রেসিপি: সুস্বাদু পাঙ্গাস মাছ রান্না।
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটি বন্ধুরা
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজ শনিবার , ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
হ্যালো বন্ধুগণ কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা করছি আপনারা সবাই সুস্থ ও ভালো আছেন। আমি ও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মতো আজকে আবার আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গিয়েছি। এখন আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব পাঙ্গাস মাছের মজাদার একটি রেসিপি। পাঙ্গাস মাছ আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। এমনকি আমাদের পরিবারের সবাই পাঙ্গাস মাছ খুব পছন্দ করে। পাঙ্গাস মাছ খেতে যেমন সুস্বাদু তেমন এই মাছে কাটা কম। তাই খেতে বেশ সুবিধা হয়।। বিশেষ করে বাচ্চাদের জন্য পাঙ্গাস মাছ খেতে খুবই সুবিধা কাটা কম আর মাংস বেশি। তবে আমার ছেলে পাঙ্গাস মাছের থেকে তেলাপিয়া মাছটা বেশি পছন্দ করে। কিন্তু আপনাদের ভাইয়ার পছন্দ পাঙ্গাস মাছ। তাই মাঝে মাঝে পাঙ্গাস মাছ রান্না করা হয়। কিন্তু আজকে পাঙ্গাস মাছ রান্না করার সময় কেমন যেন লাগল তাই ভাবলাম আপনাদের মাঝে রেসিপি টা শেয়ার করি। এজন্য আজকে এখন আপনাদের মাঝে চলে এসেছে পাঙ্গাস মাছ রান্নার রেসিপি নিয়ে। অল্প ঝোল করে ভুনা ভুনা করে রান্না করলে পাঙ্গাশ মাছ খেতে খুবই মজা লাগে। আপনাদের কাছে পাঙ্গাস মাছ খেতে কেমন লাগে সেটা অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। কিভাবে আমি সম্পূর্ণ রেসিপিটা তৈরি করলাম সেটা এখন শুরু করছি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
| ক্রমিক নম্বর | নাম |
|---|---|
| ১ | পাঙ্গাস মাছ |
| ২ | তেল |
| ৩ | লবণ |
| ৪ | হলুদ গুঁড়া |
| ৫ | মরিচ গুঁড়া |
| ৬ | পেঁয়াজ কুচি |
| ৭ | ধনিয়া ও জিরা বাটা |
| ৮ | পানি |
ধাপ-১
প্রথমে আমি পরিষ্কার করে পাঙ্গাস মাছগুলো ধুয়ে নিলাম। তারপর লবণ একটু বেশি করে হলুদ গুঁড়া ও সামান্য মরিচ গুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিলাম। এরপর কড়াই এর মধ্যে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে দিলাম। তেল গরম হয়ে গেলে ভালোভাবে মাছগুলো ভেজে নিলাম।
ধাপ-২
এরপর আমি কড়াই এর মধ্যে আবারো একটু তেল দিয়ে দিলাম। তেল গরম হয়ে গেলে এর মধ্যে দিয়ে দিলাম পেঁয়াজ কুচি। তারপর হালকা আঁচে কিছুক্ষণ পেঁয়াজ কুচি গুলো ভেজে নিলাম।
ধাপ-৩
এরপর দিয়ে দিলাম পরিমাণ মতো পানি।
ধাপ-৪
পানি ফুটে উঠলে এর মধ্যে দিয়ে দিলাম পরিমাণ মতো মরিচ গুঁড়া ও হলুদ গুঁড়া। হলুদ যেহেতু আমি মাছ ভাজতে গিয়ে একটু বেশি করে দিয়েছি তাই অল্প করে হলুদ দিতে হবে।
ধাপ-৫
তারপর একটু নাড়াচাড়া করে পাঙ্গাস মাছের মাথাটা দিয়ে দিলাম। এরপর দিয়ে দিলাম ধনিয়া ও জিরা বাটা। তারপর দিয়ে দিলাম লবণ।লবণ আপনারা আপনাদের স্বাদ অনুযায়ী দিবেন।
ধাপ-৬
এরপর কিছুক্ষণ রান্না করে তৈরি করে নিলাম রেসিপিটা।
ধাপ-৭
রান্না হয়ে গেলে একটা পাত্রে রেখে দিলাম। আর তখন কয়েকটা ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করে দিলাম। কেমন লাগলো আপনাদের কাছে আমার আজকের এই পাঙ্গাস মাছের রেসিপি। আশা করছি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। সবার সুস্থতা কামনা করে আজকে এখানে শেষ করছি। পরবর্তীতে আবার আপনাদের মাঝে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হবার চেষ্টা করব। আল্লাহ হাফেজ।
আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
ভীষণ সুস্বাদু এবং লোভনীয় একটি রেসিপি আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। পাঙ্গাস মাছ আমার ভীষণ পছন্দ। আর আপনি পাঙ্গাস মাছের এমন সুন্দর লোভনীয় একটি রেসিপি তৈরি করেছেন যা দেখে লোভ হচ্ছে। ধন্যবাদ এমন সুন্দর লোভনীয় রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর ভাবে আপনার মতামত প্রকাশ করার জন্য
পাঙ্গাস মাছ খুব কমই খাওয়া হয় । তবে দাদু বাসায় গেলে মাঝেমধ্যে খাওয়া হয়। কাটা কম থাকায় খেতে ভালই লাগে। এটা ঠিক বাচ্চাদের জন্য এই মাছ কাটা কম থাকায় খাওয়াতে সুবিধা হয়। আপনার রেসিপিটা দেখে লোভনীয় লাগছে। ধন্যবাদ আপনাকে মজাদার এই রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু।
আপু আপনি দারুন একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।পাঙ্গাস মাছ কমবেশি সবাই পছন্দ করে।আমার কাছেও পাঙ্গাশ মাছ খেতে ভীষণ ভালো লাগে।যাই হোক রেসিপির কালার দেখে বোঝা যাচ্ছে রান্নাটি অনেক সুস্বাদু হয়েছে।ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
পাঙ্গাস মাছের কাটা কম এই কারণে খেতে অনেকে পছন্দ করে। আজকে আপনি মজার পাঙ্গাস মাছের রেসিপি করেছেন। বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা এই মাছ খেতে পছন্দ করে মাছের মধ্যে মাংস বেশি। ভালো লাগলো আপনার রেসিপি দেখে।
ঠিক বলেছেন পাঙ্গাস মাছের কাটা কম এইজন্য সবাই পছন্দ করে।
https://x.com/MstFatema137069/status/1964723827990204787?t=rdFD8OQSLgxZLC4JRPOBUA&s=19
আপনার কাছ থেকে খুবই সুস্বাদু একটি রেসিপি দেখতে পেলাম৷ যেভাবে আপনি আজকের এই সুস্বাদু রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন তা যেরকম সুস্বাদু দেখা যাচ্ছে৷ তার পাশাপাশি এখানে রেসিপি তৈরি করার ধাপগুলো একের খুবই সুন্দরভাবে শেয়ার করেছেন৷ এই রেসিপির ডেকোরেশন দেখে নিঃসন্দেহে এটি অনেক বেশি সুস্বাদু হয়েছে বলে মনে হয়৷