বাইরে ঘুরতে যাওয়ার কিছু মুহূর্ত।
হ্যালো সবাইকে
কেমন আছেন সবাই ?আশা করি ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। বাইরে ঘুরতে যাওয়ার কিছু মুহূর্ত আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে।
আজকে আবার আরেকটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি। বাইরে ঘুরতে যাওয়ার কিছু মুহূর্তই আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে এসেছি। আসলে মন ভালো করার জন্য বাইরে ঘুরতে যাওয়া বিভিন্ন মানুষের সাথে মেলামেশা করা প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করা খুবই প্রয়োজন। কারণ বাড়িতে থাকতে থাকতে চারদিকে একই মানুষ বিভিন্ন ধরনের ঝামেলা সবকিছু মিলিয়ে মানুষ একঘেয়েমি মধ্যে পড়ে থাকে মানুষের জীবনে। এই একঘেয়েমি ভাব দূর করার জন্য বাইরে ঘুরতে যাওয়া খুবই প্রয়োজন। নিজের মনকে ভালো রাখার জন্য সুস্থ রাখার জন্য আমি মনে করি বাইরে ঘোরাঘুরি করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
দুপুর করে বাইরে বেরোলাম বাড়ি থেকে। দুপুরের খাওয়া-দাওয়া করে বেরোলাম কিন্তু বাইরে অনেক বেশি রোদ আর অনেক গরম। অনেক বেশি গরম পড়ছে তার উপরে লোডশেডিং খুবই খারাপ অবস্থা হয়ে গেছে আমাদের। এতটাই গরম পড়ছে যে নরমাল পানি তো খাওয়া যায় না ফ্রিজে ঠান্ডা পানি ছাড়া। আমরা বেরিয়েছিলাম রাস্তায় দাঁড়ানো যাচ্ছেনা এতটাই রৌদ আর গরম। গরম পড়ছে বৃষ্টির দেখা নেই মনে হচ্ছে না এই বছর তেমনটা বৃষ্টি হবে। সেজন্য অধীর আগ্রহে শীতের জন্য অপেক্ষা করে আছি কবে শীত আসবে কবে একটু শান্তি পাব।
রাস্তার পাশে হঠাৎ দেখতে পেলাম কাঁকড়া বিক্রি করছিল একটা দোকানে। দূর থেকে কাঁকড়া গুলো দেখতে অনেক বেশি লোভনীয় লাগছিল সেজন্য গাড়ি দাঁড় করিয়ে সেখানে কাঁকড়া খাওয়ার আবদার করে ফেললাম। এরপর গাড়ি থেকে নেমে সবাই মিলে সেখানে কাঁকড়া খেতে বসলাম। কাঁকড়া খেতে অনেক মজাদার ছিল খুবই মসলাদার ছিল সাথে সস আর শশা দিয়েছিল। সব মিলিয়ে এই কাজগুলো খেতে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। রাস্তার পাশে খাওয়ার অসাস্থকর করে তবে খেতে কেন জানি এত মজা লাগে সেটা বলে বোঝানো সম্ভব না। আসলে সব সময় নিজের জন্য যে এই জিনিসটা ক্ষতিকর সেই জিনিসটা আমাদের বেশি আকর্ষণ করে।
খাওয়ার পর অনেক জায়গায় ঘোরাঘুরি করলাম বেশ ভালো লাগলো প্রাকৃতিক পরিবেশে ফ্রেশ বাতাস অনুভব করতে আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। কেন জানি অনেক মূল্যবান লেগেছে এই বাতাস গুলো। গাড়িতে করে যাওয়ার সময় একটা হিন্দু এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলাম। এক বড় একটি মন্দির ছিল এই দুপুরবেলা মন্দিরের মধ্যে পূজো হচ্ছিল অনেক মানুষ বসে ছিল মন্দিরে। অনেক মহিলা বসে বসে পূজো করছিল দেখে অনেক ভালো লাগলো। এরকম মন্দিরে পূজা আগে আমি কখনো দেখিনি।
কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করার পর আবারো খিদে পেয়ে গেল। আসলে ঘুরতে যাওয়া মানেই খাওয়া দাওয়া আর ঘুরাঘুরি। তো একটা রেস্টুরেন্টে গেলাম খাওয়ার জন্য আর যেখানে ফুচকা আছে সেখানে তো অন্য কোন কিছুর জায়গায় নেই। রাস্তার পাশে বসে দোকানের মধ্যে ফুচকা খেলাম। রাস্তার পাশে দোকান হলেও সেখানে বসার বিভিন্ন ব্যবস্থা ছিল সেখানে বসে ফুচকা গেলাম সবাই মিলে। এরপরে গরমের মধ্যে ঠান্ডা কিছু খেতে ইচ্ছে করছিল সেজন্য পাশের একটাই বড় রেস্টুরেন্টে গিয়ে আমরা লাচ্ছি খেলাম।
এরপর পাশেই একটা জায়গা ছিল খুবই সুন্দর জায়গা। সেখানে মানুষ নৌকায় উঠে ঘুরাঘুরি করে আমিও নৌকায় ওঠার জন্য বললাম। এই নিয়ে দ্বিতীয় বার নৌকায় উঠলাম বেশ ভালোই লেগেছে। প্রথমে ভয় লাগে তারপর অনেক ভালো লাগে। নৌকায় উঠে নদীর ঢেউ খুবই ভালো লাগলো। ইচ্ছে করছিল বিভিন্ন ভিডিওতে দেখতে পাই নৌকা থেকে পানি ছুঁয়ে পানি ধরছিল। ওইভাবে পানি ধরার চেষ্টা করছিলাম কিন্তু ভয়ে আর পারছিলাম না। যাই হোক সব মিলিয়ে এই দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বেশ ভালই লেগেছে। মনটা অনেক বেশি সতেজ হয়েছে আশা করছি আপনাদের কাছেও ভালো লাগবে।
| শ্রেণী | জেনারেল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @fasoniya |
| ডিভাইস | Vivo Y15s |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমার নাম ফারজানা আক্তার সোনিয়া। আমি বাংলাদেশী।আমি বর্তমানে লেখাপড়া করি আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি আর্ট করতে ভালোবাসি আর যখনই সময় পাই তখনই আর্ট করি।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুবই ভালোবাসি । যখনই কোথাও খুব সুন্দর কিছু আমার চোখে পড়ে আমি ফটোগ্রাফি করে ফেলি। এছাড়াও আমি ক্রাফট তৈরি করে থাকি । বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকি রান্না করতে অনেক পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে । আমার ছোট ছোট দুইটা ভাই আছে। আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে যেগুলো স্টিমিট এ কাজ করে পূরণ করতে চাই।
https://twitter.com/Farjana47240232/status/1664291125866397696?t=dvTw1dQzXqV_YBKEkParfg&s=19
একদম ঠিক বলছেন আপু আসলে গরমের মধ্যে সবারই এক নাজেহাল অবস্থায় পড়ে গেছে। আর বেশি দিন ঘরের ভিতরে থাকলে কেমন জানি দম বন্ধ হয়ে আসে। তাই বাইরে গিয়ে একটু ঘোরাফেরা করে আসলে এবং ভিন্ন কিছু খেয়ে আসলে বেশ ভালই লাগে। আপনারা দুপুরে গেছেন তাই রোদে একটু বেশি হতে পারে। তাছাড়া বেশ মজার মজার খাবার খেলেন বিশেষ করে কাঁকড়া খেলেন বেশ ভালই লাগলো।
আমারও এরকম হয় বেশি দিন বাড়িতে থাকলে যেন দম বন্ধ হয়ে আসে । অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু আমার এই পোস্টটি পড়ে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
নিজের মনকে ভালো রাখার জন্য এবং সুস্থ রাখার জন্য ঘোরাঘুরি করা উচিত এটা আমিও মনে করি। ঘোরাঘুরি করলে মনটাও একেবারে ভালো থাকে এবং অন্যরকম একঘেয়েমি ভাব লাগেনা আর। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করতে তো আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। বেশ ভালোই খাওয়া দাওয়া হয়েছিল ঘুরাঘুরি করতে গিয়ে দেখে বুঝতে পারছি। এটা কিন্তু ঠিক বলেছেন ঘুরতে যাওয়া মানেই খাওয়া দাওয়া আর ঘুরাঘুরি। সব মিলিয়ে আপনার কাটানো মুহূর্তটা খুব ভালোই উপভোগ করলাম।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্য করে উৎসাহিত করার জন্য। ঘোরাঘুরি করলে মন ভালো হয়ে যায় সেজন্যই মাঝেমধ্যে ঘোরাঘুরি করা।
আপু বাহিরে গিয়ে ঘুরাঘুরি করে অনেক মজার মজার খাবার খেয়েছেন। সেই সাথে অনেক প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করলেন। আসলে এখন বাহিরে যে পরিমান গরম পরছে বের হতেই ভয় লাগে। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দারুণ ছিল। ধন্যবাদ আপু।
আপনি একদম ঠিক কথা বলেছেন এত বেশি গরম যে কোন কিছু করতে তো ভালো লাগে না আর বাইরে বেরোতে অনেক ভয় লাগে এত রোদ বাইরে। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।