সুন্দর একটি পার্কে ঘুরতে যাওয়ার কিছু মুহূর্ত (শেষ পর্ব)
হ্যালো সবাইকে
কেমন আছেন সবাই ?আশা করি ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। সুন্দর একটি পার্কে ঘুরতে যাওয়ার কিছু মুহূর্ত আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে।
পার্কের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের মূর্তি পশু, পাখি এবং কার্টুনের মধ্যে দিয়ে সাজানো। উপরের ফটোগ্রাফিটা তে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন কত বড় একটা ডাইনোসরের তারা তৈরি করেছে সেখানে বাচ্চাদের জন্য। দেখে মনে হচ্ছে এখনই নড়ে উঠবে এবং হাঁটা শুরু করবে। এরপর পার্কে ঘুরতে ঘুরতে একটা জায়গায় গিয়ে দেখি সেখানে শেখ মুজিবের একটা মূর্তি রয়েছে। অনেক বড় একটা মূর্তি কালো রঙের দেখতেও বেশ ভালো লেগেছে। তবে সেই অংশে এখনো বিভিন্ন ধরনের কাজ চলছে সেই অংশের বিভিন্ন ধরনের দোলনা গুলো নষ্ট হয়ে গিয়েছিল গিয়ে দেখি।
আসলে অল্প কিছুক্ষণের জন্য পার্কে নেমেছিলাম বেশি সময় সেখানে থাকি নি প্রায় এক থেকে দেড় ঘন্টার মতো ছিলাম। বিভিন্ন জায়গায় হেঁটে হেঁটে দেখছিলাম হাঁটতে হাঁটতে একটা জায়গা দেখি তারা কৃত্রিম দীঘি দিয়ে তৈরি করেছে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের মাছ ছিল এবং খেলার নৌকাও ছিল সেখানে তার মাঝখানে একটা ঝুলন্ত ছোট ব্রিজ ছিল খুবই সুন্দর ভাবে তারা সেটাকে সাজিয়েছে। ওই দীঘিটার পাড়ে দাড়িয়ে সে মাছগুলোই দেখছিলাম। সেদিকে দেখে তারপর একটু হাঁটতে দেখি খুবই সুন্দর একটা রাস্তা তার দুপাশে বিভিন্ন ধরনের বেড়া দিয়ে তারা জঙ্গলের মত করে তৈরি করেছে আর্টিফিশিয়াল গাছ দিয়ে। তারপর আমরা সেখানে বসে কিছু ছবি তুলেছিলাম এবং কিছুক্ষণ বসে গল্প করেছিলাম।
সেখান থেকে বেরিয়ে একটু হাঁটতে দেখি বড় একটা গুহার মতো ভূতের মুখ আর তার ভিতরেও খুবই ভয়ঙ্কর ভাবে তারা সাজিয়েছিল। বিভিন্ন ধরনের ভূত দিয়ে দেখে মনে হচ্ছিল যেন ভূতের রাজ্যে প্রবেশ করেছিলাম। বাচ্চারা সেখানে ঢুকলে খুবই ভয় পেতো এবং তাদের কাছে সবকিছুই আসল মনে হতো। তারপর একটা জায়গায় তারা বিভিন্ন ধরনের ফলের ডিজাইন দিয়ে বসা জায়গা তৈরি করেছে। তরমুজ, আপেল এবং অন্যান্য ধরনের ফল গুলো দিয়ে তারা বসার জন্য জায়গা তৈরি করেছে যেগুলো দেখতে সত্যি খুবই অসাধারণ। এই তরমুজের বসার জায়গাটা আমার কাছে অনেক বেশি কিউট লেগেছে সে জন্য ফটোগ্রাফি করেছি।
অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরি করার পর শেষ বেরিয়ে এলাম। বেরিয়ে আসতে পার্কের সামনে অনেকগুলো দোকান ছিল সেগুলো পার্কের অন্তর্ভুক্ত। সেখানে দূর থেকে দেখলাম ফুচকা বিক্রি করছিল। ফুচকা গুলো দেখে খুবই খেতে ইচ্ছে করছিল কিন্তু আরেকটা দিক দিয়ে না খেতেও ইচ্ছে করছিল। কারণ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে গেলে শুধু খাওয়ার জন্য নেওয়া হয় কিন্তু খেতে একদমই ভালো হয় না। ফুচকা দেখলে কি আর না খেয়ে বাড়ি ফিরে যায় সেটা ভালো হোক আর খারাপ হোক মনে তৃপ্তির জন্য তো খেতেই হয়। সবাই মিলে পার্কের বাইরে বসে পড়লাম ফুচকা খাওয়ার জন্য। এতটুকুও ভালো কিছু আশা ছিল না এখানকার ফুচকার থেকে কিন্তু যখন মুখে দিলাম তখন সত্যিই মনটা ভরে গিয়েছিল। এত সুস্বাদু লেগেছিল এখন মাঝেমধ্যে মনে হয় ওই জায়গায় দিয়ে গেলে এই পার্কের এখানে শুধু ফুচকা খাওয়ার জন্যই নামতে হবে কারণ অনেক বেশি মজা ছিল।
| শ্রেণী | ট্রাভেল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @fasoniya |
| ডিভাইস | Vivo Y15s |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমার নাম ফারজানা আক্তার সোনিয়া। আমি বাংলাদেশী।আমি বর্তমানে লেখাপড়া করি আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি আর্ট করতে ভালোবাসি আর যখনই সময় পাই তখনই আর্ট করি।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুবই ভালোবাসি । যখনই কোথাও খুব সুন্দর কিছু আমার চোখে পড়ে আমি ফটোগ্রাফি করে ফেলি। এছাড়াও আমি ক্রাফট তৈরি করে থাকি । বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকি রান্না করতে অনেক পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে । আমার ছোট ছোট দুইটা ভাই আছে। আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে যেগুলো স্টিমিট এ কাজ করে পূরণ করতে চাই।
https://twitter.com/APatwary88409/status/1747281055160336729?t=zVcrbTf3sRlk8IR6ZpSkXw&s=19
সবাই মিলে পার্কে ঘুরতে গিয়েছিলেন দেখে খুশি হলাম। যদিও আমি আগের পর্ব দেখতে পারিনি। পার্কটি বেশ সুন্দর। অনেক সুন্দর সময় উপভোগ করেছেন। আপনাদের সবার জন্য শুভ কামনা রইল ভালো থাকবেন।
সত্যিই খুবই সুন্দর একটি জায়গা ভ্রমন করেছিলেন। জায়গাটির পরিবেশ দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে। আপনার ভ্রমণের বর্ণনা গুলো পড়ে আমার খুবই ভালো লেগেছে। আর এরকম সুন্দর স্থান ভ্রমন শেষে ফুচকা না খেলে ভ্রমণটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই ভালো খারাপ বিবেচনা না করে ফুচকা খেয়ে আসাটাই ভ্রমণের সুন্দর একটি অংশ। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ঘুরতে যাওয়া মানেই নতুন কিছু দেখা। এবং নতুন পরিবেশের সাথে পরিচিত হওয়া। এছাড়াও নতুন নতুন দৃশ্য দেখা এবং আনন্দ উপভোগ করা। আপনারা খুব সুন্দর একটি পরিবেশে ঘোরাঘুরি করলেন। অনেক সুন্দর সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করলেন। অনেক ভালো লাগলো আপনার মুহূর্তটি পড়ে।
সবার সাথে পার্কে বেড়াতে যাওয়ার একটা স্মৃতি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন এজন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
পার্কটা দেখে বেশ সুন্দর বলে মনে হচ্ছে।
বেড়াতে যেয়ে ফুচকা না খাওয়াটা ঠিক না তাই আপনারা মজা করে ফুচকাও খেয়েছেন।
ভালো লাগলো আপনার পার্কে ঘুরার স্মৃতিচারন পড়তে।
শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
সবাই মিলে একসাথে পার্কে ঘুরতে গেলে খুব মজা লাগে। আপনারা এক ঘন্টা থেকে দেড় ঘন্টার মধ্যে পার্ক ঘুরে ফেললেন। পার্কের মধ্যে গেলে আলাদা একটা অনুভূতি আসে। তবে মনে হয় ফুচকা গুলো খুব মজা করে খেয়েছেন। আর আমাদের ভাইয়ের মনেও মন খারাপ তার মুখে হাঁসি নাই। খুব সুন্দর করে পোস্টটি করছেন তাই ধন্যবাদ আপনাকে।
পার্কে ঘুরতে গেলে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তবে আপনি যে পার্কে গেছেন দেখে বোঝা যাচ্ছে পার্কের পরিবেশ অনেক সুন্দর। পার্কে ঘুরতে গেলে এরকম মজার ফুচকা ফেলে খেতে খুব মজাই লাগে। ফুচকা খেতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তবে আপনার পার্কের প্রথম পর্ব আমি পড়ি নাই। শেষ পর্বটি দেখে সত্যি অনেক ভালো লাগলো। আসলে সবাই হাসি খুশি একসাথে ঘুরার মজাই আলাদা। ধন্যবাদ আপনাকে পার্কে ঘুরতে যাওয়ার মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।