রিচার্জ ইওর ডাউন ব্যাটারি এবং এক বৃষ্টিস্নাত বিকেল (১০% বেনিফিশিয়ারি লাজুক খ্যাকের জন্য)
আসসালামু আলাইকুম,এবিবি বাসী আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ,আমিও ভালো আছি।
ইদানীং আমার কেনজানি মোটিভেশনাল বলুন বা লাইফ হ্যাকস রিলেটেডই বলুন-এই ধরনের ভিডিও দেখা কিংবা বই পড়ার মধ্যে মনোযোগ গেছে।এর পিছে অবশ্য কিছু কারনও আছে।
যার মধ্যে অন্যতম যেটা সেটা হচ্ছে,আমি একটা জিনিস লক্ষ্য করেছি আমার ভেতর নেতিবাচক পরিবর্তনটা একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে।একজন ভালো ভদ্র সুশীল মানুষ কখনোই সেই পরিবর্তনগুলো মেনে নিতে পারবেনা।এরকম নানান চিন্তা-ভাবনা মাথায় আসার পর নিজেকে আবার নতুন করে সাজানোর কাজে মগ্ন হয়ে পড়েছি।তারই একটা অংশস্বরুপ এই ধরনের বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করছি।
বইটির নাম রিচার্জ ইওর ডাউন ব্যাটারি,লিখেছেন ঝংকার মাহবুব।এটা মূলত মোটিভেশনাল বই বলা যেতে পারে।আর ব্যাসিক্যালি স্টুডেন্টদের জন্য বেশি দরকারী একটা বই।পড়া শেষ হলে ইনশাল্লাহ ভালোভাবে একটা রিভিউ দেবোনি।
তাইফুল ভাইয়ের প্রাইভেট পড়ে আসার পর দেখি মাগরিবের আজান দেয়ার আরো ৪০/৪৫ মিনিট বাকি।মোবাইলে সময় না দিয়ে ভাবলাম বইটা নিয়ে একটু ছাদে যাই।বৃষ্টি হওয়ায় আকশটা একটু মেঘলা ছিল আর সাথে মৃদু ঠান্ডা বাতাসও বইছিলো।মানে বই পড়ার জন্য পারফেক্ট একটা ওয়েদার।সাথে যদি এক কাপ চা বা কফি পাওয়া যেতো তবে বিষয়টা একদম পূর্নতা পেতো!
মোটিভেশন জিনিসটা কেন যে এতো ক্ষনস্থায়ী!মোটিভেট হওয়ার পরে ভেতরে যে হিটটা আসে সেটা যদি সবসময় থাকতো, আমার মনে হয়না পৃথিবীতে এতো ব্যর্থতার গল্প সৃষ্টি হতো।
চাইলে এক বসাতেই বইটা শেষ করা যাবে, কিন্তু সেটার মোটিভেশনটাও বড়জোর ৪/৫ ঘন্টাই লাস্টিং করবে।তাই আমি,১০/১১ পেইজ করে পড়ে আর পড়িনা😁।যেন,কয়েকদিন ধরে পড়তে পারি এবং হিটটা বেশি সময় ধরে কাজে লাগাতে পারি।আর সত্যি বলতে, কাজ আলহামদুলিল্লাহ ভালোই হচ্ছে।
সাত-আটটা পেইজ পড়তে না পড়তেই সূর্য মামা ডুবকি দিতে শুরু করেছিল।আলোর সাথে যুদ্ধ না করে তখনই ছাদ থেকে নেমে এসেছিলাম।আর তারপর ঘরে এসে পড়ার টেবিলে মোটিভেশনের হিট দিয়ে বইয়ের পাতা বেশ ভালোই ভেজেছিলাম।
ইনশাল্লাহ খুব তাড়াতাড়িই বইটির রিভিউ নিয়ে আসবো আপনাদের মাঝে।আর যদি কেউ পড়ে
থাকেন,তো নিশ্চয় কমেন্টে অভিজ্ঞতা জানাবেন❤️।
cc.@farhantanvir
Shot on. Oppo f19 pro
Location
Date.10/09/22