রেসিপিঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে ছোলার ঘুগনি তৈরি
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে শুক্রবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা করি ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আপনাদের মাঝে আজকে আবারো আমি নতুন আরো একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গিয়েছি। বিভিন্ন জিনিস রান্না করতে আমার খুবই ভালো লাগে। তাই সব সময় চেষ্টা করি ভিন্ন ভিন্ন জিনিস রান্না করে খেতে যাতে মুখের স্বাদের ক্ষেত্রে কোন অরুচি চলে না আসে। আজকে আমি আপনাদের মাঝে যে রেসিপিটা শেয়ার করতে চলেছি সেটি আমাদের দেশের খুবই জনপ্রিয় একটা রেসিপি। বিশেষ করে রমজান মাসে এই ধরনের রেসিপিগুলো আমরা সব থেকে বেশি পরিমাণে দেখতে পায়। প্রত্যেকটি মানুষের ইফতারিতেই এই ধরনের ছোলার ঘুগনি থাকে। চলুন আমরা দেখে নেই কিভাবে এই রেসিপিটা তৈরি করতে হয়।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
| ক্রমিক নম্বর | নাম |
|---|---|
| ১ | কাঁচা ছোলা |
| ২ | তেল |
| ৩ | লবণ |
| ৪ | কাঁচা মরিচ |
| ৫ | পেঁয়াজ |
| ৬ | হলুদ গুঁড়া |
ধাপ-১
প্রথমে আমি কিছু কাঁচা ছোলা নিয়েছি। এই কাঁচা ছোলা গুলো আমি সারারাত ভিজিয়ে রেখেছিলাম। এতে সুন্দরভাবে ছোলা গুলো ফুলে উঠবে।
ধাপ-২
এরপর ভিজিয়ে রাখা ছোলা গুলো আমি একটি কড়াই এর মধ্যে দিয়ে পরিমাণ মতো পানি দিয়ে দিলাম সিদ্ধ করার জন্য। সিদ্ধ করার সময় আমি কিছু কাঁচামরিচ ও সামান্য লবণ দিয়ে ছিলাম।
ধাপ-৩
এখানে আমার সিদ্ধ করা ছোলার ছবি দেখতে পাচ্ছেন। সিদ্ধ করার পর ছোলা এরকমটা হয়ে যাবে।
ধাপ-৪
এরপর আবার আমি একটি কড়াই নিয়ে নিলাম। এখন কড়াইয়ের মধ্যে পরিমাণ মতো তেল, পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচামরিচ কুচি দিয়ে দিলাম।
ধাপ-৫
এরপর আমি স্বাদমতো লবণ দিয়ে দিলাম।
ধাপ-৬
পেঁয়াজ এবং কাঁচামরিচ কিছুটা ভাজা হয়ে গেলে তার মধ্যে পরিমাণ মতো হলুদের গুড়া ও শুকনা মরিচের গুড়া দিয়ে দিলাম।
ধাপ-৭
এরপর কড়াই এর মধ্যে আগে থেকে সিদ্ধ করে রাখা ছোলা গুলো দিয়ে দিলাম। এর মধ্যে কিছুটা পানি দিয়ে দিলাম। তারপর কিছুক্ষণ ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে পানি শুকিয়ে ফেললাম। আর এরই মধ্যে দিয়ে আমার তৈরি হয়ে গেল আজকের রেসিপিটা।
ধাপ-৮
তো বন্ধুরা আজকের ছোলার ঘুগনি তৈরির রেসিপি টা আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আমি খুবই সহজ পদ্ধতিতে এটা তৈরি করেছি। আপনারা চাইলে এর মধ্যে আরও কিছু উপকরণ যুক্ত করতে পারবেন। আজকে এই পর্যন্তই শেষ। আগামী দিন নতুন একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হবার চেষ্টা করব। এতক্ষণ আমার পোস্ট দেখা ও পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ সবাইকে।
ছোলা ভুনা খেতে কান্না ভালো লাগে। আর ছোলভনা করতে হলে সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। এতে খুব সুন্দর ভাবে টুব্বু হয়। রান্না করতে এবং খেতেও বেশ সুস্বাদু লাগে। বেশ ভালো লাগলো আপনার তৈরি করা ছোলা ভুনার রেসিপি দেখে।
আমিও ছোলা ভুনা করার আগে ছোলা অনেকক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রেখেছিলাম।
আপনি চমৎকার একটা রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। ছোলার ভূনা খেতে বেশ দারুণ লাগে।তবে রমজান মাসে এই ধরনের ছোলার ভূনা বেশি দেখা যায়। কম বেশি সবাই রান্না করে।আপনি দারুণ ভাবে ছোলার ঘুগনি রেসিপি আমাদের মাঝে তুলে ধরছেন। আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
এটা ঠিক বলেছেন রমজান মাসে প্রায় প্রতিদিনই এই রেসিপিটি তৈরি করা হয়। কেননা সারাদিন রোজায় থাকার পর এরকম খাবার খেতে বেশ ভালো লাগে।
ছোলার ভুনা খেতে ভীষণ মজা লাগে। শরীরের জন্য পুষ্টিকর খাবার। আপনি দেখছি ভিন্ন রকম ভাবে তৈরি করেছেন। আপনার পরিবেশন দেখে বোঝা যাচ্ছে জমিয়ে খেয়েছেন। ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
জি ভাইয়া ছোলা ভুনা খেতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। আর যেদিন এই রেসিপিটি তৈরি করেছিলাম সেই দিন অনেক বেশি ছোলা ভুনা খাওয়া হয়ে গিয়েছিল।
ছোলা খেতে আমার কাছে অসম্ভব ভালো লাগে। আজকে আপনি খুব সুন্দর করে ছোলার রেসিপি করেছেন। তবে এটি ঠিক বলেছেন রমজান সময় এই ছোলা গুলোকে বেশি খাওয়া হয় মানুষের। আজকে আপনি খুব সুন্দর করে বাড়িতে ছোলা ঘুগনি তৈরি করেছেন। তবে বিকেল বেলা ছোলা খেতে অনেক ভালো লাগে।এবং খুব সুন্দর করে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছোলা ঘুগনি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
আমি খুবই অল্প উপকরণ দিয়ে সহজভাবে রেসিপিটি তৈরি করার চেষ্টা করেছি আপু।
আজকে আপনি খুব সুন্দর করে ছোলার ঘুগনি রেসিপি করেছেন। তবে ছোলা খেতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তবে এটি ঠিক রমজানের সময় ছোলা বেশি খাওয়া হয়। তবে দোকান পাড়ে বিকেল বেলা ছোলা পাওয়া যায়। তবে বাড়িতে এ ধরনের ছোলা নিজে তৈরি করে খেলে স্বাস্থ্য এবং শরীরের জন্য ভালো হয়। খুব সুন্দর করে ছোলার ঘুগনি রেসিপি তৈরি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
তবে বাড়িতে তৈরি করার থেকে বাজারের ছোলার ঘুগনিগুলো খেতে বেশি মজা লাগে। ছোলার ঘুগনি খেতে আপনার অনেক ভালো লাগে জেনে বেশ ভালো লাগলো।
ছোলার ঘুগনি দেখেই জিভে জল চলে এলো।আমরা একে ছোলা ভুনা বা ভাজি বলি।যাইহোক এটা খুবই মজার খেতে,ছোটবেলায় মেলায় গেলে আমি এটাই কিনে খেতাম।এখন অবশ্য বাড়ি তৈরি করে খাই।আপনার রেসিপিটি সুন্দর হয়েছে আপু,ধন্যবাদ আপনাকে।
এটা একদম ঠিক বলেছেন আপু মেলায় এগুলো বিক্রি হতে বেশি দেখা যায়। ধন্যবাদ আপু।
আপনি খুব লোভনীয় ছোলার রেসিপি শেয়ার করেছেন।রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুব ভালো ছিল।রেসিপি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন। এটা দেখে যে কেউ সহজেই রেসিপিটি তৈরি করে নিতে পারবেন।ধন্যবাদ আপু সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
সত্যি আপু আমি খুব সহজভাবে রেসিপিটি তৈরি করেছি তারপরেও খেতে অনেক ভালো লেগেছিল।