অসচেতনতার বলি (দ্বিতীয় পর্ব)
সাগর তার মাকে বললো মা রইসদের বাড়িতে ঘুরতে যাবো। তার মা বলল কোথাও যেতে হবে না। চুপচাপ ঘরে শুয়ে থাক। সাগর বুঝতে পারে তার মাকে বলে কোনো লাভ হবে না। তখন সে চিন্তা করে একটু পরে মা গোসল করতে যাবে। মা গোসল করতে গেলেই তখন সে ঘর থেকে বের হয়ে যাবে। এই বুদ্ধি করে সাগর চুপচাপ বিছানায় গিয়ে শুয়ে থাকে। তার মা কিছুক্ষণ পর তাকে বলে ঘরেই থাকিস বাইরে কোথাও যাসনে। আমি গোসল করে আসছি। এই কথা বলে সাগরের মা বাড়ির পাশে পুকুর ঘাটে চলে যায় গোসল করতে। এই সুযোগে সাগর বাড়ি থেকে চম্পট দেয়। গিয়ে হাজির হয় নির্ধারিত জায়গায় যেখানে তার অন্য বন্ধুদের আসার কথা ছিলো।
সাগর সেখানে পৌঁছে দেখে তার আগেই সবাই সেখানে চলে এসেছে। সাগরকে দেরিতে আসতে দেখে তার বন্ধুরা তাকে রাগ করতে থাকে। বলতে থাকে সময় মতো না গেলে আম পারা যাবে না। যাই হোক কয় বন্ধু এক জায়গায় হওয়ার পর রওনা দেয় পাশের গ্রামের উদ্দেশ্যে। সেখানে পৌঁছতে তাদের আধা ঘন্টার মতো লাগে। তারা সর্বমোট ৫ জন বন্ধু সেখানে গিয়েছিলো আম চুরি করতে।
দলনেতা হিসেবে সাগর সবাইকে যার যার কাজ বুঝিয়ে দেয়। দুজনকে পাঠায় বাগান মালিকের বাড়ির দিকে নজর রাখতে। আর দুজনকে দুটো ব্যাগ দিয়ে গাছে উঠিয়ে দেয়। আর সাগর রাস্তার দিকে নজর রাখতে থাকে যাতে রাস্তার দিক থেকে কেউ চলে না আসে। সবাই যার যার কাজে চলে গেলে সাগর দুরু দুরু বুকে রাস্তার দিকে নজর রাখতে থাকে। আর বারবার গাছের মালিকের বাড়ির দিকে তাকায়। সেখানে তার দুই বন্ধু তাকে ইশারায় বলে সবকিছু ঠিক আছে। (চলবে)
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
খুব সুন্দর ধারাবাহিক গল্পটি পড়ে ভালো লাগতেছে। অসাধারণ একটি গল্প আমাদের সাথে শেয়ার করতেছেন। টানটান উত্তেজিত হয়ে আছি আম চুরির পরবর্তী পর্বটি জন্য। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এমন একটি ধারাবাহিক গল্প আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।