে রান্না করলে খেতে বেশ ভালোই লাগে। তবে কাটাবেছে খাওয়াটা বেশ কষ্টকর। সে তুলনায় ডিম অনেক সুস্বাদু তাতে কোন সন্দেহ নেই। ধন্যবাদ
বাংলাদেশে বর্ষাকালে মাছে সমহার বসে তাই আমি বলব মাছে ডিম ভাজি হোক আর ভুনা আমার কাছে সব মাছে ডিম খেতে অনেক ভালো লাগে। বিশেষ করে মাছের ডিমের ভাজিটা একট বেশি খেতে পছন্দ করি । অনেক সুন্দর আমার প্রিয় একটি খাবারের রেসিপি প্রকাশ করেছেন ধন্যবাদ আপনাকে ।
আমার মনে হয় মাছের ডিম বেশিরভাগ মানুষের কাছেই পছন্দের খাবার। তবে সবাই যদি ডিম খাওয়া শুরু করে তাহলে মাছের অনেক প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে। যাই হোক ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
যে কোন মাছের ডিম আমার খুব ই ফেভারিট এবং কী পরিমান ফেবারের তা বলে বোঝাতে পারবো না 😋😋😋
সুন্দরভাবে রেসিপিটি প্রস্তুত করেছেন দেখে খুব লোভ হচ্ছে খেতে নিশ্চয়ই খুব মজা হয়েছিল
বুঝতে পারলাম আপনিও আমার মত মাছের ডিম খেতে খুব পছন্দ করেন। তবে চিন্তা করেছেন ডিমগুলো না খেলে তা থেকে কত মাছ জন্ম নিত হাহাহাহা। ধন্যবাদ ভাই
মাছের ডিম খেতে আমি অনেক পছন্দ করি। তবে বাটা মাছের ডিম কখন খাওয়া হয়নি। মাছের ডিম ভুনা করে খেতে যেমন ভালো লাগে তেমনি আলু দিয়ে রান্না করলেও খেতে অনেক ভালো লাগে। ভাইয়া আপনি অনেক সুন্দর ভাবে মাছের ডিমের এই মজার রেসিপি তৈরি করে উপস্থাপন করেছেন এজন্য আপনাকে জানাচ্ছি ধন্যবাদ। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
বাটা মাছের ডিম আমিও খুব একটা খাই নি। হয়তো কয়েকবার খাওয়া হয়েছে। তবে মাছের তুলনায় এই ডিম বেশ সুস্বাদু। খেয়ে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ
আপনি অনেক সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করেছেন দেখে খুব লোভ লেগে গেছে আমার। আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খুবই লোভনীয় হয়েছে। ধাপে ধাপে অনেক সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন। এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
আমার রেসিপিটি আপনার পছন্দ হয়েছে জেনে অনেক ভালো লাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে উৎসাহিত করার জন্য।
বাটা মাছের নামটি প্রথম শুনলাম । পৃথিবীর পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে মাছের ডিম ক্যাভিয়ার একটি আগে যা জানা ছিল। মাছের ডিম খেতে যেমন মজা তেমই পুষ্টিকর। ডিমের সাথে অল্প আলু কুচি দিলে খেতে আরও মজা হয়। ভালো ছিল ভাইয়া রেসিপিটা।
শুনে সত্যিই অবাক হলাম যে বাটা মাছের নাম আপনি প্রথম শুনলেন। আমাদের এলাকায় এ মাছগুলো কে বাটা মাছ বলে থাকে। তবে আপনাদের এলাকায় হয়তো অন্য নাম থাকতে পারে। যাইহোক অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।