স্বাস্থ্য বিষয়ে সেমিনার এ অংশগ্রহণ করা।
আমরা ক্লাবের ১৫ জন এই সেমিনারে আমন্ত্রণ পাই। সেমিনারটি ছিল প্রেস ক্লাবের পাশে। ভবনটির নাম ছিল সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার। আজ শুরু থেকে আপনাদের সাথে আজকের দিনের ঘঠনা বিবরণ করবো।সবার মতামতের প্রেক্ষিতে কাছাকাছি বিবেচনা করে ইব্রাহিমপুর পুলপার যাত্রার স্থান ঠিক করি। সবাইকে সকাল ৮টায় আসবো। কথা মতো আমরা সকলে নির্ধারিত সময়ে পৌঁছায়। পথ শেওড়া পাড়া মেট্রোরেল স্টেশনের দিকে গিয়ে মেট্রো দিয়ে সচিবালয় পর্যন্ত যাব । কিন্তু আমি সকলে সাথে যেতে পারি নাই। আমার উপর একটা দায়িত্ব ছিল সকালের নাস্তার ব্যবস্থা করা। আমি সকলের জন্য ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভান্ডারে যাই। সেখানে ৫০ টাকার একটি কম্বিনেসন প্যাকেট ছিল, আইটেম হিসেবে ছিল সিঙ্গারা, লাড্ডু, নিমকি। আমি ৩০ প্যাকেট নিয়ে সেমিনার ভেন্যুতে যাই। সেখান থেকে সেমিনার ভেন্যুতে যাওয়ার জন্য সিএনজি ভাড়া করি সচিবালয় তিন রাস্তা মোড় পর্যন্ত। আমি ৯টার সময় প্রোগ্রাম স্থলে পৌঁছায় ।
সেমিনার ভেন্যুতে পৌঁছানোর পর আমরা সকলে সকালের নাস্তা সম্পন্ন করি। নাস্তা শেষ করার পর আমরা আমাদের টি-শার্টগুলো সংগ্রহ করি প্রোগ্রামের জন্য। যদিও টি-শার্টগুলোর সাইজ একটু উল্টো-পাল্টা ছিল, একটু খুঁজার পর নিজের সাইজের টি-শার্ট খুঁজে পেলাম। টি-শার্টগুলো গায়ে দিয়ে আমরা আমাদের চেয়ারে বসে পড়লাম।
আনুমানিক সকাল দশটায় প্রোগ্রাম শুরু হয়। প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন অনেক গুণী এবং জ্ঞানী মানুষ। পেশা হিসেবে তাঁরা ছিলেন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, পত্রিকার সিনিয়র সম্পাদক এবং লেখক। বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া এবং গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শ্রোতা হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউট রোভার সদস্যরা এবং রোটার্যাক্টর হিসেবে ছিলাম আমরা।
প্রোগ্রামের শুরুতেই আমাদের সেমিনার সম্বন্ধে সকলকে এর লক্ষ্য, প্রয়োজনীয়তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একে একে সবাই তাঁদের মতামত এবং অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করেন।
এই সেমিনার মূলত আয়োজন করা হয় বাংলাদেশের মানুষকে স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন করার জন্য। আমরা জানতে পারি যে বাংলাদেশে অনেক মানুষ লিভার বিষয়ে সচেতন নয়। নানা রকম রিপোর্ট এবং গবেষণার মাধ্যমে জানা যায় যে, বাংলাদেশে চার লক্ষ মানুষ লিভারের সমস্যায় আক্রান্ত। বাংলাদেশে প্রতি তিন জনের মধ্যে একজনের ফ্যাটি লিভারের সমস্যা রয়েছে। যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে এবং রক্তে চর্বির পরিমাণ বেশি, তাঁদের এটির সম্ভাবনা বেশি। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, "কম খাই, বেশি হাঁটি"।
সেমিনার শেষ হয় দুপুর ১টার সময়। আমাদের সকলের জন্য প্রোগ্রাম কমিটির পক্ষ থেকে মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা করা হয়। খাবারের আইটেমের মধ্যে ছিল ভাত, ডাল, সবজি এবং একটি মুরগির রোস্ট। আমরা সকলে চিন্তা করলাম খাবারটা আশেপাশে কোনো জায়গায় খেয়ে নেই। অনেকজন থাকার কারণে চিন্তা করলাম কোনো খোলা জায়গায় বা মাঠে আরাম করে আড্ডা,গল্প করে খাওয়াটা শেষ করা যায়। আমরা সর্বপ্রথম চিন্তা করলাম রমনা পার্কে যাওয়া যায়। রমনা পার্কে যাওয়ার পর জানতে পারলাম এখানে দুপুর ২টার পর প্রবেশ করা যাবে। তাই আমরা চিন্তা করলাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এ যাবো। এটি খুবই সুন্দর জায়গা, গাছের নিচে বসে খাওয়াটা শেষ করার জন্য। সকলে গল্প এবং আড্ডা করতে করতে দুপুরের খাবারটা শেষ করলাম। খাবার শেষ করার পর আমরা শাহবাগ মেট্রোরেলে স্টেশন এর দিকে অগ্রসর হলাম।
পথে এক ভাই আমাদের সকলকে আইসক্রিমের ট্রিট দিলেন।
আমরা মেট্রোরেল স্টেশনে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে সকলের জন্য টিকেট কিনলাম। আমাদের গন্তব্যস্থল ছিল শেওড়া পাড়া মেট্রো স্টেশন। শেওড়া পাড়া মেট্রো স্টেশনে এসে আমরা দুজন দুজন করে রিকশা নিয়ে বাসার দিকে চলে আসলাম।
আপনার পোস্টটি পড়ে খুবই ভালো লাগলো। আপনি যেভাবে ৭ম গ্লোবাল ফ্যাটি লিভার ডে উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন, তা অত্যন্ত সচেতনতামূলক এবং শিক্ষামূলক। আপনার বর্ণনা থেকে বোঝা যাচ্ছে যে আপনি এই ইভেন্টে অংশ নিয়ে অনেক কিছু শিখেছেন এবং অন্যদেরও শেখাতে চান। আপনার এই উদ্যোগ অন্যদেরও স্বাস্থ্য সচেতন হতে উৎসাহিত করবে। ধন্যবাদ এমন একটি মূল্যবান পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে ধন্যবাদ।আমার পোস্ট টা সম্পূর্ণ পরার জন্য।আপনার দায়িত্বশীল কমেন্ট করার জন্য। এটি আমার ভবিষ্যতে আরো সুন্দর পোস্ট করার জন্য উৎসাহ করবে।