খাদ্য যুদ্ধে হার না মানা সৈনিকদের গল্প(১০% বেনিফিশিয়ারি লাজুক খ্যাকের জন্য)
সবাইকে জানাই বৃষ্টিবিঘ্নিত ক্ষুধার্ত সকালের মৃদু ঠান্ডা শুভেচ্ছা-শুভ সকাল।আশা করি,সবাই বেশ ভালো আছেন।আমি যদিও অনেক ক্ষুধার্ত তবে আলহামদুলিল্লাহ অন্যসব দিক থেকে বেশ ভালো আছি।
রান্না করবে কে?
ঘরে আছে কিছু ক্ষুধার্ত সৈনিক
কোমর বেধেছে।
ঘটনা তো বুঝতেই পেরেছেন মনে হয়।বুয়া এসে বললো,ভাইয়া রাতে আর কাল সকালে আসতে পারবোনা,শ্বশুরবাড়ি যাবো।
মুখের উপর তো আর না করা যায়না।বলে দেওয়া হলো,আচ্ছা ঠিক আছে।কিন্তু দুপুরে যেন মিস না হয়।আচ্ছা,বলে অতি উৎসাহ নিয়ে বুয়া তো হাওয়া।
তিনজনই ভাবলাম,রাতটা না খেয়েই কাটিয়ে দেবো আর সকালে কিছু একটা বানিয়ে খেয়ে এক্সাম দিতে যাবোনি।রাত তখন বাজে ১০ টার মতো।ওমা,হঠাৎই মধ্যপ্রদেশ থেকে হরতালের আভাস পাচ্ছিলাম কেনজানি।বুঝতে পারলাম,কিছু একটা না খেলে ভাংচুর শুরু হবে ভেতরে।
ওই ঘরে গিয়ে সৌমিক আর রাকিবকে বললাম,ওরাও বললো ওদেরও ক্ষুধা লেগেছে।সিদ্ধান্ত নিলাম,পরোটা বানানোর।পরোটার জন্য আটা মাখা এবং লেচি বানানো পর্যন্ত আমার কাজ,তারপর বেলবে সৌমিক এবং ভাজবে রাকিব।
প্ল্যান অনুযায়ী কাজ শুরু করা হলো।আটা মাখতে গিয়ে পানি দিয়ে ফেলেছিলাম বেশি।প্রতিকার হিসেবে আরো আটা দিলাম,সেবার হলো আবার আটা দেয়া বেশি।পানি দিলাম তারপর,আবার একটু পানি বেশি হয়ে গিয়েছিল।
আমি আটা আর ছানবো কি!সবই তো আমার হাতের সাথে লেগে লেগে উঠে আসছিলো।পরে অনেক কষ্টে লেচি বানিয়ে সৌমিকের কাছে ট্রান্সফার করেছিলাম।
ওরা দুজনই রান্না-বান্নায় বেশ সিদ্ধহস্ত।ওদের আর অসুবিধা হয়নি।তবে তাদের এই দক্ষতার জোরে তারা দুজন আটা মাখতে গিয়ে আমার বেহাল দশা দেখে মজা নিতেও ভুল করেনি।
মিনিট ৪০ এর ভেতর সব কাজ শেষ হয়ে গিয়েছিল।তারপর তো সৈনিকদের যুদ্ধ জয় উপলক্ষে পার্টি করার পালা মানে খাওয়া দাওয়ার পালা আরকি।
তরকারি জাতীয় তেমন কিছু ছিলনা ঘরে।তাই,চিনি দিয়েই খেয়েছিলাম।চিনি দিয়ে রুটি,পরোটা এগুলো খাওয়ায় কিন্তু আরকটা মজা পাওয়া যায়।ছোট থেকেই এভাবে অনেক খেয়েছি।বিশেষ করে রুটির ভেতর চিনি দিয়ে রোল বানিয়ে অনেক খেয়েছি।
যাইহোক,রাতটা তো কোনোভাবে কেটে গেছে এখন তো সকাল।আবার সকালের যুদ্ধে নামতে হবে।এখন যে আবার কি কি অকাজ করে রাখবো,আল্লাহ তায়ালা জানেন।
Cc. @farhantanvir
Shot on. Oppo f19 pro
Location
Date.01/08/22
আমার স্কুল জীবনের কথা মনে পড়ে গেল ।আপনার রেসিপিটি দেখে রোজ সকালে মা কষ্ট করে আমার জন্য টিফিন বানিয়ে দিত আমি চিনি দিয়ে খাইতাম না আমাকে সবজি দেওয়া হইতো আমার খুব ভালো লাগতো। আপনার রেসিপিটি সকালে খাওয়ার জন্য একদম পারফেক্ট। ধন্যবাদ ভাইয়া শেয়ার করার জন্য আমার ছোটবেলার একটি অতীত মনে পড়ে গেল। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন নিজের যত্ন নিবেন আপনার জন্য রইল
ভালোবাসা নিয়েন ভাইয়া🥰🖤