বন্ধুদের সাথে হঠাৎ পার্টির আয়োজন
কেমন আছেন আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা? আমি আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আশাকরি আপনারা ও অনেক ভালো আছেন।
ঈদের মধ্যে বাড়িতে যাওয়ার ফলে সব বন্ধু ছোট ভাইদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ এর সু্যোগ হয়ে থাকে। সেই সুযোগটা কাজে লাগানো জন্য বন্ধুত্ব কে অটল রাখার জন্য একটা পিকনিক এর আয়োজন করার সিদ্ধান্ত হয়।এই রকম আয়োজন ছোট বেলায় প্রায় হতো। এখন সবাই বাহিরে থাকার কারণে একসাথে হওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। একমাত্র দুই ঈদের মধ্যে সবার সাথে দেখা হয়। সেই জন্য সবাই মিলে একটা ছোট খাট পার্টির আয়োজন করছিলাম।
প্রথমে আমরা বাজারে গিয়ে একটা ছাগল 🐐 ক্রয় করলাম। তারপর সবাই মিলে পিঁয়াজ,রসুন, আদা, কাঁচা মরিচ একসাথে ছিলানো কাজে লেগে গেলাম। আসলে পার্টি করার আসল মজাই হচ্ছে একসাথে রান্না করা।
এরপর মাংস নিয়ে আসার পর ভালো ভাবে পরিস্কার করে নেওয়া হলো। পরিস্কার করার পর সব গুলো উপকরণ দিয়ে মাখানোর পর কিছু সময় রেখে দেওয়া হলো। সেই সময় টুকু মধ্যে মাটি কেটে চুলা বানিয়ে চুলা ঝালানো হলো। বাতাস থাকার কারণে বার বার চুলা নিভে যাচ্ছিল। এরপর ডিজেল দিয়ে খড়ি গুলোকে ভালো ভাবে ঝালিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
রাঁধুনি হিসেবে ছিলেন আমার খুব কাছের বন্ধু ইন্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান। মোটামুটি ভালো রান্না করতে পারে। মূলত তাকে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে আসছিলাম পড়ে আসার পর রাঁধুনি হিসেবে সিলেক্ট করছিলাম। একদম বাবুর্চি মতো সবকিছু ঠিকঠাক ছিল সবকিছু।
মাংস শেষ করার পর খিচুড়ি রান্না করা হয়েছিল। প্রথমে খিচুড়ি টা চাল চাল মতো লাগছিল। পড়ে বাবুর্চি কারিশমা তে মোটামুটি ঠিক হয়েছিল। বাবুর্চি নিজে রান্না করে টেস্ট দেখতে ছিল। খিচুড়ি টা আসলেই মজা হয়েছিল। দেখতে ততটা ভালো দেখাচ্ছিল না। কিন্তু মজাটা ছিল বেশ।
এরপর রান্না কমপ্লিট করার পর বাবুর্চি সাহেব এক এক করে পরিবেশন করে দিল। আমরা একটা মাঠে মধ্যে বসে খাওয়া দাওয়া করতে ছিলাম। আসলে সবাই মিলে এইভাবে খাওয়া মজাটাই আলাদা। আমরা বাড়িতে গেলে বন্ধুরা সবাই মিলে জমিয়ে আড্ডা দিয়ে থাকি।আর পৃথিবীর মধ্যে সুন্দর সময় গুলোর মধ্যে আমার কাছে একটা সুন্দর মূহুর্ত মনে হয় মনের মতো বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার মূহুর্ত।বর্তমান দুনিয়ায় খুব কম মানুষই রয়েছে প্রকৃত বন্ধু। আসলে প্রকৃত বন্ধু একটা থাকলে আর কিছু ভাবতে হয় না। এরপর খাওয়াদাওয়া শেষ করার পর কিছুক্ষণ আড্ডা দেওয়ার পর সবাই বাসা চলে গেলাম। আজকে এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন। পরবর্তী আবারো আসবো নতুন কোন বিষয় নিয়ে। ধন্যবাদ সবাইকে।
| ফটোমেকার | @engtariqul |
|---|---|
| ডিভাইস | শাওমি রেডমি নোট ৭ |
| লোকেশন | সিরাজগঞ্জ |
আমি তারিকুল ইসলাম। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি সিভিল ইন্জিনিয়ার থেকে পড়াশোনা শেষ করেছি।
আমি ভ্রমণ এবং ঘোরাঘুরি করতে ভিশন পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি করতে ভিশন ভালো লাগে। ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে, এবং ডাই বানাতে পছন্দ করি।
ঈদের ছুটিতে সবাই যখন বাড়িতে আসে তখন সবার সাথে দেখা হয়ে যায়। আসলে সবাই যে যার মত ব্যস্ত সময় পার করে। কর্মব্যস্ত জীবনে হয়তো কারো সাথে সেভাবে দেখা হয় না। কিন্তু যখন ঈদের ছুটিতে সবাই গ্রামের বাড়িতে আসে তখন যদি এভাবে একসাথে সময় কাটানো যায় এবং খাওয়া দাওয়া করা যায় তাহলে সত্যিই ভালো লাগে। আপনারা সবাই মিলে দারুন আয়োজন করেছেন। খিচুড়ির কালার খুবই লোভনীয় লাগছে।
সত্যি ভাইয়া বর্তমান প্রকৃতি বন্ধু পাওয়া মুশকিল। আর বন্ধুর মত বন্ধু একটা হলে অনেক। যাইহোক ভাইয়া আপনরা কয়েক জন বন্ধু মিলে ছাগল কিনে এনে বেশ ভালো পিকনিক করেছেন। আসলে সবাই মিলে এক সাথে খাওয়া মজাই আলাদা। যাইহোক তাহলে বেশ ভালোই রান্না করেছে বাবুর্চি।ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আসলে মানুষ কর্ম ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে যখন কোন সময় ছুটি পায় তখন সবাই এক জায়গায় হইলে কেননা কিছু কিছু করতে ভালো লাগে। বন্ধুরা সবাই একত্রিত হলে বিশেষ করে বনভোজন বেশি করা হয়ে থাকে। আপনারা তো দেখছি একটি ছাগল দিয়ে বেশ ভাল রকম বনভোজনে আয়োজন করেছেন। এভাবে রান্না করে সবাই মিলে একত্রিত খাওয়ার অনুভূতিটাই অন্যরকম। অনেক ভালো লাগলো ভাই আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।