গল্প:- বিকেল বেলা বাজারে

in আমার বাংলা ব্লগ3 years ago

হ্যালো সবাইকে

কেমন আছেন সবাই ?আশা করি ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। বিকেল বেলা বাজারে যাওয়ার গল্প আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে।

B612_20231005_230527_827.jpg

আজকে আমি আপনাদের মাঝে আর একটি গল্প নিয়ে হাজির হলাম। গল্প লিখতে এবং গল্প পড়তে দুটোই আমার ভালো লাগে। সেজন্য মাঝে মাঝে আপনাদের মাঝে গল্প শেয়ার করার চেষ্টা করি। আমার আজকের গল্পটি হলো ভূতের গল্প। অন্যান্য গল্প থেকে ভূতের গল্প আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। পড়তে যদিও এখন ভূতের গল্প খুবই কম পড়া হয়। আগে একটা সময় অনেক বেশি ভূতের গল্প করা হতো। এখন কেন যেন ভুতের গল্প পড়তেও যেন ভয় লাগে। যাই হোক তাহলে শুরু করা যাক আজকের গল্পটা। একটা মধ্যবর্তী পরিবারে একমাত্র ছেলে সে বাইরে কাজ করে। কাজে সূত্রে সে বাইরেই থাকে পরিবারের মা-বাবা আর ছেলে ছাড়া কেউ নেই।

মা বাবা একা থাকে বাড়িতে ছেলে কাজে জন্য বাইরে থাকে। কিছু দিন ধরে বাবা অনেক বেশি অসুস্থ ছিল। তার মা বলছিল ছেলেকে দেখতে আসতে তার বাবাকে।ছেলে তখন বলছিল ছুটি থাকলে তখন বাড়িতে আসবে। এইভাবে কিছুদিন চলতে থাকে। তারপর একদিন মা আবার কল দিল বলল তার বাবার শরীর অনেক খারাপ তারাতারি বাড়িতে আসতে।তখন ছেলেটি ছুটি নিয়ে বাড়িতে এসেছে বাবাকে দেখতে। বাড়িতে এসে মা ছেলে কে দেখে অনেক খুশি হয়ে যায়।এরপর তারা একসাথে কথা বার্তা বলেই তার মা-বাবার সাথে ছেলেটি অনেকটা সময় কাটায়। হঠাৎ করে তার মা বলে উঠলো বাজারে যেতে হবে তার বাবার ওষুধ নিয়ে আসতে বাজার থেকে।

এরপর ছেলেটি তার মার কথা শুনে বাজারে গেলে বাবার জন্য ওষুধ নিয়ে আসতে। বিকেলবেলা বাজারে যাওয়াতে শীতকালের দিন ছিল দিন খুবই ছোট ছিল। বাজার থেকে বাজার করে ওষুধ কিনে ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে যায়। গ্রামের এলাকা সেখানে দিনের বেলা গাড়ি পাওয়া গেলেও রাতের বেলা গাড়ি পাওয়া যায় না খুবই কম পাওয়া যায় গাড়ি। বাজার করে ফেরার পথে ছেলেটা কিছুক্ষণ গাড়ির জন্য অপেক্ষা করে কিন্তু গাড়ি না পেয়ে চিন্তা করে হেঁটে হেঁটে চলে যায়। অনেকদিন পর গ্রামে এসেছি হাঁটতে হাঁটতে গ্রামটাও দেখা হয়ে যাবে। এই বলে ছেলেটা হাঁটতে শুরু করে বাড়ির উদ্দেশ্যে। হাঁটতে হাঁটতে অনেকটাই হাটে তাদের বাড়ি গ্রাম থেকে অনেকটা দূরে। হাঁটতে হাঁটতে অনেকটাই সময় লেগেছে এবং সে বাড়ি আসার আগেই সন্ধ্যা হয়ে যায়।

হাঁটতে হাঁটতেও ছেলেটা গাড়ির অপেক্ষায় রয়েছে। আশেপাশে দেখছে গাড়ি আসছে কিনা কিন্তু একটাও গাড়ি আসছিল না। হাঁটতে হাঁটতে একটা সময় ছেলেটা বড় একটা বট গাছের কাছে চলে যায়। সেখানেই বট গাছের নিচে অনেকটা জায়গা ছিল। অনেক পুরনো বটগাছ অনেকটা হাটার পর ছেলেটা হাফিয়ে যায়। সেজন্য সেখানে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বসে আর রাতটাও যেন ভারী হয়ে এসেছে। বট গাছের নিচে কিছুক্ষণ বসে সেখানেও গানের জন্য অপেক্ষা করে কিন্তু গাড়ি আসেনি। এরপর ছেলেটা আবার বাড়ির উদ্দেশ্যে হাটতে শুরু করে। হাঁটতে হাঁটতে একটা জঙ্গলের পাশ দিয়ে যেতে থাকে জঙ্গলের ভিতর দিয়ে যায়নি জঙ্গলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। জঙ্গলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় রাতটা যেন অনেক গভীর হয়ে গেল আর পাশ থেকে অনেক ধরনের বিকট আসছে ছেলেটা খুবই ভয় পেয়ে যায়।

এরপর ছেলেটা ভয় পায় সামনে দিকে এগোতে থাকে। যত হাঁটছিল তত যেন ভয় তাকে কাবু করতে লাগছিল। তার কাছে মনে হচ্ছিল পিছন দিয়ে কেউ হাঁটছিল। এর ছেলেটা বাড়ির পাশে এসেই অজ্ঞান হয়ে যায়। এদিকে তার মা-বাবা দুজনে বাড়িতে অপেক্ষা করছিল আর খুবই চিন্তা করছিল রাত হয়ে গেল ছেলেটা বাজার থেকে এখনো ফেরেনি। অপেক্ষা করতে করতে যখন ছেলেটার মা বাড়ির সামনের দিকে একটু এগিয়ে আসে। তখন দেখে তার ছেলে পড়ে আছে তখন মা ছেলে কে ঘরে নিয়ে এলো। ছেলের জ্ঞান আসার পর সব কিছু বুঝিয়ে বল। তখন তার মা বলছিল ওই বাগানটা খুবই খারাপ সেখান দিয়ে মানুষ আসা যাওয়া করতে পারবে মানুষটাকে অদৃশ্য কিছু দেখতে পায়। এই ছিল আমার আজকের গল্প আশা করি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।

পোস্ট বিবরণ

শ্রেণীজেনারেল
ফটোগ্রাফার@fasoniya
ডিভাইসVivo Y15s
লোকেশনবাংলাদেশ


আমার পরিচয়

1664774022741.jpg

আমার নাম ফারজানা আক্তার সোনিয়া। আমি বাংলাদেশী।আমি বর্তমানে লেখাপড়া করি আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি আর্ট করতে ভালোবাসি আর যখনই সময় পাই তখনই আর্ট করি।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুবই ভালোবাসি । যখনই কোথাও খুব সুন্দর কিছু আমার চোখে পড়ে আমি ফটোগ্রাফি করে ফেলি। এছাড়াও আমি ক্রাফট তৈরি করে থাকি । বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকি রান্না করতে অনেক পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে । আমার ছোট ছোট দুইটা ভাই আছে। আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে যেগুলো স্টিমিট এ কাজ করে পূরণ করতে চাই।


1 (1).png

IMG-20221013-WA0015.jpg

Sort:  

Thank you, friend!
I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
image.png
please click it!
image.png
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)

The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.

 3 years ago 

আপনার বিকেল বেলা বাজারে যাওয়ার কাহিনী পড়ে খুব আর লাগলো আপু। আসলে মানুষ রাত্রে বেলায় একা চলাফেরা করতে বেশ ভয় পাই। ভয় পাওয়ার কারণে হয়তো ছেলেটি অজ্ঞান হয়ে পড়েছে। এত সুন্দর পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।

 3 years ago 

আমার আজকের এই গল্প আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুবই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।

 3 years ago 

আমার কাছে এরকম ভূতের গল্প গুলো পড়তে অনেক বেশি ভালো লাগে। আপনি অনেক সুন্দর একটা ভূতের গল্প আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ওই জঙ্গলটা দেখছি অনেক খারাপ ছিল। আর গ্রামের সবাই ওখান দিয়ে গেলে অদৃশ্য কিছু একটা দেখতে পেত আর ওই ছেলেটাও এরকম কিছু দেখতে পেয়েছিল। যাই হোক ছেলেটা সুস্থ মতো বাড়িতে ফিরতে পেরেছিল এটাই অনেক। আপনার লেখা গল্পটা অনেক সুন্দর ছিল।

 3 years ago 

আপনার কাছে ভূতের গল্প ভালো লাগে জেনে খুবই ভালো লাগলো। আমিও ভূতের গল্প অনেক বেশি পড়তে পছন্দ করি। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।

 3 years ago 

ভুতুড়ে গল্প পড়তে এবং দেখতে আমার কাছে ভয় লাগে, আবার মাঝে মাঝে পড়ে থাকি। আসলে ভয় লাগলেও দেখতে এবং পড়তে ইচ্ছে করে অনেক বেশি। ছেলেটা অনেকদিন পর গ্রামে আসার কারণে সে ওই বাগানটার সম্পর্কে জানতে পারেনি প্রথমে। তবে তার মা সবশেষে তাকে বলেছিল। নিশ্চয়ই ছেলেটা ওই অদৃশ্য জিনিসটাকে দেখেছিল, সেজন্য অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল বাড়ির পাশে এসে।

 3 years ago 

আপনি গল্প পড়ে সুন্দর একটি মন্তব্য করেছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো।

 3 years ago 

এরকম অনেক জায়গা আছে যেগুলোর পাশ দিয়ে হাঁটতে বিকট শব্দ হয়। এবং মনে হয় পিছন থেকে কেউ তাকে ডাকছে বা পিছনে কেউ হাঁটতেছে। ছেলেটি ভয় পেয়ে সত্যি অজ্ঞান হয়ে পড়েছে। এরকম ভয় পেলে অনেক সময় মানুষ মারা পর্যন্ত দেয়। আর শীতকালে বিকাল বেলা এমনিতে অনেক ছোট থাকে। যাইহোক খুব সুন্দর করে গল্পটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

হুম আমাদের আশেপাশে অনেক ভয়ংকর জায়গা রয়েছে যেগুলোর পাশে দিয়ে যেতে এরকম ভয় লাগে সবসময়। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।

 3 years ago 

এরকম গল্প গুলো পড়তে আমার কাছে অনেক ভয় লাগে। ছেলেটির বাবা অসুস্থ এই কারণে বাজারে গেলেন। তবে শীতকালে বিকেল বেলা সময় খুব কম থাকে কারণ কিছুক্ষণের মধ্যে অন্ধকার হয়ে যায়। এক পর্যায়ে বাজার থেকে ছেলেটি একা আসতেছে অন্যদিকে ছেলেটির কাছে ভয় লাগতেছে। আসলে অনেক সময় এরকম ভয় লাগলে মনে হয় পিছন থেকে কেউ আসতেছে এবং অনেক সময় শব্দ হয়। এই কারনে বয়স ছেলেটিও অজ্ঞান হয়ে পড়েছে। খুব সুন্দর করে গল্পটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

ভূতের রহস্যময় গল্পগুলো পড়তে সবসময়ই ভালো লাগে। আপনার কাছে ভালো লাগে জেনে খুবই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি কমেন্ট করার জন্য।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.103
BTC 63354.28
ETH 1882.19
USDT 1.00
SBD 0.37