নাটোর জেলা ভ্রমণ পর্ব-৫
কেমন আছেন আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা? আমি আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আশাকরি আপনারা ও অনেক ভালো আছেন।
কয়েকদিন আগে কাজিন এর বিয়ে খেতে নাটোর জেলায় গিয়েছিলাম। চারটি পর্ব শেয়ার করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় আজকে আরেকটি পর্ব নিয়ে চলে আসলাম। আজকে আপনাদের সাথে ড্রাগন ফলের বাগান দেখার অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো।এই বাগানটি মূলত আমার কাজিন এর হাজবেন্ড মানে আমার বড় দুলাভাই। এতো বড় বাগানের ড্রাগন ফলের বাগান আমি আগে দেখিনি। চলুন তাহলে শুরু করা যাক:-
আমরা তিনজন মিলে গিয়েছিলাম। একজন আমার কাজিন আর একজন দুলাভাই। এটা মূলত দুলাভাই এর বাগান। নাটোর সদর থেকে চার পাচ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।এই জমিতে ৫ বিঘা উপর চাষ করা হয়েছে।আরো ৪ বিঘা চাষ করার জন্য প্রসেস এ আছে। এইবার ৬ লক্ষ টাকা ড্রাগন বিক্রি করছে।ড্রাগন এর চাহিদা রয়েছে অনেক। বিক্রি উপযোগী হলে পাইকাররা এসে নিয়ে যায়। বিজনেস টা আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। এইটা এক বছরের মধ্যে ফলন দিয়ে থাকে।এই বাগানে চারজন লোক সব সময় দেখা শোনার জন্য রাখা হয়েছে।এখান থেকে উৎপাদিত ফল এবং চারা চলে যায় সারা দেশে। নাটোরে বেড়াতে আসা লোকজন এই সমস্ত জায়গা গুলোতে ব্যাপক ভিড় করে।এই ফল গুলো দশ বছর আগে পরীক্ষা মূলক ভাবে চাষ করা হয়। কিন্তু এই ড্রাগন ফল বাংলাদেশের মাটির সাথে ভালো সেট করেছে।এই নাটোরে শতশত বিঘা জমির ওপর ড্রাগন ফল চাষ হচ্ছে।
বাগানের ভিতরে ঢুকে অনেক ঘোরাঘুরি করলাম। কিন্তু জায়গা শেষ করতে পারি নাই এতো বড় জায়গা। দুলাভাই আমাদের কে ড্রাগন ফল কিভাবে চারা লাগানো হয় এবং কতদিন পর ফল দেয় সেই বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিচ্ছিল। আমরা এমন একটা সময় গিয়েছিলাম যে তখন মাএ কয়েকদিন আগে ফল বিক্রি করে দিয়েছিল।এই জন্য ফল খেতে পারি নাই। এইটা খুব আফসোস লেগেছে। একটা ছিল ফল কিন্তু খাওয়ার উপযোগী ছিল না। দুলাভাই দাওয়াত দিয়ে দিছে যখন ফল খাওয়ার উপযোগী হয় তখন ফোন দিবে। সেই সময় যাওয়ার চেষ্টা করবো।যখন ফল আসে দেখতে খুবই চমৎকার লাগে। আর এই ড্রাগন চাষ ভালো লাভজনক দেখে আশে পাশে সবাই চাষ করা শুরু করে দিয়েছে। এইটা বানিজ্যিক ভাবে ভালো একটা লাভজনক বিজনেস। অনেক সময় ঘোরাঘুরি শেষে বাসায় চলে আসলাম।আর একটা বিষয় হচ্ছে নাটোরে এই সমস্ত অঞ্চলে মানুষের পরিমাণ খুবই কম। একদম চারদিকে ফাঁকা। আজকে এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন। পরবর্তী আবারো আসবো নতুন কোন বিষয় নিয়ে। ধন্যবাদ জানাচ্ছি সবাইকে।
| ফটোমেকার | @engtariqul |
|---|---|
| ডিভাইস | শাওমি রেডমি নোট ৭ |
| লোকেশন |
আমি তারিকুল ইসলাম। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি সিভিল ইন্জিনিয়ার থেকে পড়াশোনা শেষ করেছি।
আমি ভ্রমণ এবং ঘোরাঘুরি করতে ভিশন পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি করতে ভিশন ভালো লাগে। ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে, এবং ডাই বানাতে পছন্দ করি।
নাটোর জেলা আমার খুবই পরিচিত এলাকা, ছোটবেলা থেকে অনেকবার গেছি নাটোরে।ওখানে আমার ফুপুর বিয়ে হয়েছে তাই বছরে একবার হলেও ফুপুর বাড়িতে যাওয়া হয়।অনেক সুন্দর শহর নাটোর আমার খুবই ভালো লাগে।এখন বর্তমানে ড্রাগন চাষ অত্যন্তলাভজনক তাই অনেকেই ড্রাগন চাষ করছেন। বাজারে এই ফলের অনেক চড়া দাম।আপনার দুলাভাই এর ড্রাগন ফলের বাগান টি দেখে অনেক ভালো লাগলো।সুন্দর পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
জি আপু নাটোর শহর টা আমার অনেক পছন্দের। ছোট বেলায় অনেক যাইতাম। কিন্তু এখন কর্ম জীবনে আসার পর থেকে আর যাওয়া হয় না।আর নাটোরে ড্রাগন চাষ অনেক ভালো হয়ে থাকে।
তিনজনে মিলে তবে সুন্দর ঘোরাফেরা করেছেন নাটোর জেলায় কিন্তু ড্রাগন ফলের বাগানটা অসাধারণ লেগেছে। বর্তমান সময়ে ড্রাগন ফল এত বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে সবাই খেতে অনেক পছন্দ করে। ড্রাগন ফল ছোটবেলায় তেমন একটা দেখিনি তবে বেশ কয়েক বছরের মধ্যে আমি ড্রাগন ফল দেখতে পেয়েছি। আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে সুন্দর একটি ড্রগন ফলের বাগান দেখতে পেলাম অসাধারণ লেগেছে ভাইয়া দেখতে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি মুহূর্ত ও শেয়ার করার জন্য।
ড্রাগন ফল অনেক লাভজনক একটা বিজনেস। প্রথমে খেতে ভালো লাগতো না। কিন্তু এখন অনেক মজা লাগে খেতে। আপনার মন্তব্য পড়ে বেশ অনুপ্রাণিত হলাম।