মজাদার কাঁঠালের বিচি ভর্তা রেসিপি
কেমন আছেন আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা? আমি আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আশাকরি আপনারা ও অনেক ভালো আছেন।
গত সপ্তাহে বাড়িতে যাওয়ার পর হঠাৎ কাঁঠালের বিচি ভর্তা খাওয়ার ইচ্ছা হলো। আম্মুকে বললাম কাঁঠালের বিচি আছে কিনা। তখন আম্মু বললো আছে তখন সাথে সাথে ফ্রিজ থেকে বিচি বের করে সিদ্ধ দিয়ে দিলাম। আমাদের বাসায় কাঁঠাল গাছ আছে অনেক মিষ্টি এবং অনেক সুস্বাদু। কিন্তু আমি কাঁঠাল খেতে একদম পছন্দ করি না। কিন্তু কেউ কাঁঠাল খাইলে আমি বলি আমাকে বিচি দিতে হবে এই স্বার্থে খেতে পারেন। কারণ আমার কাছে বিচি ভর্তা অনেক ফেবারিট একটা ভর্তা। বাড়িতে গেলে এই ভর্তা সবসময় খেয়ে থাকি।এই জন্য ভাবলাম আপনাদের সাথে শেয়ার করি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ সমূহ:-
১. পিঁয়াজ কুচি।
২. কাঁচা মরিচ।
৩. সরিষার তেল।
৪. কাঁঠালের বিচি।
৫. লবণ।
প্রস্তুত প্রণালী সমূহ:-
ধাপ:-০১
প্রথমে একটা কড়াইতে পিঁয়াজ কুচি এবং কাঁচা মরিচ দিয়ে দিব।
ধাপ:-০২
এরপর পরিমাণ মতো সরিষার তেল দিয়ে দিব।
ধাপ:-০৩
কিছু সময় ভালো ভাবে নাড়াচাড়া করে ভেজে নিব।
ধাপ:-০৪
এরপর কাঁঠালের বিচি গুলো ভালো ভাবে পরিস্কার করে একটা বাটিতে রেখেছি।এই বিচি গুলো আগে থেকেই সিদ্ধ করা ছিল।
ধাপ:-০৫
এরপর বিচি গুলো কে কড়াইতে দিয়ে ভালো ভাবে ভেজে নিলাম।
ধাপ:-০৬
কিছু সময় পর বিচি গুলো কে একটি বাটিতে উঠিয়ে নিলাম।
ধাপ:-০৭
এবার বিচি গুলো কে ফিনিশিং করার পালা।বিচি গুলো কে একটা পাটায় বেটে নিব।এই কাজটি আমি একদম পারি না।পাটায় বাটার কাজটি আমার আম্মু করেছে।
ধাপ:-০৮
পাটায় দুই বার ফিনিশিং দেওয়ার পর হয়ে গেল মজাদার কাঁঠালের বিচি ভর্তা।
এইতো হয়ে গেল আজকের কাঁঠালের মজাদার বিচি ভর্তা রেসিপি। আশা করছি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে আজকের কাঁঠালের বিচি ভর্তা রেসিপি। সবাই ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন। ধন্যবাদ জানাচ্ছি সবাইকে।
| ফটোমেকার | @engtariqul |
|---|---|
| ডিভাইস | শাওমি রেডমি নোট ৭ |
আমি তারিকুল ইসলাম। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি সিভিল ইন্জিনিয়ার থেকে পড়াশোনা শেষ করেছি।
আমি ভ্রমণ এবং ঘোরাঘুরি করতে ভিশন পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি করতে ভিশন ভালো লাগে। ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে, এবং ডাই বানাতে পছন্দ করি।
ভাইয়া এই সময়ে আপনার কাঁঠালের বিচি ভর্তা দেখে অবাক হয়ে গেলাম। কাঠালের সিজন অনেক আগে চলে গিয়েছে কিন্তু এখন কোথায় পেলেন। এরপর আপনার পোস্ট পড়ে বুঝতে পারলাম আপনার আম্মু ফ্রিজে রেখে দিয়েছেন। আমার কাছেও কাঁঠাল খেতে ভালো লাগে না তবে আপনার মতো ভর্তা খেতে অনেক পছন্দ করি। শীল পাটায় বেটে এভাবে ভর্তা খেতে অনেক ভালো লাগে। ধন্যবাদ ভাইয়া মজাদার ও ইউনিক রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আমার অনেক পছন্দ দেখে আম্মু রেখে দিয়েছিল। আমার খুব পছন্দের একটা রেসিপি। সুন্দর কমেন্ট করে উৎসাহিত করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু আপনাকে।
ভাই আপনার কাঁঠালের বিচি ভর্তা রেসিপিটি বেশ ইউনিক লেগেছে। কাঁঠালের বিচি ভর্তা কখনো খাওয়া হয়নি। আর আপনি এই অসময়ে কাঁঠালের বিচি ভর্তা খেয়েছেন সত্যি বেশ ভালো লাগলো। সাধারণত কাঠালের বিচি ফ্রিজে নরমাল এ রাখলে আমি তো দেখি নষ্ট হয়ে যায়।স্পিনার গুলো তো বেশ ভালোই আছে। বেশ ভালো লাগলো আপনার রেসিপিটি। দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। ধন্যবাদ।
আপু এভাবে একদিন তৈরি করে খেয়ে দেখবেন খুবই মজাদার একটা ভর্তা রেসিপি। আম্মা কিভাবে যেন রেখে দেয় এটা শুনে দেখতে হবে অনেক দিন পর্যন্ত থাকে দেখি।
ভাইয়া কাঁঠালের বিচি এখন কোথায় পেলেন?? খুব লোভনীয় রেসিপি শেয়ার করেছেন। কাঁঠালের বিচি ভর্তা খুব ভাল লাগে আমার। আপনি রেসিপিটি ধাপে ধাপে তুলে ধরেছেন, খুব ভাল লাগলো। এই ভর্তা ঝাল ঝাল ভাল লাগে খেতে।আমি শুকনা মরিচ দিয়ে লাল লাল করে ভর্তা করে খেতে খুব পছন্দ করি। মজার এই রেসিপি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপু আম্মু কাঁঠালের বিচি রেখে দিয়েছিল। আমার খুব পছন্দের একটা ভর্তা।এই জন্য মাঝে মধ্যে খাওয়া হয়। শুকনো মরিচ দিলে আরো ভালো হতো। কিন্তু একটু সমস্যা থাকার কারণে শুকনো মরিচ দেওয়া হয়নি। সুন্দর মতামত প্রকাশ করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।
কাঁঠালের বিচি ভর্তা রেসিপি দেখে তো খেতে ইচ্ছে করছে ভাইয়া। আমার কাছে কাঁঠালের বিচি ভর্তা একটু ঝাল হলে খেতে খুব ভালো লাগে। কাঁঠালের বিচি ভর্তা আমি অনেকবার খেয়েছি। আপনার রেসিপিটা দেখেই বুঝা যাচ্ছে খেতে খুব ইয়াম্মি হয়েছে। এতো মজাদার একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে সুন্দর কমেন্ট করে পাশে থাকার জন্য। আপনার কাছে ভালো লাগে জেনে ভালো লাগলো ভাইয়া।
ভাইয়া ধারুন একটি রেসিপি শেয়ার করলেন। যদিও এখন কাঁঠালের সিজন না। তারপরও গ্রামের মা চাচিরা কাঁঠালের বিচি গুলো শুকিয়ে সংরক্ষন করে রাখে। গ্রামে গেলে মাঝে মাঝেই এমন রেসিপি দেখা যায়। ধন্যবাদ ভাইয়া।
জি ভাইয়া ঠিক বলেছেন আম্মু সংরক্ষণ করে রেখে দিয়েছিল। আমার খুব পছন্দের একটা ভর্তা।