ভ্রমন:-চট্টগ্রাম ডিসি পার্ক এ কাটানো সুন্দর কিছু মুহূর্ত (পর্ব৫)
হ্যালো সবাইকে
কেমন আছেন সবাই ?আশা করি ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। চট্টগ্রাম ডিসি পার্ক এ কাটানো সুন্দর কিছু মুহূর্ত আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে।
আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। ঘোরাঘুরি করতে আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। সেজন্য সবসময় চেষ্টা করি আপনাদের মাঝে আমার ঘোরাঘুরি করার মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য। যখনই সম্ভব হয় তখনই ঘোরাঘুরি করতে বেরিয়ে পড়ি কিন্তু মাঝেমধ্যে বিভিন্ন সমস্যার কারণে বেরোনো হয় না। বেশ কিছুদিন আগে আমি শীতের মধ্যেই ডিসি পার্কে গিয়েছিলাম ঘোরাঘুরি করার জন্য সেখানে গোটা একটা দিন কাটিয়েছি। যদিও এর মধ্যে ডিসি পার্কে ঘোরাঘুরি করার বেশ কিছু পর্ব আপনাদের মাঝে এবং বেশ কিছু মুহূর্ত শেয়ার করা হয়েছে। আজকে আরও একটি নতুন পর্ব নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম। এই পর্বেও ডিসি পার্ক কাটানোর সুন্দর কিছু মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করব।
আসলে ডিসি পার্ক এত বড় যে প্রত্যেকটা কোনায় কোনায় ভিন্ন ভিন্ন জিনিস রয়েছে। বিভিন্ন সৌন্দর্য লুকিয়ে রয়েছে প্রত্যেকটা জিনিস দেখতে এবং বিষয়গুলো বুঝতে অনেক সময় লেগেছে। আমরা বেশ সময় নিয়ে পুরোটা পার্কের প্রত্যেকটা কোনা কোনা প্রতিটা জায়গায় ঘুরে ঘুরে দেখেছি। এই পর্বে আমি শেয়ার করব বড় একটা পুকুরের চারপাশে আর এর মধ্যে অনেক সুন্দর ডেকোরেশন করেছিল।পুকুরের পাড়ে হেঁটে হেঁটে দেখছিলাম সবকিছু। পুকুর পাড়ে বিস্তৃত হওয়া আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছিল। সেজন্য অনেক বড় পুকুর পাড়ে মধ্যে হেঁটেছি। আমার ভালো লেগেছে পুকুর পাড়ে তার পাশে এক এক জায়গায় ডিজাইন করেছে কোন অংশে ফুল ও বাগান রেখেছে। তাছাড়া আবার কোন অংশে বসার জন্যই ব্যবস্থা করেছে তাতে মানুষ সুন্দর এই দৃশ্যগুলো উপভোগ করতে পারে বসে বসে।
সুন্দর মুহূর্তগুলো উপভোগ করে সেখানে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটি সামনের দিকে আসতে চোখে পড়ল এই সুন্দর একটি পুতুল। যার ভিতরে রয়েছে একটা মানুষ। আসলে পুতুলের পোশাক পরেই মানুষটা পার্কের মধ্যে ঘুরে ঘুরে ছোট বাচ্চাদেরকে এবং মানুষদেরকে বিনোদন দিচ্ছে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের পর্যটক কেন্দ্র এবং পার্কের এ ধরনের পুতুল থাকে। যারা মানুষকে বিনোদন দেওয়ার জন্য গান গায়েন আছে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করে যাতে মানুষরা তার প্রতি আকর্ষিত হয় এবং মজা করে। বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা এত বড় একটা পুতুল দেখে যেটা হাঁটতে পারে কথা বলতে পারে দেখে অনেক বেশি আকর্ষিত হয়। তবে এই যে পুতুলটা কথা বললে বিভিন্ন ধরনের মজা করে মানুষদের সাথে কোনটাই কিন্তু ফ্রিতে নয়।
সাথে যারা মজা করে তাদের মধ্যে যারা গার্ডিয়ান আছে অর্থাৎ ছোট বাচ্চাদের বড় মানুষরা থাকলে তখন এই পুতুলটা তাদের কাছে টাকা চায়। স্বাভাবিক ব্যাপার সে যে বৃষ্টিতে ডিজে রোদে শুকিয়ে সারাক্ষণ পরিশ্রম করেই মোটা পোশাকের ভিতর থেকে সবাইকে বিনোদন দেয় তাহলে তো কষ্ট হয়। সে তার পারিশ্রমিক হিসেবে এই টাকাটা নিয়ে থাকে। সেখানে যে যা খুশি হয়ে থাকতে দেয় সে তাই না। আমরা সেখানে ছিলাম আমরা সেখানে তার সাথে মজা করছিলাম এবং আমাদের সাথে যারা গিয়েছিল তারা বেশ ছবিও তুলেছিল। ছোট বাচ্চারা ছিল তারাও বেশ মজা করেছে। তখন আমাদের থেকে তাদের তাকে ১০০ টাকা দেওয়া হয়েছিল বকশিশ হিসেবে।
পুতুল এর দুষ্টুমি করে এবং বেশ ভালো সময় কাটিয়ে আবারো ঘোরাঘুরি উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। হাঁটতে হাঁটতে আবারো একটা জায়গায় এসে দাঁড়ালাম এবং রাস্তার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের খেজুর গাছ এবং বিভিন্ন জিনিস দিয়ে ডেকোরেশন করা ছিল। রাস্তাটা দেখতে বেশ সুন্দর তখন ছিল। শীতকালে খেজুর গাছগুলি থেকে খেজুরের রস আহরণ করছিল সেখানে ভালো লেগেছে। এরপর অনেকটা হাঁটাহাঁটি করার পর পুকুর পাড়ে এসে বসলাম আর সেখানে বসে বেশ ভালো সময় অতিবাহিত করেছি। পুকুরপাড়ের এই সুন্দর দৃশ্য পুকুর বলা যায় কিনা জানিনা এই পুকুর গুলো অনেক বড় বড় ছিল আর হালকা বাতাস মিষ্টি রোদের মধ্যে সেখানে বসে বেশ ভালোই সময় কাটিয়েছি। এ ছিল আজকের পর্ব বাকি পর্ব গুলো খুবই তাড়াতাড়ি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।।
| শ্রেণী | ট্রাভেল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @fasoniya |
| ডিভাইস | Vivo Y15s |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমার নাম ফারজানা আক্তার সোনিয়া। আমি বাংলাদেশী।আমি বর্তমানে লেখাপড়া করি আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি আর্ট করতে ভালোবাসি আর যখনই সময় পাই তখনই আর্ট করি।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুবই ভালোবাসি । যখনই কোথাও খুব সুন্দর কিছু আমার চোখে পড়ে আমি ফটোগ্রাফি করে ফেলি। এছাড়াও আমি ক্রাফট তৈরি করে থাকি । বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকি রান্না করতে অনেক পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে । আমার ছোট ছোট দুইটা ভাই আছে। আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে যেগুলো স্টিমিট এ কাজ করে পূরণ করতে চাই।
https://x.com/APatwary88409/status/1898339542866014665?t=shEq5gfXELtbvQ2tXbyS3g&s=19
আপনি আজকে আমাদের মাঝে চট্টগ্রাম ডিসি পার্কে কাটানো আরো একটা সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করেছেন এটা দেখেই ভালো লেগেছে। এক এক করে অনেক সুন্দর করে সবগুলো পর্ব শেয়ার করছেন। আপনার কাটানো এই মুহূর্তটাও ছিল দারুন। বেশ ভালোই উপভোগ করলাম আপনার পোস্টটা পড়ে।
চট্টগ্রাম ডিসি পার্ক জায়গাটি দেখতে এমনিতে চমৎকার। ডিসি পার্ক আমি নিজেও গেলাম ঘুরতে। তবে এখানে পুতুলের ড্রেস পড়ে মানুষটি মানুষকে বিনোদন দিচ্ছে এই কারণে মনে হয় ছোট বাচ্চারা অনেক খুশি হয়েছে। আর পার্কে গেলে এমনিতে একটু বিনোদন হলে ভালোই লাগে। তবে আপনার ডিসি পার্কের পঞ্চম পর্বটি দেখে বেশ ভালো লাগলো।