ক্ষুধার্ত পেট এবং খালি পকেট মানুষকে অনেক কিছু শেখায় ।
হ্যালো সবাইকে
কেমন আছেন সবাই ?আশা করি ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি । আজকে আপনাদের সাথে কিছু কথা শেয়ার করব। ক্ষুধার্ত পেট এবং খালি পকেট মানুষকে অনেক কিছু শেখায়। আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে।
মানুষের চলার পথে বাস্তবিক জীবন অনেক বেশি কঠিন । বাস্তবিক জীবনে অনেক কিছু শেখা যায় । কিছু কিছু শিক্ষা আছে যেগুলি কোন বইয়ের মধ্যে পাওয়া যায় না । স্কুল, কলেজ ও ভার্সিটিতে পড়াশোনা করে মানুষ অনেক কিছু শিখতে পারে কিন্তু বাস্তবিক জীবনের কিছু শিক্ষা রয়েছে যেগুলি স্কুল কলেজ এবং ভার্সিটিতে পাওয়া যায় না । আমরা বলে থাকি মানুষ ধাক্কা খেতে খেতে পাকা হয় । ঠিক তেমনিভাবে মানুষ বাস্তবিক জীবন থেকে অনেক বেশি শিখতে পারে ।
আজকে আপনাদের সাথে যে বিষয় নিয়ে আমি আলোচনা করব আশা করছি আপনারা টাইটেল দেখে বুঝতে পেরেছেন । ক্ষুধার্ত পেট এবং খালি পকেট একটি মানুষের জীবনে অনেক কিছু শিখিয়ে দিতে পারে । সে শিক্ষা স্কুল, কলেজ ও ভার্সিটি থেকেও পাওয়া যাবে না । যে ব্যক্তির ক্ষুধার্ত পেট সেই জানে এই পৃথিবী কত কঠিন এবং যে ব্যক্তির খালি পকেট সেই বলতে পারবে এই পৃথিবী কতটা নিষ্ঠুর ।
ক্ষুধার্ত পেট এবং খালি পকেট নিয়ে যখন একটি মানুষ চলাফেরা করবে তখন সে বুঝতে পারবে এই পৃথিবী অনেক কঠিন এবং অনেক নিষ্ঠুর । যতক্ষণ পর্যন্ত সে কারো থেকে কোন সাপোর্ট পাবে না ততক্ষণ পর্যন্ত সে বুঝবে বাস্তবতা কত কঠিন । ঠিক সেই রকম একটি ঘটনা আমার একটা বন্ধুর কাছ থেকে শুনেছিলাম অনেকদিন আগে । যে ঘটনাটি তার সাথে ঘটেছিল এবং সেই বিস্তারিত আমাকে বলল । আমি হয়তোবা তার মতো করে সম্পূর্ণ ব্যাখ্যাটা ফুটিয়ে তুলতে পারতেছিনা তবে যতটুকু বুঝলাম বা যতটুকু শিখলাম তার কিছু অংশ আপনাদের সবার মাঝে শেয়ার করতেছি ।
আমার সেই বন্ধু মালয়েশিয়া থাকতো । স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে মালয়েশিয়া গিয়েছিল পড়াশুনা করার জন্য । কিন্তু পরবর্তীতে সেখানে গিয়ে অনেক কষ্ট করতে হলো এমনও দিন কেটেছে না খেয়ে । কিছু কিছু সময় রাস্তায় দিন কাটিয়েছে খাওয়া-দাওয়া টাকা-পয়সার কিছুই ছিল না । তার বাস্তবিক অভিজ্ঞতা থেকে কিছু অভিজ্ঞতা আমার সাথে শেয়ার করলো । আসলে যেটা বুঝতে পারলাম ক্ষুধার্ত পেট এবং খালি পকেট মানুষকে অনেক কিছু শেখায় তবে যার সাথে ঘটেছে সেই বলতে পারবেন এটা কত কঠিন । সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের মত আমার পোষ্ট এখানে শেষ করলাম ভালো থাকবেন সবাই ।
আমার পরিচয়
আমার নাম ফারজানা আক্তার সোনিয়া। আমি বাংলাদেশী।আমি বর্তমানে লেখাপড়া করি আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি আর্ট করতে ভালোবাসি আর যখনই সময় পাই তখনই আর্ট করি।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুবই ভালোবাসি । যখনই কোথাও খুব সুন্দর কিছু আমার চোখে পড়ে আমি ফটোগ্রাফি করে ফেলি। এছাড়াও আমি ক্রাফট তৈরি করে থাকি । বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকি রান্না করতে অনেক পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে । আমার ছোট ছোট দুইটা ভাই আছে। আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে যেগুলো স্টিমিট এ কাজ করে পূরণ করতে চাই।
বলা হয়ে থাকে বাপের হোটেল থেকে বের হয়ে গেলে বুঝা যায় এক মুঠো ভাতের মূল্য এই পৃথিবীতে কত? আসলে পৃথিবীর বাস্তবতা বুঝতে হলে খালি পকেট এবং ক্ষুদার্থ পেট নিয়ে কয়েক ঘন্টা চললে প্রকৃতির বাস্তবতা বুঝা যায়। পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো। বাস্তব বিষয় উপর সুন্দর উপস্থাপন করেছেন। পৃথিবীতে বেঁচে থাকা এতটা সোজা নয়। সকল প্রতিকূলতার বাঁধা ফিরিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হয়। পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
ঠিকই বলেছেন যতক্ষণ মাথার উপর বাবার হাত থাকে ততক্ষণই দুনিয়াটা সুন্দর। এরপর যখন সবকিছু নিজের উপর এসে তখনই বোঝা যায় দুনিয়াটা কত কঠিন। পৃথিবীতে বাঁচতে হলে কত সংগ্রাম করে বাঁচাতে হয়।
আপু আপনার বন্ধু মালয়েশিয়া তে থাকা অবস্থায় যে ঘটনা গুলো ঘটেছে তা সত্যিই দুঃখজনক। পকেটে টাকা না থাকলে খাওয়া যেমন জোটে না, তেমনি থাকারও জায়গা হয় না। এহেন অবস্থায় আপনার বন্ধু খুবই দুর্বিসহ দিন যাপন করেছিল। শুনে খুব খারাপ লাগলো। যাইহোক আপু আপনার বন্ধুর ঘটনাটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ঠিকই বলেছেন বর্তমানে সুন্দরভাবে বাঁচতে হলে টাকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ধন্যবাদ সুন্দর একটি কমেন্ট করে পাশে থাকার জন্য।
শুধু স্কুল কলেজ কিংবা ভার্সিটি থেকে নয় মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শিক্ষা শেষ নেই এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের ও শেষ নেই। আপনি ঠিক বলছেন আসলে মানুষ ধাক্কা খেতে খেতে পাকা হয়ে যায়। প্রতিনিয়ত নিজের বাস্তবতা থেকে শিখতেই থাকে। তেমনি ক্ষুধার্ত পেট কিংবা খালি পকেটেও মানুষ তার অনেক কিছু শিখতে পারে। খালি পকেটে মানুষকে কেউ মূল্যায়ন করে না তেমনি একজন ক্ষুধার্ত ব্যক্তি যখন অন্যের কাছে হাত পাতে তখন ভালো মন্দ চিনতে পারে কে ভাল মানুষ কে খারাপ মানুষ। আপনার লেখা পড়ে অনেক ভালো লেগেছে।
আসলে মানুষ ধাক্কা না খেলে খেলে বাস্তবতা বুঝতে পারে না। বুঝতে পারে না চারদিকের মানুষ কত খারাপ। খুব ভালো লেগেছে শুনে যে আপনি আমার পোষ্টটি পড়েছেন। ধন্যবাদ সুন্দর একটি কমেন্ট করে পাশে থাকার জন্য।
কথাগুলো একদমই বাস্তব।
শুন্য পকেট জীবনের সবথেকে বড় অনুপ্রেরণা, একমাত্র এর মাধ্যমে মানুষ চেনা যায়। এই শূন্য পকেট মানুষকে সঠিক রাস্তা বলে দেয়। আপনার বন্ধুর জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা সত্যিই খারাপ লাগলো শুনে।
ঠিকই বলেছেন শূন্য পকেট সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। কারণ এখান থেকে সবকিছু করার ইচ্ছে জাগে। ধন্যবাদ সুন্দর একটি কমেন্ট করার জন্য।
স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় এ তো শুধু পুঁথিগত শিক্ষা দেওয়া হয়, কিন্তু বাস্তবিক শিক্ষা ধাক্কা খেতে খেতে শিখতে হয়। আর আপনি যতক্ষণ না পর্যন্ত ধাক্কা খাবেন তত সময় পর্যন্ত আপনি বাস্তববাদী হতে পারবেন না।
অবশ্য বিদেশ যারা যায় তাদের প্রত্যেকেরই কষ্ট হয়। বাস্তবতা কাকে বলে সেটা হয়তো তাদের থেকে কেউ ভালো বলতে পারবে না। তবে আপনার বন্ধুর সাথে এরকম ঘটেছে এটা জেনে বেশ খারাপ লাগছে।
আসলে ধাক্কা না খেলেই অনেক কিছুই শেখা যায় না। ধাক্কা খাওয়ার মাধ্যমে অনেক কিছু শেখা যায় আর আমি অনেক কিছু শিখেছি অনেক বড় বড় ধাক্কা খেয়ে। সেজন্য আমি মনে করি জীবনে ধাক্কা খাওয়াটা প্রয়োজন অন্তত মানুষ চেনার জন্য।
আপনার পকেটে টাকা থাকলে পেটে খাবার থাকলে আপনি দুনিয়া দেখতে পারবেন কিন্তু পকেট শূণ্য থাকলে আপনি দুনিয়া টা চিনতে পারবেন।। পকেট ভর্তি টাকা নিয়ে দুনিয়া চেনা যায় না। আপনার বন্ধুর ক্ষেএের ঠিক একই বিষয় হয়েছে। বেশ সুন্দর একটি বিষয়ে লিখেছেন আপু। ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।।
একদম ঠিক কথা বলেছেন আপনি। ধন্যবাদ সুন্দর একটি কমেন্ট করার জন্য।