কিছু কেনাকাটা ও খাওয়া দাওয়া মুহূর্ত
হ্যালো সবাইকে
কেমন আছেন সবাই ?আশা করি ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। কিছু কেনাকাটা ও খাওয়া দাওয়া মুহূর্ত আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে।
আজকে আর একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি। আমি ঘোরাঘুরি করতে খুবই পছন্দ করি। যখনই সময় পাই একেবারে আশেপাশে থেকে হলেও ঘুরে আসি মাঝেমধ্যে বাইরে থেকেও ঘোরা হয়। একদিন বিকেল বেলা বাড়িতে বসে বসে ছিলাম। ভালো লাগছিল না তাই ভাবলাম হালকা পাতলা কিছু কেনাকাটা রয়েছে সেগুলো করব তার জন্য বাজার থেকে ঘুরে আসি। সেগুলো কেনাকাটা করতে গেলে সামান্য ঘোরাঘুরি ও হয়ে যাবে। সেজন্য বিকেলবেলা রেডি হয়ে বেরিয়ে গেলাম বাজারের উদ্দেশ্যে। আমার কাছে বাজারে গেলে খুবই ভালো লাগে আশেপাশে কত মানুষ সবাই কত কাজে ব্যস্ত। কত রকমের মানুষ একসাথে দেখতে পাওয়া যায়। সেখানে প্রত্যেকটা মানুষের জীবন আলাদা কিন্তু একসাথে তাদের সবাইকে দেখতে পেলে তাদের লক্ষ্য করলে খুবই ভালো লাগে আমার কাছে।
যদিও খুবই কম দেখা হয় বাজারের মানুষের গতিবিধি তবে যখনই যাওয়া হয় তখনই দেখি। বেরিয়ে বাজারে গিয়ে প্রথমে আমার কিছু জিনিসপত্র কেনাকাটা করা ছিল সেগুলোই কিনতে গেলাম। মূলত আমি কিনাকাটা করতে গিয়েছিলাম আমার কিছু আর্ট এর জিনিসপত্র। আর্ট করতে যেহেতু ভালবাসি সেজন্য প্রতিনিয়তই আর্ট করা হয় আর্ট করতে অনেক কিছুই প্রয়োজন হয়। সেজন্য আর্ট করার জন্য কিছু পেন্সিলের প্রয়োজন ছিল। কালো ও সাদা দুই রঙের পেন্সিলেরই প্রয়োজন ছিল আসলে আর্ট করতে করতে অনেক কিছু নতুন নতুন শিখছি। সাদা রং যে পেন্সিল হয় সেটা আমার জানা ছিল না। তাছাড়া পেন্সিলের মধ্যে অনেক ধরনের পেন্সিল রয়েছে। এসব পেন্সিল গুলো আমার সব দোকানে পাওয়া যায় না। সেজন্য খোঁজখবর নিয়ে একটা লাইব্রেরীতে গিয়েছিলাম শুনেছি সেই লাইব্রেরীতে সব ধরনের আর্ট এর সব জিনিসপত্র পাওয়া যায়।
লাইব্রেরীতে গিয়ে পেন্সিল গুলোর নাম বললাম তাদের কাছে পেন্সিল গুলো ছিল না। খুবই হতাশ হলাম তাদের লাইব্রেরীতে সব পাওয়া যায় কিন্তু পেন্সিল গুলো পাওয়া যায়নি। তারা বলছিল শেষ হয়ে গেছে পরে আবার আসবে যেহেতু বারবার বাজারে যাওয়া হবে না বা বারবার আশাও সম্ভব না সেজন্য চলে গেলাম অন্যান্য লাইব্রেরীতে। আর কিছু লাইব্রেরীতে গিয়েছিলাম এই মার্কেট আসলে স্কুল মার্কেট নামে পরিচিত। এলাকার বড় বড় দুটো স্কুল ছিল একসাথে মার্কেটের পাশে সেজন্য এই মার্কেটটাকে স্কুল মার্কেটে বলা হয়। এ মার্কেটে বেশিরভাগই লাইব্রেরী কম্পিউটার দোকান রয়েছে। তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের দোকানে রয়েছে মিষ্টির দোকানের রয়েছে। দুটো লাইব্রেরীতে যাওয়ার পর একটা লাইব্রেরিতে গিয়ে পেন্সিল গুলো পেয়েছিলাম। তারপর পেন্সিল গুলো কিনে নিলাম।
এই স্কুল মার্কেটে অনেক মানুষের আসা যাওয়া প্রতিনিয়ত। অনেক মানুষই স্কুল মার্কেট দিয়ে হাঁটাচলা করে বিভিন্ন প্রয়োজন ও জিনিস কিনতে আসে। সেজন্য স্কুল মার্কেটের সামনে অনেক ধরনের ফুচকা ও ফাস্টফুডের দোকান রয়েছে। মানুষ এখানে ঘোরাঘুরি করতে এসে খাওয়া-দাওয়া করে শপিং করতে এসেও খাওয়া-দাওয়া করে সেজন্য বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুডের দোকান রয়েছে। যেমন বাইরে বার্গার, ফুচকা, ঝালমুড়ি বিকেলবেলা অনেক কিছুই বিক্রি করে। সন্ধ্যার পর এখানে মানুষ শপিং বা কেনাকাটা করতে আসে সেজন্য এই দোকানগুলো সন্ধ্যার পরেই বসে। চোখের সামনে ফুচকা ওয়ালা কে দেখে ফুচকা না খেয়ে বাড়িতে চলে যাবে এটা হলে যেন কেমন কেমন লাগে। অনেকগুলো ফুচকাওয়ালা তার পাশে বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুডের দোকান দেখে যেন সেখান থেকে আসতে পারলাম না।
একটা ফুচকা ওয়ালার দোকানে বসলাম। সেখানেই ফুচকা খাওয়ার জন্য অর্ডার দিলাম সাথে চটপটি দিতে বললাম। কিছুক্ষণ বসার পর ফুচকাওয়ালা ফুচকা বানিয়ে দিল। ফুচকা গুলো খেতে এত বেশি মজাদার ছিল। এই ফুচকাওয়ালার ফুচকা গুলো আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। তবে এই জায়গায় সব সময় একই ফুচকাওয়ালাকে পাওয়া যায় না। একসময় এক একজন ফুচকা ওয়ালা বসে কারও ফুচকা খেতে ভালো লাগে কারো ফুচকা খেতে ভালো লাগে না। এই ফুচকাওয়ালা ফুচকা খেতে খুবই ভালো ছিল। চটপটি খেতে তেমন ভালো লাগেনি এরপর খাওয়া-দাওয়া করে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করার পর সামনেই আমাদের বাড়ি যাওয়ার গাড়ি ছিল। সে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরে এলাম।
| শ্রেণী | লাইফ স্টাইল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @fasoniya |
| ডিভাইস | Vivo Y15s |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমার নাম ফারজানা আক্তার সোনিয়া। আমি বাংলাদেশী।আমি বর্তমানে লেখাপড়া করি আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি আর্ট করতে ভালোবাসি আর যখনই সময় পাই তখনই আর্ট করি।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুবই ভালোবাসি । যখনই কোথাও খুব সুন্দর কিছু আমার চোখে পড়ে আমি ফটোগ্রাফি করে ফেলি। এছাড়াও আমি ক্রাফট তৈরি করে থাকি । বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকি রান্না করতে অনেক পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে । আমার ছোট ছোট দুইটা ভাই আছে। আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে যেগুলো স্টিমিট এ কাজ করে পূরণ করতে চাই।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
কেনাকাটা খাওয়া-দাওয়া এবং ঘোরাঘুরি করতে আমারও বেশ ভালো লাগে। আপনার টুকটাক কিছু কেনাকাটা করার ছিল এবং সেগুলো কেনাকাটার পর আপনি ফুচকা খেয়েছেন। ফুচকা গুলো দেখে জিভে জল চলে আসলো। ধন্যবাদ আপু কেনাকাটা এবং ঘোরাঘুরির মুহূর্তে শেয়ার করার জন্য।
ফুচকা গুলো খেতে সত্যি অনেক বেশি মজাদার ছিল। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
কেনাকাটা করতে গিয়ে ফুচকা খেয়েছেন যেন খুব ভালো লাগলো । কেনাকাটা এবং খাওয়া-দাওয়ার মুহূর্ত গুলো খুবই সুন্দর ভাবে অতিবাহিত করেছেন। আসলে বাইরে গেলে কিছু না খেলে ভালো লাগেনা। খাওয়া দাওয়া মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
আমার আজকের পোস্টটি আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুবই খুশি হলাম ভাইয়া। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
মাঝেমধ্যে আমিও ফ্রি থাকলে কোন কেনাকাটা থাকলে সেই জিনিসগুলো কেনার চেষ্টা করি। যদিও আপনি আর্ট এর জিনিসপত্র কিনেছেন। আমরা সবাই যখন আর্ট করি এই জিনিসপত্রগুলো আমাদের দরকার। তবে বাজারে গেলে আমি নিজেও ফুচকা দেখলে খেতে চাই। কারণ ফুচকা আমার অনেক পছন্দ। নিশ্চয় ফুচকা খুব মজা করে খেয়েছেন। খুব সুন্দর করে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
আপনিও বাইরে ঘোরাঘুরি করতে এবং ফুচকা খেতে পছন্দ করেন জেনে ভালো লাগলো। আসলে আমাদের ফুচকা অনেক বেশি পছন্দ সেজন্য বাইরে গেলেই খেতে ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
পেন্সিলেতে সাদা রং হয় এটা কিন্তু আমার পূর্বে জানা ছিল আপু। তবে বাইরের পরিবেশে গেলে মানুষের সাথে পরিচিত হওয়া যায় এবং বৈচিত্রময় রূপ ধারার চিন্তাধারার মানুষ চেনা যায়। যাইহোক কেনাকাটা দারুন একটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন পাশাপাশি ফুচকা হাউস থেকে ফুচকা খাওয়ার মুহূর্তটা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। বেশ ভালো লেগেছে আপনার এই অসাধারণ ভালোলাগার মুহূর্তগুলো।
হ্যাঁ ভাইয়া সাদা রং পেন্সিল হয় সেটা আমারও এর আগে জানা ছিল না। ধন্যবাদ আপনাকে মূল্যবান সময় দিয়ে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
মাঝেমধ্যে গুরুত্ব জিনিস কেনার জন্য বাজারে বা শপিংয়ে যেতে হয়। আপনি আর্ট এর সরঞ্জাম কিনার জন্য বাজারে গেলেন। এবং কেনাকাটা করতে গিয়ে আপনার ভালোই হয়েছে। বিশেষ করে মজার ফুচকা খেতে পারলেন। তবে বেশিরভাগ মানুষ ফুচকা খেতে অনেক পছন্দ করে। যাই হোক কিনা কাটা এবং ফুচকা খেয়ে খুব সুন্দর করে বাড়িতে আসলেন। ধন্যবাদ আপনাকে কেনাকাটা মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ভাইয়া ফুচকা এমন একটি খাবার যেটা সবারই অনেক বেশি পছন্দ। আপনাকে অনেক বেশি ধন্যবাদ সুন্দর একটি কমেন্ট করার জন্য।
আপনার কেনাকাটা এবং খাওয়া দাওয়া করার মুহূর্তের পোস্টটা বেশ ভালোই উপভোগ করেছি। ফুচকা খাওয়ার মুহূর্ত দেখে আমার তো খুব ইচ্ছে করছে ফুচকা খেতে। একা একা খেয়ে নিয়েছেন ফুচকা, ফুচকা গুলো দেখে অনেক বেশি মজাদার লাগছে। সম্পূর্ণটা বেশ ভালো ছিল এটা বুঝতেই পারছি। আসলে ফুচকা আমার অনেক পছন্দের, তাই তো দেখে একটু বেশি লোভ লেগে গিয়েছে।
আমার আজকের পোস্টটি আপনি পড়েছেন এবং উপভোগ করেছেন জেনে খুবই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।