ভাগ্নে এবং কাজিনকে নিয়ে বিকেলে ঘোরাঘুরি
কেমন আছেন আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা? আমি আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আশাকরি আপনারা ও অনেক ভালো আছেন।
ঈদের ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে অনেক মজা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি এবং খাওয়া দাওয়া হয়েছে ভরপুর। আসলে এখন আবার ঢাকাতে আসার পর সবকিছু খুব মিস্ করছি। আসলে গ্রাম টা অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে। আসলে দুই ঈদ ছাড়া সবাইকে ঠিক মতো পাওয়া যায় না এবং দেখা হয়ে উঠে না। ঈদের তৃতীয় দিন হঠাৎ ভাগ্নে ছোট ভাই বায়না ধরলো যে বাহিরে ঘুরতে যাবে। পড়ে বিকেলে তাদেরকে নিয়ে ঘুরতে গেলাম এবং তাদের সাথে একটু সময় সময় কাটালাম। আসলে সবার সাথে মোটামুটি ভালো সময় কেটেছে আলহামদুলিল্লাহ।
বের হতে হতে একদম সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল।এই জন্য খুব একটা দূরে যাওয়া হয়নি। আমাদের বাড়ির পাশে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল অবস্থিত। সেখানে সুন্দর জায়গা সেখানে মূলত গিয়েছিলাম।
হসপিটালে ভিতরে সুন্দর ফুলের বাগান আছে সেখানে গিয়ে আমরা অনেক গুলো ছবি তুলে নিলাম। এখানে বিকেল হলে পার্কের মতো লোক হয়ে যায়। কারণ আশেপাশে এতো সুন্দর জায়গা না থাকার কারণে এখানে অনেক ভিড় হয়ে যায়। বিশেষ করে বিকেলে অনেক লোক হয়। বাড়িতে গেলে এখানে আড্ডা দেওয়ার হয় নিয়মিত। এখানে অনেক স্মৃতি জমে আছে।
এরপর ঘোরাঘুরি শেষ করে খাওয়া দাওয়া করার জন্য হসপিটালে ভিতরে একটা ফুড কোড এ চলে গেলাম। প্রথমে গিয়ে জায়গা পাচ্ছিলাম না অনেক ভিড় ছিল। এরপর একটা টেবিল ফাঁকা হওয়ার পর বসে পড়লাম। এরপর খাবার অর্ডার করার জন্য ওয়েটার কে ডেকে নিয়ে খাবার অর্ডার করলাম।
ভাগ্নে আর কাজিন এর আবার খুব বার্গার পছন্দ। তাদের জন্য দুইটা বার্গার নিয়ে নিলাম।আর আমার পেট ভরা থাকার কারণে আমি আর এক আঙ্কেল মিলে দুইটা কোক নিলাম। কাজিন এর যে ভাব তার চশমা কালার আর জুতার কালার টা ছিল একদম সেইম। খাওয়ার সময় চশমা 👓 খুলবে না সে।সে এইভাবে সবসময় চলাফেরা করবে ভাব নিয়ে। এরপর খাওয়া দাওয়া শেষ করে বাসায় চলে আসলাম। আজকে এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন। পরবর্তী আবারো আসবো নতুন কোন বিষয় নিয়ে। ধন্যবাদ জানাচ্ছি সবাইকে।
| ফটোমেকার | @engtariqul |
|---|---|
| ডিভাইস | শাওমি রেডমি নোট ৭ |
| লোকেশন | সিরাজগঞ্জ |
আমি তারিকুল ইসলাম। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি সিভিল ইন্জিনিয়ার থেকে পড়াশোনা শেষ করেছি।
আমি ভ্রমণ এবং ঘোরাঘুরি করতে ভিশন পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি করতে ভিশন ভালো লাগে। ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে, এবং ডাই বানাতে পছন্দ করি।
ঈদের মধ্যেই একসাথে অনেক আত্মীয় স্বজন দেখা যায়। এই সময়ে ঘুরাঘুরি করতে কিন্তু খুব ভালো লাগে। আর গ্রামে থাকলে তো কথাই নেই। আপনি ভাই এবং ভাগ্নে কে নিয়ে ঈদের তৃতীয় দিন বেশ ভাল মজা করেছেন। ছোট বাচ্চাদের নিয়ে ঘুরতে কিন্তু আলাদা আনন্দ লাগে। আপনার পোস্ট পড়ে ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
জি ভাইয়া ঠিক বলেছেন এবার ঈদে অনেক মজা হয়েছে। গ্রামে গেলে অনেক মজা করে থাকি বিশেষ করে ঈদের মধ্যে।আর বাচ্চাদের নিয়ে ঘুরতে আসলে অনেক মজা লাগে। সুন্দর কমেন্ট করে উৎসাহিত করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া।
ঈদ বলে কথা। আর এই ঈদ আসলেই জেনো বাড়িতে মেহমানদের সংখ্যা অনেক গুন বেড়ে যায়। আর তখন এসব মেহমানদের সাথে ঘুরে বেড়াতেও যেন অনেক আনন্দ লাগে। আপনি তো দেখি ঈদ উপলক্ষ্যে আপনজনদের সাথে বেশ সুন্দর সময় কাটিয়েছেন।
জি আপু ঠিক বলেছেন ঈদ মানেই আনন্দ ঈদ মানেই খুশি। এবার ঈদ অনেক মজা করেছি পরিবারের সবাইকে নিয়ে।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া ঈদে আসলে সবার সঙ্গে দেখাটা হয়ে যায়। আশেপাশে ঘুরার জায়গা না থাকার কারণে হসপিটালে ভেতরে এত লোকজনের আনাগোনা। বিশেষ করে খাবারের দোকানে তো দেখছি নরমাল রেস্টুরেন্ট এর মত অবস্থা। যাইহোক ভাগ্নেকে নিয়ে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন বোঝা যাচ্ছে।
ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করে উৎসাহিত করার জন্য। ঈদের মধ্যে ভালো রেস্টুরেন্টে গুলো লোকাল এর মতো হয়ে যায়।