নিজের পেটে নিজেই লাথি দেওয়ার গোষ্ঠী!
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
বাঙালি মাঝেমধ্যে এমন অনেক কাজ করে, যার কারণে গর্ভে যেন বুক ফুলে উঠে, আবার মাঝে মধ্যে এমন কিছু কাজ করে, যেগুলো নিয়ে আসলে হা-হুতাশ করা কিংবা আফসোস করা ছাড়া আর কোন উপায় দেখতে পাই না। আসলে আমরা এমন এক জাতি, যে জাতি হঠাৎ করেই উৎসাহিত হয়ে অতিরিক্ত উদ্দীপনাতে এমন কিছু করে বসে, যেটা কখনোই করা উচিত নয় এবং এমন কিছু করে ফেলি, যেটা কখনোই করা উচিত নয়। অর্থাৎ, আমাদের এই উৎসাহ-উদ্দীপনাটাই মাঝেমধ্যে আমাদেরকে অনেক ভুল পথে নিয়ে যায়।
তার মধ্যে বেশিরভাগ আমি যেটা হতে দেখেছি, সেটা হল—আমরা সবসময় নিজের ঘর পুড়িয়ে আবার অন্যের ভালো করতেই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি। অর্থাৎ, আমার জন্য যেটা ভালো, আমি প্রথমে যেন তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে যাই এবং তার ক্ষতিতেই যেন আমার আনন্দ নিহিত। আসলে আমরা যেই খাবার পাতে খাই, সেই খাবার পাতই নষ্ট করি—তার বড় একটা উদাহরণ। কারণ, সব সময় খেয়াল করে দেখবেন, আমাদের জন্য যেও কোন অপরচুনিটি নিয়ে আসে, আমরা প্রথমে তাকেই মারার জন্য উঠে পড়ে লাগি।
অর্থাৎ, আমরা এমন এক গুষ্টি, যারা আসলে কখনোই নিজের ভালো নিজে বুঝি না এবং যতভাবে সম্ভব, ততভাবেই সব সময় আমাকে যে উপকার করছে, তার ক্ষতি করার চেষ্টা করি। আর যার কারণে ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে আসলে অপরকে সাহায্য করার ব্যাপারটি মুছে যাচ্ছে। কারণ, ধরুন আপনি কাউকে সাহায্য করলেন, আপনি আপনার নিজের হয়তো কিছুটা কমতি রেখেও অন্যকে সাহায্য করলেন। কিন্তু তবুও দেখবেন, যে দিনশেষে আপনারই ক্ষতি করা হচ্ছে এবং সেই আপনার ক্ষতি করছে, যাকে আপনি একদিন সাহায্য করেছিলেন। তাই আমি এ কথাটি বললাম যে, আমরা নিজের পেটে নিজেই লাথি দেওয়ার মতন মানুষ।
Dəstək istəyirəm