"আমার বাংলা ব্লগ." ছোটবেলার স্মৃতিচারণ। ০৭ আগষ্ট ২০২১।
আমার বাংলা ব্লগে,
সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ 🇧🇩 থেকে।
আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আমি ভালো আছি। আমার নতুন একটি পোস্ট আপনাদের স্বাগতম। আজ একটি নতুন বিষয় নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করব। ছোটবেলার স্মৃতিগুলো কখনো ভুলা যায় না। সারাজীবন মনে থাকে। ছোটবেলার সেই স্মৃতিগুলোই ভবিষ্যতে আমাদের বেঁচে থাকতে অনুপ্রেরণা দেয়। আজ এই বিষয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করব। আমার ছোটবেলার কিছু স্মৃতি আপনাদের সামনে তুলে ধরব। সবাই সাথেই থাকবেন।
আমি ইমন হোসেন। আমি ছোট থেকেই বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার আওতাধীন একটি গ্রামে বসবাস করি। সাধারণত শহরের থেকে গ্রামের ছেলেদের শৈশব একটু ভিন্ন হয়। গ্রামের ছেলেরা ছোট থেকেই একটু বেখেয়ালি ভাবে বেড়ে ওঠে। তারা তাদের সারাদিন খেলাধুলা এবং দুষ্টামির মাধ্যমে অতিবাহিত করে। কিন্তু শহরের ছেলেরা তা করেনা। শহরের ছেলেরা বেশিক্ষণ সময় ঘরের মধ্যে বদ্ধ থাকে। আজ আমার ছোটকালের কিছু স্মৃতি আপনাদের সাথে আলোচনা করব।
W3W:
https://w3w.co/revealed.desperation.decoded
এরা আমার গ্রামের একটি ঘাট বাঁধানো পুকুর। এটা আমার গ্রামের মধ্যে অবস্থিত। আমি এই পুকুর আমার ছোটবেলা থেকেই দেখছি। আমার গ্রামের অধিকাংশ মানুষ এখানে গোসল করে। আমি ছোট থেকেই এখানে গোসল করি। এই পুকুরের সাথে আমার একটি গভীর সম্পর্ক হয়ে গেছে। সাঁতার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গ্রামের ছেলেরা শহরের ছেলেদের তুলনায় দ্রুত সাঁতার শেখে। আমার বয়স যখন ৬ বছর আমি তখন থেকেই এই পুকুরে গোসল করতে আসি। এবং আমি তখনি এই পুকুরে সাঁতার শিখি। আমার সাঁতার শেখার পেছনে এই পুকুরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। এখনো প্রতিদিন এখানে গোসল করতে এসে আমি সাঁতার দেয়। ছোটবেলা বন্ধুরা কতবার এই পুকুর সাঁতরে পাড় হয়েছি তার হিসাব নেই। এই পুকুর সারাজীবন আমার মনে স্মৃতির পাতায় থেকে যাবে।
W3W:
https://w3w.co/blackbirds.redbrick.mysteriously
আমার গ্রামে অনেক গাছপালা আছে। পুরোপুরি সবুজে ঘেরা আমার গ্রাম। এটা হলো আমার গ্রামের একটি পথ। এই পথের দুইপাশে রয়েছে দুইটা লেক বা দিঘি। ছোটবেলা এই দীঘিতে কত শাপলা তুলেছি কত মাছ ধরেছি। এবং এই পথের দুইধারে রয়েছে সারি সারি মেহেগুনী গাছ। এই পথের শেষ থেকে শুরু পর্যন্ত আমরা বন্ধুরা দৌড় প্রতিযোগিতা করতাম। যা কখনো ভূলার না। বন্ধুদের আজ অনেকেই গ্রামে আছে কিন্তু সেই দৌড় দেওয়ার মতো ইচ্ছা আর কারুর নেই।
W3W:
https://w3w.co/statues.thank.toyed
এরা হলো আমার গ্রামের ছোট ছেলেরা। এরা এখনো প্রতিদিন ফুটবল খেলে। যেমনটা ছোট বেলা আমরা খেলতাম। আমরাও এদের মতোই বৃষ্টিতে ভিজে ফুটবল খেলতাম। কিন্তু আমাদের স্মৃতিগুলো ক্যামেরা বন্দি করার মতো কেউ ছিল না। এদের দেখে আমার ছোটবেলার সেই স্মৃতিগুলো মনে পড়ে যায়। আমরাই ছোটবেলা বন্ধুরা মিলে এভাবেই ফুটবল খেলতাম।
এখন আমি আপনাদের মাঝে একটি ভিডিও শেয়ার করব। এই ভিডিও টা আমার এবং আমার কিছু বন্ধুর। আমার বয়স যখন ১০ কী ১১ বছর। তখন পুকুরে গোসল করার সময় এক বড় ভাই এই ভিডিও টা ধারণ করেছিল। আজ আমি তার থেকে এই ভিডিওটি নিয়েছি এবং আমি ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেছি। আশাকরছি সবাই দেখেবেন। আপনাদের ভালো লাগবে। সবাই ভালো থাকবেন।
| ------- | ------ |
|---|---|
| w3w | https://w3w.co/nostril.lowly.jammers |
| ভিডিও ধারণ | মো: নাজমুল হাসান |
| ডিভাইস | Samsung J2 |
| ব্যাকগ্রাউন্ড গান | পুরানো সেই দিনের কথা। |
| ব্রান্ড | রবীন্দ্র সংগীত। |
ব্লগটি পড়ে আমিও আমার ছোটো বেলায় হারিয়ে গেছি। অনেক সুন্দর লিখেছেন। ধন্যবাদ।
আমার পোস্ট টা পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনার ব্লগটি পড়ে ছোট বেলায় স্মৃতি মনে পড়ে গেলো। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
ধন্যবাদ।
যদিও আমি ছোট বেলায় তেমন দূরন্ত ছিলাম না। তবুও ছোট বেলায় কাটানো সময়টা অনেক মিস করি। আমার মনে আছে একবার ছোট বেলায় নদীর পানিতে ঝাপ দিতে গিয়ে আমার বাম হাতটা ভেঙে গেছিলো।
ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটা পোষ্ট শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ।
চমৎকার াআমিও ছোট বেলায় পুকুরে গোসল করতে গিয়ে
ডুবে গেছিলাম। সেদিন মনে হয় নতুন জীবন পেয়েছি। ভাল লাগল। শুভ কামনা।
ধন্যবাদ।
এমন কিছু দেখার অপেক্ষায় ছিলাম। ধন্যবাদ ভাই