জীবনের ছন্দের গল্প: ভালোবাসার শক্তিতে বাঁচুন || প্রতিটি জীবন অর্থপূর্ণ।
জীবনের ছন্দের গল্প:
প্রতিটি জীবন অর্থপূর্ণ |
|---|
মানুষের জীবন কয়টা ? উত্তর নিঃসন্দেহে একটাই। একটি মানুষ পৃথিবীতে কদিন বাঁচে? ধরে নিলাম ৬০-৭০ বছর, তার মানে জীবনটা খুব ছোট্ট। এই ছোট্ট একটি জীবন নিয়ে আমাদের বেঁচে থাকা। এর মধ্যে রয়েছে সুখ, দুঃখ, প্রেম-ভালোবাসা, সংসার অজস্র দূর্ঘটনা। তবুও জীবন কিন্তু থেমে থাকেনা জীবনের গতিতে জীবন চলতেই থাকে। এখানে যারা সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মায় তাদের হিসাব একটু আলাদা হয়ে থাকে, তারা জীবনের বেশ কিছু আনন্দ অবলীলায় ভোগ করতে থাকে। মনে হয় যেন দুনিয়াতে শুধুমাত্র সুখ আর ভোগবিলাস।
তবে নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন কাহিনী বেশ আলাদা। তাদের জীবন সংগ্রাম শুরু হয় ছোট বেলা থেকেই। সেখানে দারিদ্রতার অভিশাপ আর কষ্ট করে বেঁচে থাকার প্রান পন সংগ্রাম চালিয়ে যেতেই হয়। দেখা যায় যে বয়সটা খেলাধুলা করার কিংবা বই পড়ার তখন হাতে উঠিয়ে নিতে হয় শক্ত হাতুড়ি। তবুও বেঁচে থাকা সংগ্রাম ময় জীবনের তাগিদে।
মধ্যবিত্ত মানে জীবনকে পোষ মানিয়ে নিজের লাজ-লজ্জা বজায় রেখে ভালো থাকার অভিনয় করা মাত্র। এই শ্রেনীর মানুষ বেশ কষ্ট পায় সেটা সামাজিক কিংবা আর্থিকভাবে। এরা জীবনের সাথে মানিয়ে চলতে বেশ কষ্ট করে থাকে। বলাবাহুল্য এরা না দেখাতে পারে বড়লোকি চালচলন আবার না পারে নিম্নবিত্তের কাতারে দাঁড়াতে। ছোট্ট একটা উদাহরণ দিয়ে বলি ধরুন কোথাও কম মূল্যে চাল বিতরণ করছে, দেখবেন সেখানে অজস্র নিম্নবিত্ত মানুষেরা লাইন পরে যাবে। কিন্তু একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ সেই লাইনে দাঁড়াতে পারবেনা লোকলজ্জার ভয়ে। না তাই বলে না খেয়ে থাকে না হয়তো জীবনের গতিতে কোনভাবে জীবন চলেই যায়।
একটু প্রসঙ্গ পরিবর্তন করি, জীবনে কি কখনো আপনার মনে হয়েছে জীবন দূর্বিসহ হয়ে উঠেছে। আমি আর পেরে উঠছি না, বোধহয় মরে যাওয়া উচিত। বলবেন হ্যা মাঝে মাঝে মনে আসে বইকি। সত্যি বলতে প্রতিদিন অজস্র আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটে যাচ্ছে, কারন গুলো হয়তো প্রেম ঘটিত হতাশা কিংবা জীবনের অনীহা। তাহলে কি সেই মানুষগুলো হাল ছেড়ে দিল? হ্যা সত্যিই তার জীবনের অর্থ খুঁজে না পেয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছে।
দেখুন প্রতিটি জীবনের অর্থ রয়েছে। আজ থেকে বেশ কিছু বছর পূর্বের মৃত মানুষ এখনো অনেকের হৃদয়ের মাঝে বেঁচে থাকে শুধুমাত্র তাদের মানুষকে ভালোবাসার গুনে কিংবা তাদের কর্ম গুনে। মানুষ কিন্তু কখনো তাদের ভুলে না, তাদের হৃদয়ের মাঝে লালন পালন করে। এখন প্রশ্ন হলো তাদের জীবনে কি দুঃখ কিংবা হতাশা ছিল না। উত্তর অবশ্যই ছিল তবে হয়তো যুগের পরিবর্তনের ফলে হতাশার ধরন কিংবা পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়েছে।
এই পুরো লিখনীটির মাঝে যা বোঝাতে চাইলাম তা হলো জীবনকে অর্থপূর্ণ করে তুলতে হবে। এই ক্ষেত্রে ভালোবাসার শক্তি একটা বড় ব্যাপার হয়ে উঠতে পারে। দেখুন পরিবারকে ভালোবাসা এবং সর্বোপরি মানুষকে ভালোবাসার মধ্য দিয়ে আপনার জীবনে সুন্দরভাবে বাঁচার প্রানশক্তি অর্জন করতে পারেন। সেটা যেরকম পরিস্থিতির মধ্যেই আপনি থাকেন না কেন, এটা আপনাকে জীবনের মহত্বে ফিরিয়ে আনবেই। আর আপনার এই ভালোবাসা আর লড়াকু মনোভাব আপনাকে বাঁচিয়ে রাখতে সক্ষম অজস্র মানুষের হৃদয়ে যুগের পর যুগ।
"ভালোবাসার শক্তিতে বাঁচুন"
https://steemitwallet.com/~witnesses
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
https://twitter.com/emranhasan1989/status/1593152491457503232?t=xHMtLWV1HkIaiAcJUJ5-cQ&s=19
Congratulations, your post has been upvoted by @dsc-r2cornell, which is the curating account for @R2cornell's Discord Community.
আপনার পোস্ট সব সময়ই ভীষণ ভালো লাগে। বরাবরের মতো আজকে ও চমৎকার একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছেন। সত্যিই জীবনটা অনেক ছোট্ট। তবে আপনি চমৎকার বলেছেন ভালোবাসার শক্তিতে বাঁচুন। আপনি ঠিক বলেছেন ভালো কাজ করলে মানুষকে ভালোবাসার গুনে কিংবা তাদের কর্ম গুনে মানুষ মানুষকে মনে রাখে। আপনার পোস্ট ভিজিট করে সব সময়ই ভালো লাগে। এভাবেই এগিয়ে যান আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো ভালো থাকুন।
আমাদের জীবন সত্যিই অনেক ছোট। সত্যি আপনার আজকের এই লেখার মাধ্যমে অনেক কিছু শিখতে পারলাম যেমন জীবনকে অর্থপূর্ণ করে তুলতে হবে। আপনি একদম সত্যি বলেছেন এক্ষেত্রে ভালোবাসার শক্তি একটা বড় ব্যাপার হয়ে উঠতে পারে। সব মিলিয়ে দারুন একটি পোস্ট ছিলো। যা পড়ে খুবই ভালো লাগলো।
ঠিক বলেছেন ভাই ভালোবাসার মধ্য দিয়ে আমরা সুন্দরভাবে বাঁচার প্রাণশক্তি অর্জন করতে পারি। সেই ভালোবাসা নিজের কাজের ক্ষেত্রও হতে পারে, আবার মানুষের মধ্যে তো বটেই। সর্বোপরি পরিবারে বাবা-মা ও স্ত্রী সন্তানের মধ্যে ভালোবাসার বন্ধন তৈরি করা। নিজের পরিবারকে যদি ভালবাসতে না পারি তাহলে অন্যদেরকে কিভাবে ভালবাসবো। বেঁচে থাকার মধ্যে যদি আনন্দ না থাকে তাহলে জীবনটা একঘেয়েমি হয়ে যায়। আমি মনে করি পার্থিব ছোট এই জীবনে শুধুমাত্র অর্থের পেছনে না ছুটে জীবনের আনন্দ খুঁজতে হবে।
যাইহোক আপনার লেখাগুলো পড়ে খুব ভালো লাগলো। জীবন সম্বন্ধে নতুন করে ভাবতে পারলাম।
অনেক ধন্যবাদ ভাই আমার লিখা পড়ে চমৎকারভাবে মূলভাব বোঝার জন্য। ভালো থাকুন দোয়া সবসময়ই রয়েছে।