রেসিপিঃ সুস্বাদু কাউন চালের পায়েস
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে শুক্রবার , ২৫ আগস্ট ২০২৩
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন সবাইকে জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। কেমন আছেন সবাই। আশা করছি ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে বেশ ভাল আছি। আবারো আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। এবার আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চলেছি একটি রেসিপি। রেসিপিটির নাম কাউন চালের পায়েস। অনেক অঞ্চলে একে ভুরোর চাল ও বলে। শ্রাবণ মাসের শেষ থেকে ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি মধ্যে এই চাল কৃষকের ঘরে ওঠে। এই চালের ক্ষীর ও পায়েস দুটোই রান্না করা যায়।কাউন চালের পায়েস খেতে খুবই সুস্বাদু। তো চলুন রেসিপিটি শুরু করা যাক।
কাউন চালের পায়েস রান্নার উপকরণ
| ক্রমিক নম্বর | নাম |
|---|---|
| ১ | কাউনের চাউল |
| ২ | দুধ |
| ৩ | চিনি |
| ৪ | এলাচ |
| ৫ | দারচিনি |
| ৬ | লবন |
| ৭ | নারিকেল |
ধাপ-১
প্রথমে আমি পরিমাণ মতো কাউনের চাল নিয়ে নিলাম।
ধাপ-২
এরপর একটি হাড়িতে আমি পরিমাণমতো দুধ নিয়ে নিলাম।
ধাপ-৩
দুধটা গরম হয়ে ফুটতে শুরু করলে এর মধ্যে আমি পরিমাণ মতো চিনি দিয়ে দিলাম।
ধাপ-৪
এরপর আমি কিছুটা দারচিনি দিয়ে দিলাম।
ধাপ-৫
এখন দারচিনি সঙ্গে সঙ্গে তিনটা এলাচের ফল দিয়ে দিলাম।
ধাপ-৬
এবার আমি পরিমাণ মতো নারিকেল দিয়ে দিলাম। নারিকেল এর সাথে স্বাদমতো লবণ ও দিলাম।
ধাপ-৭
এবার সবকিছু আমি ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে নিলাম। যেনো সবকিছু ভালোভাবে মিশে যায়।
ধাপ-৮
কিছুক্ষণ ফোটার পরে রান্না হয়ে গেল। তবে আমার তৈরি করা পায়েসটি একটু শক্ত শক্ত হয়ে গিয়েছিল। এরই মধ্যে দিয়ে আমি রেসিপিটি শেষ করলাম।
আমার রেসিপিটি আপনাদের কেমন লেগেছে তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন ।আজকে এই পর্যন্তই শেষ। আগামী দিন নতুন একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হবার চেষ্টা করব।
কাউন চালের পায়েস কখনো খাওয়া হয়নি। এই প্রথম দেখতে পেলাম। আসলে আমাদের এলাকায় এরকম কাউন চালের পায়েস এর প্রচলন নেই তো তাই হয়তো খাওয়া হয়নি। ধন্যবাদ আপু রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য। ভালো থাকবেন ফ্যামিলির সবাইকে নিয়ে সবসময় এই কামনা করি।
ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর কমেন্ট করার জন্য। তবে এই চালগুলো আপনি বাজারে বিক্রি করতে দেখতে পারবেন।
কাউনের চালের ভাতের নাম শুনেছি কিন্তু কখনো এভাবে এই চালের পায়েস খাওয়া হয়নি। এই চালের ভাতের সাথে বিভিন্ন ধরনের ভর্তা দিয়ে খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। আপনার পায়েস দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
কাউনের চালের পায়েস রান্না করা যায় আপু। এটি দুধ ও নারকেল দিয়ে রান্না করলে খেতে ভালো লাগে।
দেখেই তো খেতে ইচ্ছা করছে! আসলে মিষ্টি জাতীয় খাবার আমার খুব পছন্দের। আপনি দেখছি কাউন চাউলের পায়েস রান্না করেছেন। আপনি খুবই সুন্দরভাবে রেসিপিটি ধাপে ধাপে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
এরকম রেসিপি পোস্ট আপনি একটা করেছিলেন ভাইয়া সেটা দেখে আমি এটা বানিয়েছি। ধন্যবাদ ভাইয়া।
পায়েস আমার খুবই পছন্দের। আপনি সুস্বাদু কাউন চালের পায়েস তৈরি করেছেন। দেখে খেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। সত্যি রন্ধন প্রক্রিয়া বেশ অসাধারণ হয়েছে। খেতে নিশ্চয়ই অনেক মজাদার এবং সুস্বাদু হয়েছে। নারিকেল দেওয়াতে খেতে বেশ ভালো লাগবে। এতো চমৎকার রেসিপি পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
কাউন চালের পায়েস দেখে মনে হচ্ছে অনেক মজার।আসলে আগে মানুষ কাউন চালের পায়েস রান্না করত কিন্তু এখন তো কাউন চাল তেমন দেখায় যায় না। যাইহোক আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। আসলে নারকেল দিলে আরো অনেক মজা লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আমাদের অঞ্চলে এই চালটি অনেক উৎপাদন হয়। তবে এটি বাজারেও বিক্রি করতে দেখা যায়। সত্যি নারকেল দিয়ে বেশ মজা লাগে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
আমার পছন্দের তালিকার খাবারের মধ্যে পায়েস একটি অন্যতম খাবার৷ আমি সবসময় পায়েশ খেতে পছন্দ করি৷ আপনি খুবই সুন্দরভাবে এই পায়েশ তৈরির পদ্ধতিগুলো শেয়ার করেছেন৷ আমিও আপনার এ পদ্ধতিগুলো থেকে এই পায়েস তৈরি করার চেষ্টা করব৷ আরো একটি বিষয় আপনি এখানে যে চাউলটি ব্যবহার করেছেন সেই চাউলের নাম আমি এই প্রথম শুনেছি৷
পায়েস খেতে আপনি খুবই পছন্দ করেন জেনে ভালো লাগলো ভাইয়া। চেষ্টা করলে আপনি অবশ্যই এই পায়েস তৈরি করতে পারবেন। সেটি সহজ পদ্ধতিতেই তৈরি।
আপনার কাউন চালের পায়েসের রেসিপিটি খুবই চমৎকার হয়েছে । অনেক ছোটবেলায় এই চাউলের পায়েস খেয়েছিলাম মনে হচ্ছে । তবে টেস্ট কেমনটা মনে নেই। আপনার রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে খেতে বেশ সুস্বাদু হবে ।ধন্যবাদ আপনাকে।
এটা খেতে খুবই সুস্বাদু ও মজাদার। ধন্যবাদ ভাইয়া।
মিষ্টি জাতীয় খাদ্য খাবার আমার খুব ভালো লাগে। বেশি করে দুধ দিয়ে পায়েশ রান্না আমার খুব পছন্দের। কিন্তু কাউনে চাল কি আমি সেটা চিনি না। এর আগে কখনো কাউনের চাল দেখিনি।আপনি পোস্টে প্রতিটি ধাপ সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। যদি কেউ রেসিপিটা তৈরি করার চেষ্টা করে তাহলে তার জন্য সহজ হবে। ধন্যবাদ আপু।
কাউন চালের আঞ্চলিক নাম ভুরোর চাউল। ধন্যবাদ ভাইয়া।
ওহ আচ্ছা বুঝলাম। ধন্যবাদ আপু বিষয়টা বলার জন্য।
আপনি আজকে আমাদের মাঝে অসাধারণভাবে তৈরি করে শেয়ার করেছেন সুস্বাদু কাউন চালের পায়েস। আসলে এই রেসিপি অনেক খেয়েছি খেতে বেশ মজাই লাগে। আপনার তৈরি রেসিপি দেখেও তো খেতে ইচ্ছে করছে। আপনি বেশ সুন্দরভাবে রেসিপি তৈরির প্রতিটি স্টেপ আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট তৈরি করে শেয়ার করার জন্য।
আমার রেসিপি পোস্টে এত সুন্দর মতামত করার জন্য ধন্যবাদ।